ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
সাইনবোর্ডে লেখা রাত ৮টা, কিন্তু ৭টার আগেই বন্ধ তেলের পাম্প!
রাজধানীর শাহবাগের পরীবাগে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের একটি ফিলিং স্টেশন। সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে- পেট্রোল পাম্পটি খোলা থাকবে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। কিন্তু, শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা বাজার আগেই ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পাম্পের সামনে তখনও তেল নিতে আসা শতাধিক মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার অপেক্ষা করছিল। কারও সঙ্গে কোনো কথা না বলেই পাম্প বন্ধ করে দ্রুত সরে পড়তে দেখা যায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের। কারণ জানতে বারবার ডাকলেও তারা কোনো সাড়া দেননি।
পাশেই রয়েছে পূর্বাচল ট্রেডার্স নামে আরেকটি ফিলিং স্টেশন। তারা অবশ্য সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে জানিয়েছে, তাদের কাছে পেট্রোল ও অকটেন নেই। কারণ জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানটির
একজন ম্যানেজার জানান, শুক্রবার ডিপো বন্ধ থাকায় তারা তেল সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে তেল নিতে আসা ভোক্তাদের অভিযোগ, শুধু এই দুটি নয়- রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনই তেল দিচ্ছে না। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, এই আশায় পাম্প মালিকরা তেল বিক্রি বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাদের। সরকারের পক্ষ থেকে তেলের কোনো সংকট নেই জানিয়ে ক্রেতাদের জন্য তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও পাম্প মালিকরা সেই নির্দেশনা মানছেন না বলেও দাবি করেন ভোক্তারা।
একজন ম্যানেজার জানান, শুক্রবার ডিপো বন্ধ থাকায় তারা তেল সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে তেল নিতে আসা ভোক্তাদের অভিযোগ, শুধু এই দুটি নয়- রাজধানীর অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনই তেল দিচ্ছে না। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়তে পারে, এই আশায় পাম্প মালিকরা তেল বিক্রি বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাদের। সরকারের পক্ষ থেকে তেলের কোনো সংকট নেই জানিয়ে ক্রেতাদের জন্য তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও পাম্প মালিকরা সেই নির্দেশনা মানছেন না বলেও দাবি করেন ভোক্তারা।



