ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনসহ ২০২৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ১১২ জনের মৃত্যু
আওয়ামী লীগ নেতাদের জেলহত্যা চলছেই, ১৯৭৫ সালের মত গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জাতীয় চার নেতা হত্যার মত পুনরাবৃত্তি
পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনসহ ২০২৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ১১২ জনের মৃত্যু ।
সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন গতরাতে কারা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছেন।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের পর ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মাসে ১১২ জন কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৫ জন এবং ২০২৪ সাল জুড়ে মারা গেছেন ৬৫ জন।
এছাড়া, এই মৃতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী রয়েছেন, যারা 'নাশকতা' কিংবা 'হত্যা মামলার' আসামী ছিলেন। বিশেষভাবে ২০২৪ সালের
নভেম্বর মাসে বগুড়া কারাগারে অন্তত চারজন আওয়ামী লীগ নেতা/কর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে কারা কর্তৃপক্ষ 'হার্ট অ্যাটাক' কিংবা অন্যান্য অসুস্থতা উল্লেখ করলেও তাদের পরিবার তা গ্রহণ করেনি। বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে কারাগারে মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে আইনজ্ঞদের মতে, বিশেষত বয়স্ক ব্যক্তিদের সুচিকিৎসার অভাব এবং সময়মতো হাসপাতালে পাঠাতে অনীহা তাদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চট্টগ্রামের ৮১ বছর বয়সী আব্দুর রহমান মিয়া, যিনি ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে কারাগারে মারা গেছেন। একইভাবে, সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, যিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছিলেন, যদি সময়মতো চিকিৎসা পেতেন তবে তিনি হয়তো বাঁচতে পারতেন। নির্দিষ্ট কিছু মৃত্যুর
মধ্যে আছেঃ গাইবান্ধা জেলার কারাগারে ৫৫ বছর বয়সী তারিক রিফাতের মৃত্যু, যিনি কারাগারে প্রবেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মারা যান। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ৪৩ বছর বয়সী ওয়াসিকুর রহমান বাবু, যিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। আইন অনুযায়ী তদন্তের দাবী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কারা হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা তদন্তযোগ্য। ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র কাউকে হেফাজতে রাখলে তার জীবন ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় বাধ্য। এটি স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, কারাগারে আটক বন্দিদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অপরিহার্য তদন্তের দাবি এখন প্রশ্ন উঠছে, কারা হেফাজতে এই মৃত্যু গুলোর পেছনে কি অসাধুতা রয়েছে? অতএব, প্রতিটি মৃত্যুর স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত
খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মৃত্যুর ঘটনায় উল্লিখিত পরিবারের অভিযোগ নিয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে। বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ সামাজিকভাবে দৃষ্টিভঙ্গি রাখা দরকার, এমন মৃত্যুর পেছনে যদি সুস্পষ্ট কোনো অস্বাভাবিকতা থাকে, তবে তা তদন্তে সমাধান করতে হবে।
নভেম্বর মাসে বগুড়া কারাগারে অন্তত চারজন আওয়ামী লীগ নেতা/কর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মৃত্যুর কারণ হিসেবে কারা কর্তৃপক্ষ 'হার্ট অ্যাটাক' কিংবা অন্যান্য অসুস্থতা উল্লেখ করলেও তাদের পরিবার তা গ্রহণ করেনি। বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকে কারাগারে মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে আইনজ্ঞদের মতে, বিশেষত বয়স্ক ব্যক্তিদের সুচিকিৎসার অভাব এবং সময়মতো হাসপাতালে পাঠাতে অনীহা তাদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, চট্টগ্রামের ৮১ বছর বয়সী আব্দুর রহমান মিয়া, যিনি ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে কারাগারে মারা গেছেন। একইভাবে, সাবেক শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, যিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছিলেন, যদি সময়মতো চিকিৎসা পেতেন তবে তিনি হয়তো বাঁচতে পারতেন। নির্দিষ্ট কিছু মৃত্যুর
মধ্যে আছেঃ গাইবান্ধা জেলার কারাগারে ৫৫ বছর বয়সী তারিক রিফাতের মৃত্যু, যিনি কারাগারে প্রবেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মারা যান। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ৪৩ বছর বয়সী ওয়াসিকুর রহমান বাবু, যিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা যান। আইন অনুযায়ী তদন্তের দাবী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কারা হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা তদন্তযোগ্য। ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র কাউকে হেফাজতে রাখলে তার জীবন ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় বাধ্য। এটি স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, কারাগারে আটক বন্দিদের মানবাধিকার নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অপরিহার্য তদন্তের দাবি এখন প্রশ্ন উঠছে, কারা হেফাজতে এই মৃত্যু গুলোর পেছনে কি অসাধুতা রয়েছে? অতএব, প্রতিটি মৃত্যুর স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত
খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই মৃত্যুর ঘটনায় উল্লিখিত পরিবারের অভিযোগ নিয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে। বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ সামাজিকভাবে দৃষ্টিভঙ্গি রাখা দরকার, এমন মৃত্যুর পেছনে যদি সুস্পষ্ট কোনো অস্বাভাবিকতা থাকে, তবে তা তদন্তে সমাধান করতে হবে।



