ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংস্কার নয়, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ফন্দি ইউনুস গংয়ের : রেহমান সোবহানের বক্তব্য স্বীকারোক্তি নাকি সমালোচনা?
গনপরিষদ নাকি মাইনাস – 2 ?
শেখ হাসিনার সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিনের অ্যাসিস্ট্যান্টের কোনো গোপন বিষয়ে একমত হওয়ার দাবিটি ভুয়া।
গণভোটের ব্যালটে নেই কোন সিরিয়াল নম্বর, গণভোটের নামে মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান পরিবর্তনের গভীর ষড়যন্ত্রের এক নীল নকশা
ক্ষমতার আড়ালে পৈশাচিকতা: এপস্টাইন ফাইলস ও সভ্যতার খসে পড়া মুখোশ
বর্তমান সরকার ‘জঙ্গি তোষণকারী’, আসন্ন নির্বাচন ‘সাজানো নাটক’: সজীব ওয়াজেদ জয়
বিএনপি এখন মার্কিন দূতাবাসের ‘পুতুল’, তারেক রহমান তাদের জিম্মি: সজীব ওয়াজেদ
৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি গবেষণা অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর ঘটা রাজনৈতিক সহিংসতার ৯১.৭ শতাংশ ঘটনার সাথে বিএনপি যুক্ত।
আজ (২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, ২০.৭ শতাংশ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্পৃক্ততা রয়েছে।
‘স্বৈরাচারের পতনের দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রতিবেদনটির ফলাফল টিআইবি-র সম্মেলন কক্ষে প্রকাশ করা হয়।
টিআইবি জানায়, বিভিন্ন দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং রাজনৈতিক সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত—এই ১৭ মাসে সারাদেশে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যাতে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী
নিহত এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৫০টিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, আর ১২৪টি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সদস্যরা জড়িত ছিল। এই সময়ে জামায়াত ৪৬টি ঘটনায় জড়িত ছিল বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। টিআইবি-র মতে, সরকার পতনের পর আগে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, সিলেটের পাথর কোয়ারি ও নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন এবং ব্রিজ, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জলাশয়ের ইজারা দখলের লড়াই। গবেষণায় দেখা গেছে যে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেকাংশেই অকার্যকর ছিল এবং দলগুলো
সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নিজ কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।
নিহত এবং সাত হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে ৫৫০টিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, আর ১২৪টি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সদস্যরা জড়িত ছিল। এই সময়ে জামায়াত ৪৬টি ঘটনায় জড়িত ছিল বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। টিআইবি-র মতে, সরকার পতনের পর আগে আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, সিলেটের পাথর কোয়ারি ও নদী থেকে অবৈধ পাথর উত্তোলন এবং ব্রিজ, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জলাশয়ের ইজারা দখলের লড়াই। গবেষণায় দেখা গেছে যে, রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনেকাংশেই অকার্যকর ছিল এবং দলগুলো
সহিংসতা ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত নিজ কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে।



