জুলাইয়ের দাঙ্গা থেকে জামায়াততন্ত্র: একটি ক্যুয়ের ময়নাতদন্ত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ

জুলাইয়ের দাঙ্গা থেকে জামায়াততন্ত্র: একটি ক্যুয়ের ময়নাতদন্ত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৫:১৭ 7 ভিউ
ইরানিয়ান বুদ্ধিজীবী আহমেদ কারজাভির সেই আইরনিক উক্তি আজ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নতুন মাত্রা পাচ্ছে। তিনি বলেছিলেন ইরানিয়ানদের একবার মোল্লাতন্ত্রের স্বাদ নেয়া উচিত, আর তেত্রিশ বছর পর ১৯৭৯ সালে খোমেনীর নেতৃত্বে ইরানে ঠিক সেই মোল্লাশাহীই প্রতিষ্ঠিত হলো যা থেকে দেশটি আজও মুক্ত হতে পারেনি। এখন বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে সেই একই রকম এক ভয়ংকর মোড়ে, যেখানে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির শক্তিগুলো সুপরিকল্পিতভাবে ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যা ঘটেছে তা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন ছিল না। বিদেশী অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সুপরিকল্পিত সহিংসতা আর সামরিক বাহিনীর একাংশের প্রত্যক্ষ সমর্থনে সারাদেশে সংগঠিত দাঙ্গার মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে উৎখাত করা হয়েছে। এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের পর

যুনূস নামের এক সুদী মহাজনকে প্রধান করে একটা তথাকথিত অন্তর্বর্তী সরকার বসানো হয়েছে, যার পেছনে আসল চালিকাশক্তি হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের যুদ্ধাপরাধী নেতৃত্ব। জামায়াতে ইসলামীর আদর্শিক ভিত্তি যে কতটা বিপজ্জনক তা বুঝতে হলে তাদের ১৯৭১ সালের ভূমিকা দেখলেই যথেষ্ট। একাত্তরে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছিল হিন্দু নিধনে, শুধুমাত্র এই কারণে যে হিন্দু আইডেন্টিটি পাকিস্তান আইডিয়ার সাথে সাংঘর্ষিক। এটা তারা অর্থের জন্য করেনি, করেছিল খাঁটি আদর্শিক বিশ্বাস থেকে। একজন নিরপরাধ মানুষকে শুধুমাত্র ভিন্ন ধর্ম বা বিশ্বাসের কারণে হত্যাযোগ্য মনে করা যায়, এটাই তাদের মূল দর্শন। এই ধরনের সাইকোপ্যাথিক চিন্তাধারার সাথে কোনো আপস বা দরকষাকষি সম্ভব নয়। একটা টেম্পুস্ট্যান্ডের চাঁদাবাজের সাথে ইকোনমিক

ডিল করা যায় কারণ সে ইনসেন্টিভ স্ট্রাকচার বোঝে, কিন্তু যারা বিশ্বাস করে ভিন্নমতাবলম্বী মানুষ হত্যাযোগ্য, তাদের সাথে কোনো যুক্তিই খাটে না। ধর্মভিত্তিক ফ্যাসিবাদ সবসময়ই একই ছকে চলে। শত্রু-মিত্র পরিষ্কার, আইডিওলজি সম্পূর্ণ রিজিড, অনেক সময় ইকোনমিক্যালি প্রগ্রেসিভ মনে হতে পারে, কিন্তু আলটিমেট লক্ষ্য থাকে একটা হোমোজেনাস সমাজ এবং ওয়ান পার্টি স্টেট তৈরি করা যেখানে তাদের হিসাবে যারা অপবিত্র তাদের কোনো মানবাধিকার থাকবে না। জামায়াতের আদর্শিক স্কুলগুলোর কাঠামো আর কার্যপদ্ধতি হুবহু লেনিনিস্ট পার্টিজান স্ট্রাকচার থেকে ধার করা, যা তারা ফাইন টিউন করে নিজেদের মতো করে সাজিয়েছে। এই রকম সংগঠনগুলো কখনোই গণতন্ত্র বা বহুত্ববাদে বিশ্বাস করে না, তাদের লক্ষ্য হচ্ছে একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। গোলাম আজম

বা তার উত্তরসূরিরা ব্যক্তিগতভাবে সৎ ও ইনকরাপ্টিবল হতেই পারে, তারা আপনার আদর্শ প্রতিবেশী হতে পারে, কিন্তু তাদের ওয়ার্ল্ডভিউতে একজন হিন্দু বা একজন সেক্যুলার মুসলিম পূর্ণ নাগরিক নয়। তাদের কল্পিত রাষ্ট্রে শুধুমাত্র তাদের মতো বিশ্বাসীরাই প্রকৃত নাগরিক, বাকিরা সবাই দ্বিতীয় শ্রেণির অধিবাসী বা শত্রু। এই চিন্তাধারা ইনহেরেন্টলি ফ্যাসিস্ট এবং যে কোনো সভ্য সমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে এখন এক ধরনের পোস্ট কলোনিয়াল টার্ন দেখা যাচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান আর বাংলাদেশ সব জায়গাতেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি জনপ্রিয় হচ্ছে। এটা মূলত ১৯৪৭ সালের অসমাপ্ত প্রজেক্টের কন্টিনিউয়েশন। ভারত আরো হিন্দু হচ্ছে, পাকিস্তান আরো মুসলিম হচ্ছে। আরোপিত কলোনিয়াল মডার্নিটির বিরুদ্ধে এটা একধরনের লেইট রিভোল্ট বলা যায়,

কিন্তু এই রিভোল্ট আসলে সমাজকে আরো পেছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিল দ্বিজাতিতত্ত্বের বিপরীতে দাঁড়িয়ে। আমরা ছিলাম অখণ্ড ভারত এবং দ্বিজাতিতত্ত্ব এই দুইয়েরই এন্টিথিসিস। বাংলাদেশ প্রমাণ করেছিল যে ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র টিকতে পারে না, ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে জাতীয়তাবাদ সম্ভব। কিন্তু এখন এই ক্রিটিক্যাল জাংচারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশকে আবার বাংলাদেশ হতে হবে। খোমেনী, গোলাম আজম এবং তাদের উত্তরসূরিদের ফ্যাসিস্ট ডিসটোপিয়ায় আমরা পার্টিসিপেইট করতে পারি না। জামায়াত এবং তাদের সহযোগীরা এখন যেভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদকে বেশ্যালয় বলছে, ২০২৬ সালে এসেও মেয়েদের ইমানসিপেশনের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, জান্নাতের টিকেটের কথা বলে ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে তারা কোন দিকে

যেতে চায়। এই নির্বাচনে, এই রাজনৈতিক মুহূর্তে, এদের বিপক্ষে অবস্থান নেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, যেসব আদর্শ দুনিয়াকে বেহেশত বানানোর স্বপ্ন দেখায়, তারা আসলে দুনিয়ায় দোজখ কায়েম করে। ইরানের মোল্লাতন্ত্র তার জ্বলন্ত উদাহরণ। তালেবানের আফগানিস্তান আরেকটা উদাহরণ। পাকিস্তান যে গোলকধাঁধায় আটকা পড়ে আছে গত পঞ্চাশ বছর ধরে, সেটাও এই একই ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ফসল। বাংলাদেশকে এখন শেষ করে ফেলার একটা সুপরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে। ইউনূস এবং তার পেছনের শক্তিগুলো পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলছে, বিচার বিভাগকে নিজেদের আজ্ঞাবহ করে নিচ্ছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে পঙ্গু করে দিচ্ছে, আর সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের আদর্শিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলছে। জামায়াতের ক্যাডাররা

এখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংগঠনের নামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণকারী শিক্ষকদের টার্গেট করছে, আর ইতিহাস বিকৃত করার প্রকল্পে নেমেছে। পাকিস্তানি মডেল অনুসরণ করে তারা চাইছে বাংলাদেশকেও একটা থিওক্র্যাটিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে। পাকিস্তানে যেমন জিয়াউল হকের সামরিক শাসনামলে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করে ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছিল, বাংলাদেশেও এখন সেই একই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাকিস্তানে যেমন ব্লাসফেমি আইনের নামে সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন করা হয়, বাংলাদেশেও সেই দিকেই যাচ্ছে দেশ। পাকিস্তানে যেমন ধর্মভিত্তিক মিলিশিয়াদের লালন-পালন করা হয়েছে যারা পরে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, বাংলাদেশেও সেই পথেই হাঁটছে এই অবৈধ সরকার। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নিয়েছিল একটা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশকে এখন ঠেলে দেয়া হচ্ছে পাকিস্তানি মডেলের দিকে, যে মডেল থেকে মুক্ত হতেই আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম। এটা শুধু রাজনৈতিক পটপরিবর্তন নয়, এটা বাংলাদেশের সম্পূর্ণ পরিচয় বদলে ফেলার একটা প্রকল্প। যারা জান্নাতের টিকেট বিক্রি করে ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কখনোই জনগণের কল্যাণ নয়। তারা চায় একটা মধ্যযুগীয় সমাজব্যবস্থা যেখানে তারা থিওক্র্যাটিক কর্তৃত্ব ভোগ করবে আর সাধারণ মানুষ হবে তাদের অন্ধ অনুসারী। নারীদের অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় সহনশীলতা, সংস্কৃতির বৈচিত্র্য, এসব কিছুই তাদের কাছে শয়তানের কাজ। তারা চায় একটা একরঙা সমাজ যেখানে সবাই তাদের মতো চিন্তা করবে, তাদের মতো পোশাক পরবে, তাদের মতো জীবনযাপন করবে। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম যারা স্বপ্ন দেখে একটা আধুনিক, প্রগতিশীল সমাজের, তাদের ভবিষ্যৎ এখন হুমকির মুখে। যে মেয়েরা স্বপ্ন দেখে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার, ক্যারিয়ার গড়ার, তাদের সামনে এখন অন্ধকার। যে ছেলেরা চায় মুক্তচিন্তা করতে, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিতে নিজেদের বিকশিত করতে, তাদের পথ রুদ্ধ হয়ে আসছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই মাটিতে বসবাস করে আসছে, তাদের অস্তিত্বই এখন হুমকিতে। জামায়াতের এজেন্ডা কখনোই গোপন ছিল না। তারা সবসময়ই স্পষ্ট করে বলে এসেছে তারা কী চায়। কিন্তু বিপদ হলো, তারা এখন শুধু একটা রাজনৈতিক দল নয়, তারা রাষ্ট্রযন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। তাদের লোকজন এখন সরকারের ভেতরে, প্রশাসনে, বিচার বিভাগে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে অবস্থান নিচ্ছে। এটা আর শুধু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এটা রাষ্ট্রের চরিত্র বদলে ফেলার একটা সুসংগঠিত প্রচেষ্টা। বাংলাদেশ এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এখনও সময় আছে এই ধ্বংসযজ্ঞ থামানোর। কিন্তু এর জন্য চাই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা, স্পষ্ট অবস্থান এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা। যারা বিশ্বাস করে বাংলাদেশ একটা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল রাষ্ট্র হওয়ার যোগ্য, তাদের এখনই জেগে উঠতে হবে। কারণ আজকে যদি জামায়াতের এই প্রকল্প সফল হয়, তাহলে বাংলাদেশ হয়ে যাবে আরেকটা পাকিস্তান, আরেকটা আফগানিস্তান, আরেকটা ইরান। আর তখন আহমেদ কারজাভির মতো ভবিষ্যতের কোনো বুদ্ধিজীবী হয়তো বলবেন, বাংলাদেশিদের একবার জামায়াততন্ত্রের স্বাদ নেয়া উচিত ছিল। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরি হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জুলাইয়ের দাঙ্গা থেকে জামায়াততন্ত্র: একটি ক্যুয়ের ময়নাতদন্ত যেভাবে ইউনুসের সংস্কারের ঠ্যালায় বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হতে গিয়ে সিসিমপুর হয়ে গেলো! ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে এবার ঝরল জামায়াত নেতার প্রাণ ইতিহাসের অন্ধকার, ইউনুস সরকারের ধ্বংসযজ্ঞ দোজখের ভয় দেখিয়ে ভোট আদায়ের খেলা: জামায়াত-বিএনপির নির্বাচনী ধর্মব্যবসা এখন প্রকাশ্যে শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে: জামায়াতের আমির গতবছর সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ৫২২টি, দাবি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নারীমুক্তির মুখোশ পরা ইউনুসের আসল চেহারা ১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয় চট্টগ্রাম বন্দর ও সেন্ট মার্টিনের দখল নেবার পটভূমি তৈরি শুরু চট্টগ্রাম নৌঘাঁটিতে মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টার ‘রহস্যজনক’ পরিদর্শন: জাতীয় নিরাপত্তার স্পর্শকাতর তথ্য প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন গ্যাস সংকটে লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকিতে : ইউনুসের অদক্ষতার মাসুল গুনছে সাধারণ মানুষ “ড. মুহাম্মদ ইউনূস জীবনে কোনদিন ট্যাক্স দিয়েছে? জিজ্ঞেস করেন! ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া— এটা সে খুব ভালো জানে” –জননেত্রী শেখ হাসিনা Bangladesh’s ousted leader Hasina denounces the upcoming election from her exile in India The Achievements of Fascist Yunus: Theft, Robbery, Murder “দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের মানুষ; কিন্তু বলবে কে? সত্য কথা বললে জেলে যেতে হয়” – জনতার ক্ষোভ বাংলাদেশ : বাতাসে এখন শুধু লাশের গন্ধ লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি? Bangladesh: Power Bought With Blood তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ