ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উপকৃত ১ কোটি পরিবার
১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
ঘুষ-সিন্ডিকেটে প্রশাসন অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি, ১০০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন
গ্যাস সংকটের নেপথ্যে ড: ইউনূস ও পিটার হাসের কোম্পানির ষড়যন্ত্র
“সয়াবিন সকাল বেলা ১৫০ টাকা, বিকালে ২০০ টাকা; পেয়াজের কেজি সকালে ৪০ বিকালে ৭০; বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেছে না” –জনতার দুর্ভোগ
ড. ইউনুসের অবৈধ শাসন অর্জন ধ্বংসের রাজনীতি – ১৭ মাসে বাংলাদেশকে অনিশ্চয়তার খাদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে
এই দেশটি যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে বিদেশি নাগরিকদের কিছু হবে না, সমস্ত ক্ষতি আমাদেরই হবে” –জনতার কন্ঠ
সতের মাসে ৬ হাজার নিখোঁজ, রাষ্ট্র নীরব, প্রশ্নের মুখে ড. ইউনুসের শাসন
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু অন্ধকার অধ্যায় রয়েছে। তবে অভিযোগ উঠেছে ড. ইউনুসের সরকারের সতের মাসের শাসনামলেই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গুমের ঘটনা ঘটেছে। সময়ের স্বল্পতা, নিখোঁজের সংখ্যা এবং রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুর বিচারে এই অধ্যায়কে নজিরবিহীন বলে আখ্যা দিচ্ছেন বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।
এই নিখোঁজ কোনো বিচ্ছিন্ন বা আকস্মিক ঘটনা নয় এমনটাই অভিযোগ। বরং এটি ধারাবাহিক, পরিকল্পিত এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়কে লক্ষ্য করে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ হঠাৎ করেই নিখোঁজ হয়ে গেছে, যাদের বড় একটি অংশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত প্রায় ৬
হাজার নেতা-কর্মীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারা এক সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, সৈনিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের পরিচিত কর্মী ছিলেন। তারা কোনো গোপন বা আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির অংশ ছিলেন না ছিলেন প্রকাশ্য পরিচয়ের মানুষ। কিছু নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে কিন্তু অধিকাংশের কোনো চিহ্ন নেই না গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে,না মামলা হয়েছে না বিচার শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। একটি দেশে সতের মাসে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়, অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো বলে “আমরা কিছু জানি না” এই অবস্থান রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে গভীরভাবে
প্রশ্নবিদ্ধ করে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে এই রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগে ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী এবং বিএনপি–জামায়াত–এনসিপি ঘরানার রাজনীতির শক্তিগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে লাভবান হয়েছে। বিরোধী রাজনীতি দুর্বল হলে কারা সুবিধা পায়—এই প্রশ্ন আজ আর এড়ানো যায় না। নিখোঁজদের পরিবার আজও আদালত, থানা ও গণমাধ্যমের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। কিন্তু রাষ্ট্র নীরব। এই নীরবতাই সবচেয়ে ভয়ংকর কারণ নীরবতা মানেই দায় এড়িয়ে যাওয়া। উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলার কথা শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় যে শাসনামলে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গুমের অভিযোগ ওঠে, সেই শাসন কি সত্যিই ন্যায়ভিত্তিক হতে পারে? ইতিহাস একদিন হিসাব চাইবেই। গুমের তালিকা চিরদিন চাপা থাকে না। আজ যারা নেই, তারা কেবল নিখোঁজ নয় তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জমে
থাকা প্রশ্ন।
হাজার নেতা-কর্মীর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তারা এক সময় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, সৈনিক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের পরিচিত কর্মী ছিলেন। তারা কোনো গোপন বা আন্ডারগ্রাউন্ড রাজনীতির অংশ ছিলেন না ছিলেন প্রকাশ্য পরিচয়ের মানুষ। কিছু নিখোঁজ ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে কিন্তু অধিকাংশের কোনো চিহ্ন নেই না গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে,না মামলা হয়েছে না বিচার শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে। একটি দেশে সতের মাসে হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হয়, অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো বলে “আমরা কিছু জানি না” এই অবস্থান রাষ্ট্রের জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে গভীরভাবে
প্রশ্নবিদ্ধ করে। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে এই রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগে ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী এবং বিএনপি–জামায়াত–এনসিপি ঘরানার রাজনীতির শক্তিগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে লাভবান হয়েছে। বিরোধী রাজনীতি দুর্বল হলে কারা সুবিধা পায়—এই প্রশ্ন আজ আর এড়ানো যায় না। নিখোঁজদের পরিবার আজও আদালত, থানা ও গণমাধ্যমের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। কিন্তু রাষ্ট্র নীরব। এই নীরবতাই সবচেয়ে ভয়ংকর কারণ নীরবতা মানেই দায় এড়িয়ে যাওয়া। উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলার কথা শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় যে শাসনামলে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গুমের অভিযোগ ওঠে, সেই শাসন কি সত্যিই ন্যায়ভিত্তিক হতে পারে? ইতিহাস একদিন হিসাব চাইবেই। গুমের তালিকা চিরদিন চাপা থাকে না। আজ যারা নেই, তারা কেবল নিখোঁজ নয় তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জমে
থাকা প্রশ্ন।



