ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
ধরুন, একটি ফুটবল ম্যাচ হচ্ছে। কিন্তু মাঠে নামার আগেই সবচেয়ে জনপ্রিয় দলটাকে স্টেডিয়ামের বাইরে তালা মেরে রাখা হয়েছে। তাদের খেলতে দেওয়া তো দূরের কথা, নামটাও উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ। এরপর রেফারি নিজেই গোলপোস্ট সরিয়ে, বল নিজের পছন্দের দলে দিয়ে ঘোষণা দিল “খেলা শুরু”।
এটাই এখনকার “নির্বাচন”।
দেশের সবচেয়ে বেশি সমর্থকের দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে রাখা হয়েছে। যারা বাস্তবে ভোটে জিতে আসতে পারে, তাদের মাঠেই নামতে দেওয়া হচ্ছে না। তাহলে ভোটটা কিসের? কারা জিতবে, সেটা তো ভোটের আগেই ঠিক করা।
এখানে দখলদার ইউনুসের ভূমিকা খুবই অভিনব। তিনি আর ক্ষমতায় নেই এই গল্প শুনিয়ে নিজেই ক্ষমতার সব বোতাম হাতে রেখে বসে আছেন। নিজের পছন্দের দলগুলোর
মধ্যে আসন ভাগ করে দিচ্ছেন ঠিক যেন বিয়ের দাওয়াতে পোলাও-মাংস বণ্টন হচ্ছে। এই আসন তুমি নাও, ওই আসন তুমি। আর ভোটার? ওরা আবার কে? এটা ঠিক যেন মাঠ ফাঁকা করে গোলের মহোৎসব। গোল হচ্ছে, হাততালি পড়ছে টিভি স্টুডিওতে, কিন্তু গ্যালারিতে কেউ নেই। কারণ দর্শক মানে ভোটাররা আগেই বুঝে গেছে এখানে তাদের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু একটা “নির্বাচন” নামের সার্টিফিকেট। সবচেয়ে মজার বিষয় কী জানেন? এই পুরো ব্যবস্থাকে বলা হচ্ছে “গণতন্ত্র উদ্ধার”। অথচ গণতন্ত্রের মূল শর্ত জনগণের অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতা, মতের স্বাধীনতা সবকিছুই অনুপস্থিত। সোজা ভাষায় বললে, এটা কোন নির্বাচন না, ক্ষমতা বৈধ করার আনুষ্ঠানিক ছবি তোলা। এটা ভোট না, লোক দেখানো নাটকের শেষ দৃশ্য। তাই ইউনুসের
মেটিক্যুলাস ডিজাইনের এই নির্বাচনকে জনগণ বলে দিয়েছে, কিসের হ্যা, কিসের না ভোট দিতেই যাব না
মধ্যে আসন ভাগ করে দিচ্ছেন ঠিক যেন বিয়ের দাওয়াতে পোলাও-মাংস বণ্টন হচ্ছে। এই আসন তুমি নাও, ওই আসন তুমি। আর ভোটার? ওরা আবার কে? এটা ঠিক যেন মাঠ ফাঁকা করে গোলের মহোৎসব। গোল হচ্ছে, হাততালি পড়ছে টিভি স্টুডিওতে, কিন্তু গ্যালারিতে কেউ নেই। কারণ দর্শক মানে ভোটাররা আগেই বুঝে গেছে এখানে তাদের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু একটা “নির্বাচন” নামের সার্টিফিকেট। সবচেয়ে মজার বিষয় কী জানেন? এই পুরো ব্যবস্থাকে বলা হচ্ছে “গণতন্ত্র উদ্ধার”। অথচ গণতন্ত্রের মূল শর্ত জনগণের অংশগ্রহণ, প্রতিযোগিতা, মতের স্বাধীনতা সবকিছুই অনুপস্থিত। সোজা ভাষায় বললে, এটা কোন নির্বাচন না, ক্ষমতা বৈধ করার আনুষ্ঠানিক ছবি তোলা। এটা ভোট না, লোক দেখানো নাটকের শেষ দৃশ্য। তাই ইউনুসের
মেটিক্যুলাস ডিজাইনের এই নির্বাচনকে জনগণ বলে দিয়েছে, কিসের হ্যা, কিসের না ভোট দিতেই যাব না



