ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?
বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয়
মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার
সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা
ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে
খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩
অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি
গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা
আইন উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে জুতা উঁচিয়ে জনতার নজিরবিহীন ধিক্কার।
মঞ্চে বসেই ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানে নাজেহাল ড. আসিফ নজরুল।
বিক্ষোভ সামাল দিতে ব্যর্থ প্রশাসন, তোপের মুখে সভা ছেড়ে তড়িঘড়ি প্রস্থান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় নজিরবিহীন হট্টগোল ও গণরোষের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি বিক্ষুব্ধ জনতার তোপের মুখে পণ্ড হয়ে যায়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, আইন উপদেষ্টা অনুষ্ঠান শেষ না করেই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জুতা প্রদর্শন ও ‘ভুয়া’ স্লোগানে উত্তাল মঞ্চ:
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতেই বিপত্তি বাধে। ড.
আসিফ নজরুল মঞ্চে উপস্থিত হয়ে কথা বলার চেষ্টা করতেই গ্যালারিতে থাকা সাধারণ জনতা ফুঁসে ওঠেন। মুহূর্তের মধ্যে পুরো স্টেডিয়াম ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানে কেঁপে ওঠে। এ সময় গ্যালারির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উত্তেজিত জনতাকে হাতের জুতা খুলে উপদেষ্টার দিকে উঁচিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায়। সরকারি কোনো অনুষ্ঠানে খোদ উপদেষ্টার সামনে এমন অপমানজনক দৃশ্য সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়নি। অসহায় উপদেষ্টা ও প্রশাসনের ব্যর্থতা: ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টানা স্লোগান ও জুতা প্রদর্শনের ঘটনায় ড. আসিফ নজরুল মঞ্চে বসে চরম অস্বস্তিতে পড়েন। তিনি মাইকে চিৎকার করে বলেন, “এইভাবে তো কথা বলা যাবে না... আপনারা আসেন।” কিন্তু তার এই ধমক বা অনুরোধে কোনো কাজ হয়নি। উপস্থিত পুলিশ
ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হন। জনতার রুদ্রমূর্তি দেখে উপদেষ্টার চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তোপের মুখে ‘পলায়ন’: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিলে ড. আসিফ নজরুল তড়িঘড়ি করে সভা শেষ না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে তিনি কার্যত পালিয়ে যান। শুধু স্টেডিয়ামের ভেতরেই নয়, বাইরেও ছিল একই চিত্র। উপদেষ্টার গাড়িবহর বের হওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা “আসিফ নজরুলের গালে, জুতা মারো তালে তালে” বলে স্লোগান দিতে থাকে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, জনমতের তোয়াক্কা না করে একপাক্ষিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টার কারণেই গাইবান্ধার মানুষ আজ ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একজন
গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে জুতা প্রদর্শন এবং সভা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হওয়ার এই ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের আঘাত। এটি স্থানীয় প্রশাসনের দুর্বলতা এবং জনমনে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
আসিফ নজরুল মঞ্চে উপস্থিত হয়ে কথা বলার চেষ্টা করতেই গ্যালারিতে থাকা সাধারণ জনতা ফুঁসে ওঠেন। মুহূর্তের মধ্যে পুরো স্টেডিয়াম ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগানে কেঁপে ওঠে। এ সময় গ্যালারির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উত্তেজিত জনতাকে হাতের জুতা খুলে উপদেষ্টার দিকে উঁচিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায়। সরকারি কোনো অনুষ্ঠানে খোদ উপদেষ্টার সামনে এমন অপমানজনক দৃশ্য সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যায়নি। অসহায় উপদেষ্টা ও প্রশাসনের ব্যর্থতা: ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, টানা স্লোগান ও জুতা প্রদর্শনের ঘটনায় ড. আসিফ নজরুল মঞ্চে বসে চরম অস্বস্তিতে পড়েন। তিনি মাইকে চিৎকার করে বলেন, “এইভাবে তো কথা বলা যাবে না... আপনারা আসেন।” কিন্তু তার এই ধমক বা অনুরোধে কোনো কাজ হয়নি। উপস্থিত পুলিশ
ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হন। জনতার রুদ্রমূর্তি দেখে উপদেষ্টার চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তোপের মুখে ‘পলায়ন’: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিলে ড. আসিফ নজরুল তড়িঘড়ি করে সভা শেষ না করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, জনতার রোষানল থেকে বাঁচতে তিনি কার্যত পালিয়ে যান। শুধু স্টেডিয়ামের ভেতরেই নয়, বাইরেও ছিল একই চিত্র। উপদেষ্টার গাড়িবহর বের হওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা “আসিফ নজরুলের গালে, জুতা মারো তালে তালে” বলে স্লোগান দিতে থাকে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, জনমতের তোয়াক্কা না করে একপাক্ষিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টার কারণেই গাইবান্ধার মানুষ আজ ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একজন
গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টাকে লক্ষ্য করে জুতা প্রদর্শন এবং সভা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হওয়ার এই ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের আঘাত। এটি স্থানীয় প্রশাসনের দুর্বলতা এবং জনমনে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।



