ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?
বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয়
গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা
মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার
সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা
খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩
অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি
ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে
নয়া দিল্লির প্রেস ক্লাবে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের একটি সংক্ষিপ্ত উত্তর—আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে বিস্ফোরণের মতো প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। প্রশ্নটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, উদ্দেশ্য ছিল পরিষ্কার: “আওয়ামী লীগ কি ক্ষমা চাইবে?” এটি কোনো অনুসন্ধানী প্রশ্ন ছিল না। এটি ছিল একটি ফাঁদ—যেখানে উত্তর যাই হোক, আওয়ামী লীগকে নৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা।
কিন্তু নওফেল সেই ফাঁদে পা দেননি। বরং তিনি পুরো খেলাটাই উল্টে দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, “আমরা ক্ষমা চাইবো কেন? আমরা দুঃখিত হবো। কিন্তু শুধু লজ্জা প্রকাশ করে দায়িত্ব এড়ানো যায় না।” এই বক্তব্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনীতির মুখোশ খুলে দেওয়ার ক্ষমতা। কারণ এখানে একটি অস্বস্তিকর সত্য সামনে আসে—বাংলাদেশে “ক্ষমা
চাও” এখন আর নৈতিকতার প্রতীক নয়; এটি হয়ে উঠেছে দায় এড়ানোর একটি রাজনৈতিক কৌশল। বিরোধীরা বারবার একটি সরল গল্প তৈরি করতে চায়: ক্ষমা চাইলে সব শেষ। তদন্তের দরকার নেই, সত্যের দরকার নেই, দায় নির্ধারণের দরকার নেই। এটি আসলে একটি ধামাচাপা দেওয়ার রাজনীতি। নওফেল এই রাজনীতিকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছেন—প্রথমে জানতে হবে কী ঘটেছে, কীভাবে ঘটেছে, কে দায়ী, কোথায় ত্রুটি হয়েছিল। এই চারটি প্রশ্নই বিরোধী শিবিরের জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। কারণ এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে গেলে নাটক নয়, তথ্য লাগে। স্লোগান নয়, প্রমাণ লাগে। আবেগ নয়, হিসাব লাগে। আর হিসাবের রাজনীতি তারা চায় না। বিরোধী রাজনীতির মূল সমস্যা হলো—তারা চায় একটি স্থায়ী নৈতিক উচ্চতা, যেখানে
নিজেরা সবসময় নির্দোষ আর অন্যপক্ষ সবসময় অপরাধী। এই দ্বৈত নৈতিকতার বাজারে নওফেলের বক্তব্য একটি বিপজ্জনক বার্তা দিয়েছে: নৈতিকতা মানে ক্ষমা চাওয়া নয়, নৈতিকতা মানে সত্যের মুখোমুখি হওয়া। এখানেই সংঘাত। কারণ সত্য মানে তদন্ত। তদন্ত মানে নাম আসবে। নাম মানে দায়। দায় মানে জবাবদিহি। আর জবাবদিহিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ। নওফেলের বক্তব্যে বিরোধীরা এতটা ক্ষুব্ধ, কারণ তিনি তাদের সবচেয়ে প্রিয় অস্ত্রটি ভেঙে দিয়েছেন—নৈতিক ভিকটিম কার্ড। তিনি বলছেন, ভিকটিম কার্ড নয়, চাই সত্য। এটি শুধু একটি মন্তব্য নয়; এটি একটি সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ। তিনি মূলত বলেছেন—আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আনুন, তদন্ত হোক, দায় প্রমাণ হোক, তারপর জবাব দেবো। কিন্তু নাটক করে, প্রশ্ন ছুঁড়ে, মিডিয়াতে বিচার বসিয়ে
দায় চাপাতে দেবো না। এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেখানে কেউ আবেগে বিশ্বাস করে না। তারা চায় প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা, প্রমাণ। নওফেল সেটাই বলেছেন। এতে বিরোধীদের সমস্যা হয়েছে—তারা আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশের রাজনীতিকে আবেগের গল্প হিসেবে তুলে ধরতে চায়। আরেকটি বিষয় স্পষ্ট—নওফেল শুধু আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেননি, তিনি বিরোধীদের কৌশল উন্মোচন করেছেন। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, তারা আসলে সত্য চায় না; তারা চায় একটি দৃশ্য—যেখানে কেউ ক্ষমা চাইছে, ক্যামেরা চলছে, আর তারা নৈতিক বিজয়ের স্লোগান দিচ্ছে। এই রাজনীতি ক্লান্তিকর। এই রাজনীতি ফাঁপা। এই রাজনীতি দায়িত্বহীন। নওফেল সেই ফাঁপা রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এটি তাকে জনপ্রিয় করার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক করে তুলেছে। কারণ তিনি নিয়ম ভেঙেছেন।
তিনি নাটকের খেলায় নামেননি। তিনি যুক্তির খেলা খেলেছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্তি সবচেয়ে বড় শত্রু। কারণ যুক্তি প্রশ্ন তোলে। প্রশ্ন মানে অস্বস্তি। অস্বস্তি মানে ক্ষমতার হিসাব। এই কারণেই নওফেলের বক্তব্যের পর এত হৈচৈ। এটি কোনো সাধারণ মন্তব্য ছিল না। এটি ছিল বিরোধী রাজনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। এটি বলেছে—তোমাদের নাটক আমরা খেলবো না। এবং এই কথাটাই আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিপজ্জনক
চাও” এখন আর নৈতিকতার প্রতীক নয়; এটি হয়ে উঠেছে দায় এড়ানোর একটি রাজনৈতিক কৌশল। বিরোধীরা বারবার একটি সরল গল্প তৈরি করতে চায়: ক্ষমা চাইলে সব শেষ। তদন্তের দরকার নেই, সত্যের দরকার নেই, দায় নির্ধারণের দরকার নেই। এটি আসলে একটি ধামাচাপা দেওয়ার রাজনীতি। নওফেল এই রাজনীতিকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছেন—প্রথমে জানতে হবে কী ঘটেছে, কীভাবে ঘটেছে, কে দায়ী, কোথায় ত্রুটি হয়েছিল। এই চারটি প্রশ্নই বিরোধী শিবিরের জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। কারণ এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে গেলে নাটক নয়, তথ্য লাগে। স্লোগান নয়, প্রমাণ লাগে। আবেগ নয়, হিসাব লাগে। আর হিসাবের রাজনীতি তারা চায় না। বিরোধী রাজনীতির মূল সমস্যা হলো—তারা চায় একটি স্থায়ী নৈতিক উচ্চতা, যেখানে
নিজেরা সবসময় নির্দোষ আর অন্যপক্ষ সবসময় অপরাধী। এই দ্বৈত নৈতিকতার বাজারে নওফেলের বক্তব্য একটি বিপজ্জনক বার্তা দিয়েছে: নৈতিকতা মানে ক্ষমা চাওয়া নয়, নৈতিকতা মানে সত্যের মুখোমুখি হওয়া। এখানেই সংঘাত। কারণ সত্য মানে তদন্ত। তদন্ত মানে নাম আসবে। নাম মানে দায়। দায় মানে জবাবদিহি। আর জবাবদিহিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ। নওফেলের বক্তব্যে বিরোধীরা এতটা ক্ষুব্ধ, কারণ তিনি তাদের সবচেয়ে প্রিয় অস্ত্রটি ভেঙে দিয়েছেন—নৈতিক ভিকটিম কার্ড। তিনি বলছেন, ভিকটিম কার্ড নয়, চাই সত্য। এটি শুধু একটি মন্তব্য নয়; এটি একটি সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ। তিনি মূলত বলেছেন—আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আনুন, তদন্ত হোক, দায় প্রমাণ হোক, তারপর জবাব দেবো। কিন্তু নাটক করে, প্রশ্ন ছুঁড়ে, মিডিয়াতে বিচার বসিয়ে
দায় চাপাতে দেবো না। এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেখানে কেউ আবেগে বিশ্বাস করে না। তারা চায় প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা, প্রমাণ। নওফেল সেটাই বলেছেন। এতে বিরোধীদের সমস্যা হয়েছে—তারা আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশের রাজনীতিকে আবেগের গল্প হিসেবে তুলে ধরতে চায়। আরেকটি বিষয় স্পষ্ট—নওফেল শুধু আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেননি, তিনি বিরোধীদের কৌশল উন্মোচন করেছেন। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, তারা আসলে সত্য চায় না; তারা চায় একটি দৃশ্য—যেখানে কেউ ক্ষমা চাইছে, ক্যামেরা চলছে, আর তারা নৈতিক বিজয়ের স্লোগান দিচ্ছে। এই রাজনীতি ক্লান্তিকর। এই রাজনীতি ফাঁপা। এই রাজনীতি দায়িত্বহীন। নওফেল সেই ফাঁপা রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এটি তাকে জনপ্রিয় করার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক করে তুলেছে। কারণ তিনি নিয়ম ভেঙেছেন।
তিনি নাটকের খেলায় নামেননি। তিনি যুক্তির খেলা খেলেছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্তি সবচেয়ে বড় শত্রু। কারণ যুক্তি প্রশ্ন তোলে। প্রশ্ন মানে অস্বস্তি। অস্বস্তি মানে ক্ষমতার হিসাব। এই কারণেই নওফেলের বক্তব্যের পর এত হৈচৈ। এটি কোনো সাধারণ মন্তব্য ছিল না। এটি ছিল বিরোধী রাজনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। এটি বলেছে—তোমাদের নাটক আমরা খেলবো না। এবং এই কথাটাই আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিপজ্জনক



