ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ

‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ

লাইসেন্স নবায়ন নামঞ্জুর, তবুও বিটিআরসির ছত্রছায়ায় চুটিয়ে চলছে মেট্রোনেটের ব্যবসা!

আবারও ভুয়া শহীদ ও ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম তালিকায়, ব্যাপক ঘাপলা-অনিয়মের সন্ধান

ইউনূসের স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম ছাড়, অথচ সবচেয়ে বেশী শর্ত

ট্টগ্রামে বার নির্বাচন: আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বাধাদান: জেএমবিএফ-এর নিন্দা, জাতিসংঘ-ইইউর হস্তক্ষেপ দাবি

‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’

ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
নয়া দিল্লির প্রেস ক্লাবে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের একটি সংক্ষিপ্ত উত্তর—আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে বিস্ফোরণের মতো প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। প্রশ্নটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, উদ্দেশ্য ছিল পরিষ্কার: “আওয়ামী লীগ কি ক্ষমা চাইবে?” এটি কোনো অনুসন্ধানী প্রশ্ন ছিল না। এটি ছিল একটি ফাঁদ—যেখানে উত্তর যাই হোক, আওয়ামী লীগকে নৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা। কিন্তু নওফেল সেই ফাঁদে পা দেননি। বরং তিনি পুরো খেলাটাই উল্টে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমরা ক্ষমা চাইবো কেন? আমরা দুঃখিত হবো। কিন্তু শুধু লজ্জা প্রকাশ করে দায়িত্ব এড়ানো যায় না।” এই বক্তব্যের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের বিরোধী রাজনীতির মুখোশ খুলে দেওয়ার ক্ষমতা। কারণ এখানে একটি অস্বস্তিকর সত্য সামনে আসে—বাংলাদেশে “ক্ষমা

চাও” এখন আর নৈতিকতার প্রতীক নয়; এটি হয়ে উঠেছে দায় এড়ানোর একটি রাজনৈতিক কৌশল। বিরোধীরা বারবার একটি সরল গল্প তৈরি করতে চায়: ক্ষমা চাইলে সব শেষ। তদন্তের দরকার নেই, সত্যের দরকার নেই, দায় নির্ধারণের দরকার নেই। এটি আসলে একটি ধামাচাপা দেওয়ার রাজনীতি। নওফেল এই রাজনীতিকেই সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছেন—প্রথমে জানতে হবে কী ঘটেছে, কীভাবে ঘটেছে, কে দায়ী, কোথায় ত্রুটি হয়েছিল। এই চারটি প্রশ্নই বিরোধী শিবিরের জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। কারণ এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে গেলে নাটক নয়, তথ্য লাগে। স্লোগান নয়, প্রমাণ লাগে। আবেগ নয়, হিসাব লাগে। আর হিসাবের রাজনীতি তারা চায় না। বিরোধী রাজনীতির মূল সমস্যা হলো—তারা চায় একটি স্থায়ী নৈতিক উচ্চতা, যেখানে

নিজেরা সবসময় নির্দোষ আর অন্যপক্ষ সবসময় অপরাধী। এই দ্বৈত নৈতিকতার বাজারে নওফেলের বক্তব্য একটি বিপজ্জনক বার্তা দিয়েছে: নৈতিকতা মানে ক্ষমা চাওয়া নয়, নৈতিকতা মানে সত্যের মুখোমুখি হওয়া। এখানেই সংঘাত। কারণ সত্য মানে তদন্ত। তদন্ত মানে নাম আসবে। নাম মানে দায়। দায় মানে জবাবদিহি। আর জবাবদিহিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত শব্দ। নওফেলের বক্তব্যে বিরোধীরা এতটা ক্ষুব্ধ, কারণ তিনি তাদের সবচেয়ে প্রিয় অস্ত্রটি ভেঙে দিয়েছেন—নৈতিক ভিকটিম কার্ড। তিনি বলছেন, ভিকটিম কার্ড নয়, চাই সত্য। এটি শুধু একটি মন্তব্য নয়; এটি একটি সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ। তিনি মূলত বলেছেন—আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে আনুন, তদন্ত হোক, দায় প্রমাণ হোক, তারপর জবাব দেবো। কিন্তু নাটক করে, প্রশ্ন ছুঁড়ে, মিডিয়াতে বিচার বসিয়ে

দায় চাপাতে দেবো না। এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেখানে কেউ আবেগে বিশ্বাস করে না। তারা চায় প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা, প্রমাণ। নওফেল সেটাই বলেছেন। এতে বিরোধীদের সমস্যা হয়েছে—তারা আন্তর্জাতিক মহলেও বাংলাদেশের রাজনীতিকে আবেগের গল্প হিসেবে তুলে ধরতে চায়। আরেকটি বিষয় স্পষ্ট—নওফেল শুধু আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলেননি, তিনি বিরোধীদের কৌশল উন্মোচন করেছেন। তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, তারা আসলে সত্য চায় না; তারা চায় একটি দৃশ্য—যেখানে কেউ ক্ষমা চাইছে, ক্যামেরা চলছে, আর তারা নৈতিক বিজয়ের স্লোগান দিচ্ছে। এই রাজনীতি ক্লান্তিকর। এই রাজনীতি ফাঁপা। এই রাজনীতি দায়িত্বহীন। নওফেল সেই ফাঁপা রাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। এটি তাকে জনপ্রিয় করার চেয়ে বেশি বিপজ্জনক করে তুলেছে। কারণ তিনি নিয়ম ভেঙেছেন।

তিনি নাটকের খেলায় নামেননি। তিনি যুক্তির খেলা খেলেছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যুক্তি সবচেয়ে বড় শত্রু। কারণ যুক্তি প্রশ্ন তোলে। প্রশ্ন মানে অস্বস্তি। অস্বস্তি মানে ক্ষমতার হিসাব। এই কারণেই নওফেলের বক্তব্যের পর এত হৈচৈ। এটি কোনো সাধারণ মন্তব্য ছিল না। এটি ছিল বিরোধী রাজনীতির ওপর সরাসরি আঘাত। এটি বলেছে—তোমাদের নাটক আমরা খেলবো না। এবং এই কথাটাই আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বিপজ্জনক

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
প্রতিকূলতার মাঝেও সাধারণ মানুষের পাশে চট্টগ্রাম ছাত্রলীগ: কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ ঈদের আগেই বিদ্যুৎ সংকটে চামড়া শিল্পনগরী: রপ্তানি বিপর্যয়ের শঙ্কায় ট্যানারি মালিকরা লাইসেন্স নবায়ন নামঞ্জুর, তবুও বিটিআরসির ছত্রছায়ায় চুটিয়ে চলছে মেট্রোনেটের ব্যবসা! আবারও ভুয়া শহীদ ও ভুয়া জুলাইযোদ্ধার নাম তালিকায়, ব্যাপক ঘাপলা-অনিয়মের সন্ধান “হাম হলে আয়ু বাড়ে”—স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বেপরোয়া মন্তব্যে ক্ষোভ, নেপথ্যে ইউনূস-নুরজাহানের টিকা ব্যর্থতা ধামাচাপার চেষ্টা? ইউনূসের স্বাক্ষরিত মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিঃ অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে কম ছাড়, অথচ সবচেয়ে বেশী শর্ত পাকিস্তানে পুলিশ ফাঁড়ি উড়িয়ে দিলো অজ্ঞাত পক্ষ, ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত ‘এটা তোমার জন্য বাবা’, দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়ে উরবিলের বিশেষ উদযাপন ক্ষমতায় থাকা আর ক্ষমতা চর্চা করা এক কথা নয় ফ্যাক্ট চেক: ‘ভারতে হিন্দুরা মসজিদে বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে’ দাবিটি গুজব, ঘটনাস্থল বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি বন্ধ না হলে কঠোর প্রতিরোধ, হুঁশিয়ারি ছাত্রদলের ট্টগ্রামে বার নির্বাচন: আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের বাধাদান: জেএমবিএফ-এর নিন্দা, জাতিসংঘ-ইইউর হস্তক্ষেপ দাবি আকুর বড় অঙ্কের বিল দিয়েও ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ যেসব ভুলের কারণে ইরান যুদ্ধে হারতে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯ ‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’ যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান ইরান কখনোই শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান