রঙ বদলের মানুষেরা! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া।

ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?

পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ

নৈতিকতা, মানবিকতা ও রাজপথ: আওয়ামী লীগের অবিনাশী চেতনার তিন স্তম্ভ

মুজিব একটি জাতির নাম, হাসিনা সে জাতির অগ্রগতির কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন,‌ ফিরবেন দেশরত্নও

যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা?

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রামের ডাক। বিশেষ কলাম

রঙ বদলের মানুষেরা!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:৫১ 7 ভিউ
আওয়ামী লীগের পতনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারে “দায়িত্ব” পেয়ে “ক্ষমতা” প্রয়োগ ও ব্যবহারকারী কয়েকজন সম্পর্কে মানুষের যে বিশাল ভালবাসা, মোহ, ও সম্মান ছিল তা আর অবশিষ্ট নাই। তারা তাদের কর্ম দিয়ে ধ্বংস করেছেন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, আইন ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, উপদেষ্টা আদিলুর রহমান, অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তাদের মধ্যে অন্যতম। এই মানুষগুলোকে আগে একরকম মানুষ হিসেবে চিনতেন, ক্ষমতায়িত হওয়ার পর তাদের সম্পর্কে ধারণা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। যেমন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে সম্মানের পাত্র হিসেবে টিকে ছিলেন। শান্তিতে

নোবেল পুরস্কার জিতে বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন এবং তার কারণে সারা বিশ্ব বাংলাদেশকে চিনে, বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন করেছেন, ইত্যাদি সেন্টিমেন্টের বাইরেও যে মুহাম্মদ ইউনূসের যে আরো চারিত্রিক দোষ-গুণ থাকতে পারে সেসব তিনি দেশের মানুষের কাছে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। শান্তিতে নোবেল পাওয়াদের ব্যাপারে যে ন্যারেটিভ বিশ্বব্যাপি চালু আছে তা বাস্তবে রুপ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইউনূস। মুহাম্মদ ইউনূস তার টেনিউর শুরুই করেছেন মিথ্যাচার, অসততা, ব্যাক্তিগত আক্রোশ মেটানো, ব্যাক্তিগত স্বার্থ পুনরুদ্ধার, ইত্যাদি দিয়ে। যেমন, ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনাকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়ার পর নাহিদ-আসিফরা জানালো যে মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে তাদের ফোনে কথা হয়েছে এবং তিনি প্রধান উপদেষ্টা হতে রাজি হয়েছেন। আরো জানা গেল যে তিনি চিকিৎসার

জন্য প্যারিসের হাসপাতালে ভর্তি আছেন এবং দ্রুত ফিরবেন। অবশেষে ৮ আগস্ট তিনি ফিরলেন বলে পত্রিকা মারফত জানা গেল (বিমানবন্দরে ছবি দেখি নাই) এবং সেদিনই প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন। পরে জানা গেল যে মুহাম্মদ ইউনূস মূলত ৫ই আগস্ট দুপুরে প্যারিস থেকে ঢাকায় ফিরেছেন (কমেন্টে নিউজের স্ক্রিনশট দেখেন)! ৫-৮ থেকে আগস্টে দেশজুড়ে গণ-অভ্যুত্থানের আফটার ইফেক্ট দেখাতে হবে, জলপাইদের এবং তার নিজের প্রতিহিংসার ইফেক্ট হিসেবে এক ঢিলে দুই পাখি (পুলিশ ও আওয়ামী লীগ) মারতে হবে বলে তিনি “প্যারিসে চিকিৎসা” নাটক শেষে আত্মগোপন থেকে বের হলেন তিনদিন পর? মুহাম্মদ ইউনূস সব জায়গায় বলেছেন যে ছাত্রনেতারা নাকি ৫ই আগস্টেই প্রথমবারের মতো তার সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।

অথচ আন্দোলনের একাধিক ছাত্রনেতার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে তারা মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে কয়েকদিন আগে থেকেই যোগাযোগ করেছিল। সর্বশেষ আইসিটিতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম জানিয়েছিল যে সে মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে ৪ আগস্ট প্রথম যোগাযোগ করে এবং তাকে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার জন্য অনুরোধ করে। অর্থাৎ তারা সবাই ৪ তারিখেই জেনে গিয়েছিল যে শেখ হাসিনার পতন হচ্ছে। মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় আরোহনের আগেই ভারতকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে সেভেন সিস্টার্সকে আলাদা করার থ্রেট দিয়ে ভারতকে প্রতিপক্ষ বানালেন, মূলত আপামর বাংলাদেশি মুসলমানের ঘুমন্ত ভারতবিদ্বেষকে উষ্কে দিলেন। ইউনূস সেন্টারের সাইটে তার ২০১৩ সালের আমেরিকার কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড প্রাপ্তির খবরে নিজেকে “প্রথম আমেরিকান মুসলিম” দাবী করার পর, ১১ বছর পর

যখন বাংলাদেশের সরকার প্রধান হলেন তখন “আমেরিকান” কেটে দিয়ে সেখানে লিখলেন, “প্রথম বাংলাদেশি মুসলিম”। তিনি আমেরিকান নাকি বাংলাদেশি সেই বিতর্কে যাবো না, কিন্তু যেহেতু আমেরিকান হয়ে বাংলাদেশের সরকার প্রধান হওয়া যায় না, তাই ধরে নিতেই হবে তিনি শুধুই বাংলাদেশি। কিন্তু বাংলাদেশি হয়ে কেন তিনি নিজের সংস্থার সাইটে নিজেকে ” আমেরিকান” হিসেবে দাবী করবেন। এটা তার অসততা প্রমাণ করে। এরপর তিনি একে একে তার নিজের মামলা তুলে নিলেন, তার ব্যাক্তিগত করের কয়েকশ কোটি টাকা মাফ করিয়ে নিলেন, গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের শেয়ার কমালেন, নিজের আত্মীয়-সহকর্মী-বন্ধু-এলাকার মানুষকে সরকারের উপদেষ্টা ও অন্যান্য বড় বড় পজিশনে বসালেন, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন নিলেন, গ্রামীণ কর্মসংস্থানের নামে আদম ব্যবিসার লাইসেন্স

বাগালেন। গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন করে এখন যারা নারীর ক্ষমতায়নের ঘোর বিরোধী তাদেরকে সাথে নিয়ে দেশকে ইসলামাইজেশনের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত কাজ করে গেছেন এবং যাচ্ছেন। গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের, গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের শত শত কোটি টাকা মেরে দেওয়ার সকল বন্দোবস্ত করেছেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে সারাজীবনে যে ইমেজ তৈরী করেছেন সেসব মাত্র ১৭ মাসে পুরোপুরি ধ্বংস করেছেন। ১৭ মাস আগে তিনি মারা গেলে বাংলাদেশের একজন হিরো হয়ে মারা যেতেন, কিন্তু এখন তিনি মরলে ভিলেইন হিসেবে মারা যাবেন। মুহাম্মদ ইউনূসের মতোই ড. আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, শারমিন মুর্শিদী, আদিলুর রহমান খান, শফিকুল আলমরাদের ১৭ মাস আগে যে ইমেজ

ছিল তা তারা ধ্বংস করেছেন। টকশো ও আইনের শিক্ষক হিসেবে জনপ্রিয় ছিলেন ড. আসিফ নজরুল। সেইসব টকশোর অনেক জায়গায় মিথ্যা বললেও তার সেসবকে উপেক্ষা করেও মানুষ তাকে মেনে নিতো। কিন্তু এখন তিনি জাতীয় বেঈমানে পরিনত হয়েছেন, সেইফ এক্সিট খুঁজছেন। শারমিন মুর্শিদী ও তার এলিট পরিবার মুক্তিযুদ্ধের সময় যত ছওয়াব কামিয়েছিলেন, সেসব ১৭ মাসের ক্ষমতাভোগে নষ্ট করে দিয়েছেন। এখন তার উঠাবসা রাজাকারের সন্তানদের সাথে। মাঝেমাঝে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ডিস্টর্ট তথ্য দেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজ আরেকজন। যিনি আমেরিকার নাগরিক হয়ে নিজের ইচ্ছামত বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কারের মিশনে নেমেছেন। আমেরিকার নাগরিক হতে হলে আমেরিকান সরকারের আজ্ঞাবহ থাকতে হয়, সরকার কোন কাজ দিলে করতে বাধ্য থাকতে হয়, এবং আগের কোন দেশের নাগরিক থাকলে তা ডিনাউন্স করতে হয়। সেই হিসেবে আলী রীয়াজ তার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ডিনাউন্স করেছেন। তার সাথে সিআইএ কানেকশন (আটলান্টিক কাউন্সিল ও অন্যান্য) আছে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। আমেরিকার এক ইউনিভার্স্টির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়ে সংবিধান নিয়ে কোনরকম গবেষণা ও লেখালেখি (একটা এডিটেড বইয়ের কনক্লুশন আছে শুধু) না থাকা সত্যেও বাংলাদেশের সংবিধান বাতিল করে নতুন করে সংবিধান লেখার ব্যাক্তিগত ইচ্ছা জানিয়ে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হন এবং সংস্কারের নাটক করে নিজের ইচ্ছার বাস্তবায়নের পথে হেঁটেছেন। বিদেশি নাগরিকরা সরকারের মন্ত্রী হওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্যেও আলী রীয়াজ, বদিউল আলম মজুমদার, লুৎফে সিদ্দিক, আশিক চৌধুরি, খলিলুর রহমান, মুনির হায়দাররা সরকারের বেতনভুক্ত বড় বড় অফিশিয়াল হয়ে বসে আছেন। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলনের পথিকৃত হিসেবে অনেক সুনাম কামিয়েছেন, শিপ ব্রেকিং নিয়ে বেলার হয়ে প্রচুর কাজ করেছেন। কিন্তু এখন তিনি ক্ষমতায়িত হয়ে তার যাবতীয় ইমেজ ধ্বংস করে দিচ্ছেন। একদিকে নিজেকে ভিক্টিম (তার স্বামী আবু বকর সিদ্দিককে নাকি গুম করা হয়েছিল। সেটা গুম নাকি এবডাকশন ছিল নাকি কি ছিল সেটা আজও জানা যায়নি। যদিও তিনি আমাকে বলেছিলেন যে তার পরিবেশ আন্দোলন থামাতে, তার মুখ বন্ধ করতে নাকি সরকার তার স্বামীকে অপহরণ করিয়েছিল) হিসেবে উপস্থাপন করে, আবার তার সেই ভিক্টিম স্বামী আওয়ামী লীগের মন্ত্রী বিপুর যাবতীয় ব্যবসা দেখাশুনা করেছে (এখন দখলে নিয়েছে) এবং আগামী নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন। অধিকারের আদিলুর রহমান শুভ্রও তার মানবাধিকার নিয়ে কাজের আড়ালে দেশ ধ্বংসের চক্রান্ত করেছে, ডিপ স্টেটের অংশ হয়ে কাজ করেছে এবং বর্তমানে দেশকে উগ্রবাদী ইসলামিকদের হাতে দেশের শাসনভার দেওয়ার জন্য মরিয়া দেশকে অস্থিতিশীল করার সকল কাজ সম্পন্ন করেছে। রিজওয়ানা, আদিলদের মূল উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল রাখা যাতে তাদের এনজিও বিজনেস আরো ভালমতো চলে। যত মানবাধিকার লঙ্ঘন তত বিদেশি ফান্ড আসবে। প্রধান উপদেষ্টার বর্তমান উপদেষ্টা ও এএফপির প্রাক্তন ফহাকা ব্যুরো চিফ সম্পর্কে সাংবাদিকদের মধ্যে এক ধরনের মোহ কাজ করতো। এই লোক অস্থায়ীভাবে সরকারী কর্মচারি হয়ে নিজেকেই সরকার প্রধানের মতো “ক্ষমতা” মিসইউজ করা শুরু করে দিলেন। শিশির, শায়েরদের মতো মাফিয়াদেরকে সাথে নিয়ে দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকে চাপ প্রয়োগ করে অর্গানাইজড মিডিয়া ক্রিমিনাল সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। প্রধান উপদেষ্টার অফিসে থাকার কারণে এবং তার সোশ্যাল হ্যান্ডেল তার করায়ত্তে থাকার কারণে পরোক্ষভাবে নিজেকে সরকার প্রধান বানিয়ে ফেলেছেন। সেটা করতে গিয়ে বিহারী লাভার এই লোক নোংরামি করেছেন ও মিথ্যাচার করেছেন। একজন মানুষ সৎ-অসৎ, ক্রিমিনাল না ভালো সেটা সবচেয়ে ভাল জানে নিজের স্পাউস আর কলিগ। শফিকুল আলমের অসততা ও কুটচাল, পরশ্রীকাতরতা এবং ক্রিমিনাল মেন্টালিটি বুঝতে হলে তার এএফপির প্রাক্তন সহকর্মী স্যাম জাহানের লেখাটা পড়েন। (কমেন্টে দিলাম)! গত প্রায় দেড় বছরে তার কর্মকান্ডে তাকে কাছে ও দূর থেকে দেখা মানুষের মধ্যে তার প্রতি যে মোহ ছিল তা ভেঙ্গে গেছে। যাইহোক, উপদেষ্টাদের এদের প্রায় সবাই (আসিফ নজরুল বাদে) মুসলিম লিগার। কারো কারো পরিবার স্বাধীনতাবিরোধীও। এই এলিট শ্রেণিকে আমরা এমন এক জায়গায় বসিয়েছিলাম, যা তাদের প্রাপ্য না। তারা যে একেকজন দেশের মানুষের কথা চিন্তা না করে, নিজের ব্যাক্তিগত স্বার্থোদ্ধারে রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসেছে সেটা তারা তাদের কর্মকান্ড দিয়ে প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের মানুষ অতোটা বোকা বা বেকুব না যে কারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে তা বুঝবে না। লেখক পরিচিতিঃ ড. মাহমুদ হাসান (টিপু) আইনের অধ্যাপক ও গবেষক, অটোয়া, কানাডা জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
খলিল-তৈয়্যব-আখতার বিমানের নতুন পরিচালক: নেপথ্যে বোয়িং কেনার ‘প্যাকেজড ডিল’? হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে নারী-শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর বাড়ছে সহিংসতা রঙ বদলের মানুষেরা! নোবেল বিজয়ী থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের পৃষ্ঠপোষক : জঙ্গি মদদে ক্ষমতা, সংখ্যালঘু রক্তে টিকে থাকা ফ্রিল্যান্সার পোর্টালের বিপর্যয় : নিছক ভুল নাকি রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনার নমুনা? কারাগারে আওয়ামী লীগ সমর্থিতদের মৃত্যুর মিছিল, ডিজিটালিস গ্রুপের ওষুধ ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন আন্তর্জাতিক নজরে বাংলাদেশ: একতরফা নির্বাচন, সংখ্যালঘু নিপীড়ন ও বৈধতার পতন সাংবাদিকতার আড়ালে রাজনীতি: অলিউল্লাহ নোমানকে ঘিরে অভিযোগের বিস্তৃত চিত্র পিতার রাজনৈতিক বিরোধের বলি ১৭ বছরের রাকিব ইসলাম এই প্রতিহিংসা রাজনীতির শেষ কোথায়..! ট্রাম্প বনাম ইরান: যুক্তরাষ্ট্র কোন পথে হাঁটবে? এক গভীর সংকট, তিনটি বিপজ্জনক বিকল্প এবং বৈশ্বিক পরিণতি আমি অভিনেতা, প্রতিটি মাধ্যমে অভিনয় করে যেতে চাই: সোহেল মণ্ডল উত্তরায় আবাসিক ভবনে আগুন, নিহত ৬ ইরানে মার্কিন হুমকিতে যুদ্ধের মেঘ জমছে- চীন, সার্কাস বলছে রাশিয়া ভেনেজুয়েলা নিয়ে পুতিন কেন চুপ ছুুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় উপচে পড়া ভিড় বন্দিদের ৪৬% তিন ধরনের অপরাধে ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়ার প্রতিযোগিতায় দুই নেত্রী বছরের প্রথম প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল দেশীয় দুই সিনেমা দুই পক্ষেরই সুর নরম, তবু শঙ্কা কাটেনি বড় জয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের মহড়া সারল বাংলাদেশ