ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম
বিএনপির সমালোচনায় ফুটে উঠছে ইউনুসের সাথে অন্তর্দ্বন্দ্বের চিত্র
এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা
ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে
ঢাকায় গুলি করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে হত্যা
বিএনপি-জামায়াতের কোটিপতি, বাসদের প্রার্থী করেন টিউশনি
রাউজানে মুখোশধারীর গুলিতে যুবদল নেতা নিহত
আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে
বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত সংবেদনশীল। সদ্য ক্ষমতা চ্যুত আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বড় দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে ইউনুস সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে দিচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের কোন প্রচেষ্টা নেই। ফলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। নির্বাচনের আয়োজন হলেও সেনা বাহিনীর প্রশ্রয় নিয়ে এটি পরিচালিত হওয়ায় রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন ধরনের চাপ এবং অরাজকতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি অংশগ্রহণ করলেও বৃহৎ অংশের দলগুলোর অনুপস্থিতি ভোট প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা এবং গ্রহণযোগ্যতাকে হুমকির মুখে ফেলে।
ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি এবং অনিশ্চয়তা এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাদ দিয়ে ভোট নেওয়া গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার
স্বাভাবিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করছে। কোটি কোটি মানুষ আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনের স্বীকৃতি দিতে পারছে না। এর ফলে ভোটের গ্রহণযোগ্যতা এবং ফলাফলের প্রতি জনগণের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও তীব্র করছে এবং সংঘাতের সম্ভাবনাকে বাড়াচ্ছে। গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে আওয়ামী লীগের তৃণমূল সমর্থকরা সক্রিয় অবস্থানে আছেন। তারা প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইউনুস সরকারের পদক্ষেপে পরিকল্পিতভাবে প্রতিহিংসার ছায়া রয়েছে। বৃহৎ দলগুলোকে ভোট থেকে বাদ দিয়ে ইলেকশন আয়োজন দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পরীক্ষা নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্থায়িত্বের
জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারের উদ্যোগ এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির অংশগ্রহণ থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলোর অনুপস্থিতি ভোটের গ্রহণযোগ্যতা এবং জনগণের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কোটি কোটি মানুষ ভোটকে বৈধভাবে স্বীকৃতি দিতে পারছে না। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। নির্বাচনের স্বাভাবিকতা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের সতর্কতা, রাজনৈতিক দলের সমন্বয় এবং ভোটার সচেতনতা অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনের সময় সকল পক্ষের অংশগ্রহণ এবং ন্যায্য পরিবেশ নিশ্চিত না হলে সংঘাত এবং অরাজকতা এড়ানো সম্ভব হবে না। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ মনে করছে, আওয়ামী লীগসহ বৃহৎ দলগুলোকে নিয়ে পুনরায় নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। তা না হলে এই নির্বাচন
গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষা এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে আয়োজনকৃত ভোট গ্রহণযোগ্য নয়। আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কেবল ভোটের স্বচ্ছতা এবং গ্রহণযোগ্যতার জন্য চ্যালেঞ্জ নয়, এটি দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সংহতি এবং গণতান্ত্রিক ধারার জন্যও এক বড় পরীক্ষা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই ধরনের অবৈধভাবে বিজয়ী সরকার ভবিষ্যতে ভোটার আস্থা এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার কারণে শাস্তির মুখে পড়তে পারে।
স্বাভাবিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করছে। কোটি কোটি মানুষ আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনের স্বীকৃতি দিতে পারছে না। এর ফলে ভোটের গ্রহণযোগ্যতা এবং ফলাফলের প্রতি জনগণের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। এই অনিশ্চয়তা রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও তীব্র করছে এবং সংঘাতের সম্ভাবনাকে বাড়াচ্ছে। গ্রামীণ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে আওয়ামী লীগের তৃণমূল সমর্থকরা সক্রিয় অবস্থানে আছেন। তারা প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইউনুস সরকারের পদক্ষেপে পরিকল্পিতভাবে প্রতিহিংসার ছায়া রয়েছে। বৃহৎ দলগুলোকে ভোট থেকে বাদ দিয়ে ইলেকশন আয়োজন দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কেবল একটি রাজনৈতিক পরীক্ষা নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্থায়িত্বের
জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারের উদ্যোগ এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির অংশগ্রহণ থাকা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলোর অনুপস্থিতি ভোটের গ্রহণযোগ্যতা এবং জনগণের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কোটি কোটি মানুষ ভোটকে বৈধভাবে স্বীকৃতি দিতে পারছে না। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। নির্বাচনের স্বাভাবিকতা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের সতর্কতা, রাজনৈতিক দলের সমন্বয় এবং ভোটার সচেতনতা অপরিহার্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচনের সময় সকল পক্ষের অংশগ্রহণ এবং ন্যায্য পরিবেশ নিশ্চিত না হলে সংঘাত এবং অরাজকতা এড়ানো সম্ভব হবে না। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ মনে করছে, আওয়ামী লীগসহ বৃহৎ দলগুলোকে নিয়ে পুনরায় নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। তা না হলে এই নির্বাচন
গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে। নাগরিকদের ভোটাধিকার রক্ষা এবং অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র নিশ্চিত করতে বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে আয়োজনকৃত ভোট গ্রহণযোগ্য নয়। আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কেবল ভোটের স্বচ্ছতা এবং গ্রহণযোগ্যতার জন্য চ্যালেঞ্জ নয়, এটি দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সংহতি এবং গণতান্ত্রিক ধারার জন্যও এক বড় পরীক্ষা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই ধরনের অবৈধভাবে বিজয়ী সরকার ভবিষ্যতে ভোটার আস্থা এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার কারণে শাস্তির মুখে পড়তে পারে।



