ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার
শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে
শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা
বাংলাদেশের ২০২৬ নির্বাচন: আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, গণতন্ত্রের পরীক্ষা
ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে মার্কিন প্রভাবের পাশাপাশি জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা থাকলেও সেই জাতিসংঘই এখন স্বীকার করছে যে, বাংলাদেশে বর্তমানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অত্যন্ত সীমিত। গত ফেব্রুয়ারিতে বিচারব্যবস্থা, মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতে ৪০টি সুপারিশ দিয়েছিল জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন।
সংস্থাটি ই-মেইল বার্তার মাধ্যমে জানিয়েছে যে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কিছু সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি। বরং সন্ত্রাসবিরোধীসহ একাধিক নতুন আইন ব্যবহার করে দ্বিমত পোষণকারীদের চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। জাতিসংঘ বলছে, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের এখনও ভিত্তিহীন অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর আওতায় প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার ব্যক্তিকে আটক করার বিষয়টি নিয়ে গভীর সমালোচনা
রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে যে সহিংসতা ও অরাজকতা ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, কারাগারে হামলা এবং পুলিশের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনাগুলো ছিল নজিরবিহীন। নরসিংদীতে হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে চিহ্নিত ৯ জন জঙ্গি পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলেও জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার ভলকার টুর্ক তখন এসব বিষয়ে সরাসরি কোনো কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাননি। বরং ২৫ জুলাই ২০২৪-এ প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি একতরফাভাবে তৎকালীন সরকারের সমালোচনা করে আন্দোলনকারীদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছিলেন। তিনি বাকস্বাধীনতার ওপর জোর দিলেও এএসআই মোক্তাদির বা পরিদর্শক মাসুদ পারভেজের মতো পুলিশ সদস্যদের নির্মম হত্যার ঘটনাগুলো তখন উপেক্ষা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সাল সাংবাদিকদের জন্য এক অভাবনীয় ঝুঁকিপূর্ণ
সময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার দ্রুত অবনতি ঘটেছে বলে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের ওপর হয়রানি ও নির্যাতনের অন্তত ৩৮১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি ক্ষেত্রে সরাসরি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্তত ২০ জন সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন এবং ১২৩ জন সাংবাদিক তাদের পেশাগত কাজের কারণে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। বর্তমানে সাংবাদিকদের দমন করার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার একটি নতুন কৌশল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই আইনে সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না ও আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার হওয়া
নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা চলছে, যেখানে আনিস আলমগীর এখনও কারাবন্দী। শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণই নয়, দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। এমনকি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে ব্রডকাস্ট সাংবাদিকদের চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটেছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসরকে সংকুচিত করে দিয়েছে। পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর থেকে শুরু হওয়া দমনমূলক প্রবণতা ২০২৫ সালে আরও গভীর হয়েছে। ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্তের মতো সাংবাদিকরা সারা বছরই কারাবন্দী ছিলেন এবং শত শত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেওয়া হয়েছে। এই সামগ্রিক চিত্র ইঙ্গিত দেয় যে, বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বর্তমানে গণতন্ত্রের ভিত্তি
হিসেবে না দেখে একটি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় দেশজুড়ে যে সহিংসতা ও অরাজকতা ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, কারাগারে হামলা এবং পুলিশের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনাগুলো ছিল নজিরবিহীন। নরসিংদীতে হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে চিহ্নিত ৯ জন জঙ্গি পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলেও জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার ভলকার টুর্ক তখন এসব বিষয়ে সরাসরি কোনো কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাননি। বরং ২৫ জুলাই ২০২৪-এ প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি একতরফাভাবে তৎকালীন সরকারের সমালোচনা করে আন্দোলনকারীদের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছিলেন। তিনি বাকস্বাধীনতার ওপর জোর দিলেও এএসআই মোক্তাদির বা পরিদর্শক মাসুদ পারভেজের মতো পুলিশ সদস্যদের নির্মম হত্যার ঘটনাগুলো তখন উপেক্ষা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সাল সাংবাদিকদের জন্য এক অভাবনীয় ঝুঁকিপূর্ণ
সময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার দ্রুত অবনতি ঘটেছে বলে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের ওপর হয়রানি ও নির্যাতনের অন্তত ৩৮১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টি ক্ষেত্রে সরাসরি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্তত ২০ জন সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন এবং ১২৩ জন সাংবাদিক তাদের পেশাগত কাজের কারণে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। বর্তমানে সাংবাদিকদের দমন করার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার একটি নতুন কৌশল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই আইনে সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না ও আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার হওয়া
নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা চলছে, যেখানে আনিস আলমগীর এখনও কারাবন্দী। শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণই নয়, দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। এমনকি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর চাপে ব্রডকাস্ট সাংবাদিকদের চাকরি হারানোর ঘটনাও ঘটেছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসরকে সংকুচিত করে দিয়েছে। পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর থেকে শুরু হওয়া দমনমূলক প্রবণতা ২০২৫ সালে আরও গভীর হয়েছে। ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্তের মতো সাংবাদিকরা সারা বছরই কারাবন্দী ছিলেন এবং শত শত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেওয়া হয়েছে। এই সামগ্রিক চিত্র ইঙ্গিত দেয় যে, বাংলাদেশে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বর্তমানে গণতন্ত্রের ভিত্তি
হিসেবে না দেখে একটি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।



