ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা
কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের
‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট কাদের, কোথায় খরচ হয় বেশি?
এবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে চুরি, নাশকতার চেষ্টা বলছেন অ্যাটর্নি জেনারেল
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
পুলিশে শিগগিরই বিশাল নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবল, শূন্যপদে ১৮০ সার্জেন্ট
দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করতে পুলিশ বাহিনীতে বড় পরিসরে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শিগগিরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগের পাশাপাশি ১৮০টি শূন্য সার্জেন্ট পদেও দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে।
আজ ২৬শে ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পুলিশের জনবল বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পেলেই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পদে নিয়োগ এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নিয়োগের বিষয়েও প্রস্তুতি রয়েছে; এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ ছাড়া সারা দেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এক বার্তায় নিশ্চিত করেন, পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। জনবল ঘাটতি পূরণে অল্প সময়ের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে গত সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেছিলেন, পুলিশের বিভিন্ন স্তরে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শূন্য পদ পূরণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সরকারের এ ধারাবাহিক উদ্যোগকে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জুলাই-আগস্টে অসংখ্য পুলিশ হত্যার প্রেক্ষিতেই পুলিশে এত শূন্যপদ? প্রশ্ন জনমনে এদিকে পুলিশে এত বিরাট সংখ্যক জনবল
নিয়োগের বিষয়টি সামনে আসতেই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে জনমনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে অনেকেই লিখেছেন, পুলিশে এত লোকবল শূন্য হওয়ার কারণ কী? যেখানে ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনাকে অস্বীকার করে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার দাবি করেছিল মাত্র ৪৪ জন পুলিশ নিহত হয়েছেন, সেখানে হঠাৎ করে পুলিশে এত শূন্যতার সমীকরণ মেলাতে পারছেন না চিন্তাশীল সাধারণ মানুষ। প্রকৃত সত্য তুলে ধরার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি জুলাই দাঙ্গায় নিহত পুলিশের সঠিক সংখ্যাও জানতে চেয়েছেন তারা।
দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এক বার্তায় নিশ্চিত করেন, পরীক্ষার মাধ্যমে পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। জনবল ঘাটতি পূরণে অল্প সময়ের মধ্যেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। এর আগে গত সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেছিলেন, পুলিশের বিভিন্ন স্তরে জনবলের ঘাটতি রয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শূন্য পদ পূরণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সরকারের এ ধারাবাহিক উদ্যোগকে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জুলাই-আগস্টে অসংখ্য পুলিশ হত্যার প্রেক্ষিতেই পুলিশে এত শূন্যপদ? প্রশ্ন জনমনে এদিকে পুলিশে এত বিরাট সংখ্যক জনবল
নিয়োগের বিষয়টি সামনে আসতেই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে জনমনে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে অনেকেই লিখেছেন, পুলিশে এত লোকবল শূন্য হওয়ার কারণ কী? যেখানে ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে কয়েক হাজার পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনাকে অস্বীকার করে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার দাবি করেছিল মাত্র ৪৪ জন পুলিশ নিহত হয়েছেন, সেখানে হঠাৎ করে পুলিশে এত শূন্যতার সমীকরণ মেলাতে পারছেন না চিন্তাশীল সাধারণ মানুষ। প্রকৃত সত্য তুলে ধরার অনুরোধ জানানোর পাশাপাশি জুলাই দাঙ্গায় নিহত পুলিশের সঠিক সংখ্যাও জানতে চেয়েছেন তারা।



