ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নেতাদের হাতে শিক্ষক হেনস্তা
মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির
ঢাবি অধ্যাপক আতাউর রহমান মারা গেছেন
৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
প্রথমবার অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
আন্দোলনের মুখে দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ডিনের
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে!
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক নিয়োগে ভয়াবহ অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে খোদ উপাচার্য ড. আব্দুল মতিন–এর বিরুদ্ধে। নিজের মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে তিনি মেধাতালিকায় শীর্ষে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের। প্রচলিত নিয়ম ও নৈতিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে ক্যাম্পাসে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণত সংশ্লিষ্ট বিভাগের মেধাতালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারীদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়াই অলিখিত নিয়ম ও ঐতিহ্য। কিন্তু চুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগে এই রেওয়াজ ভেঙে চুরমার করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, উপাচার্যের মেয়ে জেরিন তাসনিম মাইমুনাকে নিয়োগ
দিতেই পুরো প্রক্রিয়াটি সাজানো হয়েছে। জেরিন ইটিই বিভাগের ১৯তম আবর্তের শিক্ষার্থী এবং নিজ ব্যাচে তার অবস্থান ছিল তৃতীয়। অথচ, তাকে জায়গা করে দিতে গিয়ে ১৮তম আবর্তের মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জনকারীকে সুকৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপাচার্যের মেয়েকে নিয়োগ দেওয়ার পথ মসৃণ করতে পূর্ববর্তী নিয়োগ বোর্ড রহস্যজনকভাবে বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর ইটিই বিভাগে দুইজন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এতে ১৮তম আবর্তের মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী শিবাশ্রী সেন ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী তাসনিয়া নশিন অরিন আবেদন করেন। তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু চূড়ান্ত নিয়োগের ঠিক আগ মুহূর্তে কোনো গ্রহণযোগ্য
কারণ ছাড়াই সেই নিয়োগ বোর্ড বাতিল ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই সময় উপাচার্যের মেয়ের ফলাফল বা প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় কালক্ষেপণের জন্যই এই ‘নাটক’ সাজানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই একই বিভাগে তিনজন প্রভাষক নিয়োগের জন্য নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, এই দফায় ১৮তম আবর্তের মেধাতালিকায় প্রথম শিবাশ্রী সেন পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। মেধার ভিত্তিতে তাকে নিয়োগ না দিয়ে ১৯তম আবর্তের প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারীর সাথে উপাচার্যের মেয়েকে (যিনি তৃতীয় স্থান অধিকারী) নিয়োগ দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চুয়েটের একাধিক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “উপাচার্যের মেয়েকে শিক্ষক বানানোর জেদ থেকেই আগের ব্যাচের
প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানধারীদের বারবার বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি কেবল স্বজনপ্রীতি নয়, এটি একটি নগ্ন অনিয়ম। একজন কম মেধাবী প্রার্থীকে সুযোগ দিতে গিয়ে একজন ফার্স্ট বয়/গার্লকে বাদ দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার শামিল।” ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উপাচার্যের মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে ড. আব্দুল মতিন–এর বিরুদ্ধে ওঠা এমন অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। অবিলম্বে এই নিয়োগ বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
দিতেই পুরো প্রক্রিয়াটি সাজানো হয়েছে। জেরিন ইটিই বিভাগের ১৯তম আবর্তের শিক্ষার্থী এবং নিজ ব্যাচে তার অবস্থান ছিল তৃতীয়। অথচ, তাকে জায়গা করে দিতে গিয়ে ১৮তম আবর্তের মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জনকারীকে সুকৌশলে বাদ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপাচার্যের মেয়েকে নিয়োগ দেওয়ার পথ মসৃণ করতে পূর্ববর্তী নিয়োগ বোর্ড রহস্যজনকভাবে বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর ইটিই বিভাগে দুইজন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। এতে ১৮তম আবর্তের মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকারী শিবাশ্রী সেন ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারী তাসনিয়া নশিন অরিন আবেদন করেন। তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষায়ও অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু চূড়ান্ত নিয়োগের ঠিক আগ মুহূর্তে কোনো গ্রহণযোগ্য
কারণ ছাড়াই সেই নিয়োগ বোর্ড বাতিল ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি, ওই সময় উপাচার্যের মেয়ের ফলাফল বা প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় কালক্ষেপণের জন্যই এই ‘নাটক’ সাজানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই একই বিভাগে তিনজন প্রভাষক নিয়োগের জন্য নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, এই দফায় ১৮তম আবর্তের মেধাতালিকায় প্রথম শিবাশ্রী সেন পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিলেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। মেধার ভিত্তিতে তাকে নিয়োগ না দিয়ে ১৯তম আবর্তের প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অধিকারীর সাথে উপাচার্যের মেয়েকে (যিনি তৃতীয় স্থান অধিকারী) নিয়োগ দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চুয়েটের একাধিক শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “উপাচার্যের মেয়েকে শিক্ষক বানানোর জেদ থেকেই আগের ব্যাচের
প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানধারীদের বারবার বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি কেবল স্বজনপ্রীতি নয়, এটি একটি নগ্ন অনিয়ম। একজন কম মেধাবী প্রার্থীকে সুযোগ দিতে গিয়ে একজন ফার্স্ট বয়/গার্লকে বাদ দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার শামিল।” ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উপাচার্যের মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে ড. আব্দুল মতিন–এর বিরুদ্ধে ওঠা এমন অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। অবিলম্বে এই নিয়োগ বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।



