ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনা সরকার পতনে “সক্রিয় ভূমিকা” রেখেছি: প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান (ভিডিও)
বাংলাদেশে কি একটা নিরব গণহত্যা চলছে?
ইউনূসের পথেই তারেক রহমানঃ নাম-না-জানা দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাতারে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
হাওয়া ভবন বাজেট ১০১: বাজেটের “আকার” বেড়েছে কিন্তু “উকার” কমেছে
ড. আসিফ নজরুল- আপনার এক অঙ্গে কতো রূপ?
গনতন্ত্র ও অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
পলাশীর পতনের ঠিক ১৯২ বছর পরে বাংলার জেগে ওঠার উপখ্যান
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রামের ডাক। বিশেষ কলাম
গোলাম ছামদানী জনি : বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আওয়ামী লীগ কেবল একটি সংগঠনের নাম নয় এটি সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও আদর্শের ধারাবাহিকতার প্রতীক। দখলদার ইউনুস যখন রাষ্ট্র, গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে জনগণের সাথে তালবাহানা শুরু করেছে এমতাবস্থায় গত ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এমনই এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সাবেক ছাত্রনেতাদের প্রতি দেওয়া নির্দেশনা নিছক কোনো সাংগঠনিক বার্তা নয়; এটি একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান এবং সংগ্রামের ডাক।
আসন্ন ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অবস্থান আজ আর গোপন নয়। এই অবস্থান তৃণমূল পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে পৌঁছে দিতে সাবেক ছাত্রনেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বর্তমান
ও সাবেক নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক জনসংযোগ জোরদার করার। নেত্রী পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এই সময় নীরব থাকার নয়, বিভ্রান্তির নয়; বরং সংগঠিত ও সচেতন রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণের সময়। দলকে সুসংগঠিত করার প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো নেতাকর্মীদের পুনরায় রাজনৈতিকভাবে জাগ্রত করা। দীর্ঘদিন ধরে নানা চাপ, ষড়যন্ত্র ও দমনমূলক বাস্তবতায় অনেক নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। সাবেক ছাত্রনেতারা তাঁদের সংগ্রামী অতীত, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং ত্যাগের ইতিহাস দিয়ে এই ভাঙন দূর করতে পারেন। রাজনৈতিক সংলাপ, মতবিনিময় ও আদর্শিক আলোচনার মধ্য দিয়েই নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও আস্থার পুনর্জন্ম ঘটানো সম্ভব। জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন আজ সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনীতি
যদি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা ক্ষমতার খেলায় পরিণত হয়। জনসংযোগ মানে শুধু কথা বলা নয় এটি জনগণের বঞ্চনা, ক্ষোভ ও প্রত্যাশার ভাষা বোঝার একটি রাজনৈতিক দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের শক্তি সবসময় জনগণের ভেতরেই নিহিত ছিল, এবং সেই শক্তিকে নতুন করে সংগঠিত করাই এই সময়ের প্রধান কর্তব্য। আদর্শিক দৃঢ়তা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে সংগঠন কে এগিয়ে নিতে হবে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো আপসকামী রাজনীতি নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের নাম। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতারাই এই আদর্শিক লড়াইকে সবচেয়ে স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরতে সক্ষম। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাজনৈতিক আচরণই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ একটি
রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্য রাজনৈতিক শক্তি। সবশেষে বলতে হয়, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা কোনো ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক কৌশল নয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংগ্রামের অংশ যার লক্ষ্য দলীয় সংগঠনকে পুনর্জীবিত করা, আদর্শিক সংহতি দৃঢ় করা এবং জনগণের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত করা। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ যখন সংগঠিত থাকে, আদর্শে অবিচল থাকে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তখন কোনো অপশক্তিই তাকে রুখে দিতে পারে না। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ।
ও সাবেক নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক জনসংযোগ জোরদার করার। নেত্রী পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এই সময় নীরব থাকার নয়, বিভ্রান্তির নয়; বরং সংগঠিত ও সচেতন রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণের সময়। দলকে সুসংগঠিত করার প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো নেতাকর্মীদের পুনরায় রাজনৈতিকভাবে জাগ্রত করা। দীর্ঘদিন ধরে নানা চাপ, ষড়যন্ত্র ও দমনমূলক বাস্তবতায় অনেক নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। সাবেক ছাত্রনেতারা তাঁদের সংগ্রামী অতীত, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং ত্যাগের ইতিহাস দিয়ে এই ভাঙন দূর করতে পারেন। রাজনৈতিক সংলাপ, মতবিনিময় ও আদর্শিক আলোচনার মধ্য দিয়েই নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও আস্থার পুনর্জন্ম ঘটানো সম্ভব। জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠন আজ সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনীতি
যদি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, তবে তা ক্ষমতার খেলায় পরিণত হয়। জনসংযোগ মানে শুধু কথা বলা নয় এটি জনগণের বঞ্চনা, ক্ষোভ ও প্রত্যাশার ভাষা বোঝার একটি রাজনৈতিক দায়িত্ব। আওয়ামী লীগের শক্তি সবসময় জনগণের ভেতরেই নিহিত ছিল, এবং সেই শক্তিকে নতুন করে সংগঠিত করাই এই সময়ের প্রধান কর্তব্য। আদর্শিক দৃঢ়তা ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে সংগঠন কে এগিয়ে নিতে হবে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি কোনো আপসকামী রাজনীতি নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সংবিধান এবং গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের নাম। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতারাই এই আদর্শিক লড়াইকে সবচেয়ে স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরতে সক্ষম। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাজনৈতিক আচরণই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ একটি
রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্য রাজনৈতিক শক্তি। সবশেষে বলতে হয়, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা কোনো ক্ষণস্থায়ী রাজনৈতিক কৌশল নয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সংগ্রামের অংশ যার লক্ষ্য দলীয় সংগঠনকে পুনর্জীবিত করা, আদর্শিক সংহতি দৃঢ় করা এবং জনগণের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন শক্তিতে প্রতিষ্ঠিত করা। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ যখন সংগঠিত থাকে, আদর্শে অবিচল থাকে এবং জনগণের পাশে দাঁড়ায়, তখন কোনো অপশক্তিই তাকে রুখে দিতে পারে না। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ।



