ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সীমান্তে বিএসএফের সড়ক নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় বন্ধ কাজ
ভারতীয়দের পর্যটক ভিসা ‘সীমিত’ করল বাংলাদেশ
নবম পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের ৩ প্রস্তাব, সর্বনিম্ন বেতন যত
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিখোঁজ দাবি করা এনসিপি সদস্য ওয়াসিমকে পাওয়া গেল মাদক নিরাময় কেন্দ্রে!
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০ লাখ টাকায় চাকরির চুক্তি, পরীক্ষা ডিভাইসে!
রাষ্ট্র ব্যর্থ বলেই বাড়ছে উগ্রবাদ: শেখ হাসিনা
চট্টগ্রাম থেকে ডলার দিনার রিয়েল পাচার হয় দুবাই-ওমানে
সিলেটের ডিসির বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড়
সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি)-এর বিরুদ্ধে বিএনপির নেতা এম এ মালেকের মনোনয়ন বৈধতা দিতে প্রায় ১০ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি ঘিরে সিলেটসহ সারাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এম এ মালেকের মনোনয়ন বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে তা বৈধ করতেই এই বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—একজন দায়িত্বশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ কতটা সত্য এবং এর পেছনে কারা জড়িত।
এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া
যায়নি। একইভাবে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা এম এ মালেকও অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি শুধু প্রশাসনিক দুর্নীতির ঘটনা নয়, বরং পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ওপর গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এমন গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত না হলে জনমনে বিভ্রান্তি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত শুরু এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতারা। সিলেট-৩
আসনে বিএনপির এম এ মালেকের মনোনয়ন ইতোমধ্যে স্থগিত রয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগণের একটি বড় অংশ ওই মনোনয়ন সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রার্থীর মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় এ ধরনের অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান নিষ্পত্তি এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
যায়নি। একইভাবে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা এম এ মালেকও অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে এটি শুধু প্রশাসনিক দুর্নীতির ঘটনা নয়, বরং পুরো নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার ওপর গুরুতর আঘাত হিসেবে বিবেচিত হবে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এমন গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত না হলে জনমনে বিভ্রান্তি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত শুরু এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতারা। সিলেট-৩
আসনে বিএনপির এম এ মালেকের মনোনয়ন ইতোমধ্যে স্থগিত রয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী ও সাধারণ জনগণের একটি বড় অংশ ওই মনোনয়ন সম্পূর্ণ বাতিলের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ প্রার্থীর মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং নির্বাচন ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় এ ধরনের অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান নিষ্পত্তি এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।



