ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সীমান্তে বিএসএফের সড়ক নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় বন্ধ কাজ
ভারতীয়দের পর্যটক ভিসা ‘সীমিত’ করল বাংলাদেশ
নবম পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের ৩ প্রস্তাব, সর্বনিম্ন বেতন যত
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নিখোঁজ দাবি করা এনসিপি সদস্য ওয়াসিমকে পাওয়া গেল মাদক নিরাময় কেন্দ্রে!
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০ লাখ টাকায় চাকরির চুক্তি, পরীক্ষা ডিভাইসে!
রাষ্ট্র ব্যর্থ বলেই বাড়ছে উগ্রবাদ: শেখ হাসিনা
চট্টগ্রাম থেকে ডলার দিনার রিয়েল পাচার হয় দুবাই-ওমানে
এক রাষ্ট্রে দুই আইন, অপরাধের লাইসেন্স পেল জুলাই যোদ্ধারা, জুলাই ‘যোদ্ধা’ পরিচয়ে ধর্ষণ–খুনও অপরাধ নয়
স্টাফ রিপোর্টার।
রাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রকাশ্যে বলেছে ‘জুলাই যোদ্ধারা’ চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ধর্ষণ বা খুন করলেও তাদের বিচার হবে না—তাহলে এটি কোনো অসতর্ক মন্তব্য নয়, এটি একটি রাষ্ট্রীয় নীতি ঘোষণার সমান। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে বাংলাদেশে আইন আর ন্যায়ের ভিত্তিতে চলে না চলে পরিচয়, আনুগত্য ও ক্ষমতার দাপটে।
এর অর্থ খুব পরিষ্কার দেশে এখন দুই ধরনের আইন চালু আছে। একটি সাধারণ মানুষের জন্য—যেখানে সন্দেহ হলেই গ্রেপ্তার, ছিনতাইয়ের অভিযোগে গুলি, আর গরিব হলে বিচার ছাড়াই শাস্তি। আরেকটি আইন রয়েছে ক্ষমতার আশীর্বাদপ্রাপ্ত ‘যোদ্ধা’ পরিচয়ের জন্য যেখানে ধর্ষণ ইতিহাস হয়ে যায়, খুন অবদান হিসেবে ধুয়ে-মুছে যায়।
এটি শুধু ভয়ংকর নয়,
এটি সরাসরি অপরাধের লাইসেন্স বিলি করার ঘোষণা। রাষ্ট্র যখন বলে দেয় কিছু মানুষের অপরাধের বিচার হবে না, তখন সে অপরাধীদের স্পষ্ট বার্তা দেয়: “এগিয়ে যাও, রাষ্ট্র তোমাদের ঢাল।” এর চেয়ে বড় নৈতিক দেউলিয়াপনা আর কী হতে পারে? এই বিচারহীনতার সবচেয়ে ভয়াবহ মূল্য দেবে তারা, যাদের কোনো পরিচয় নেই, কোনো তকমা নেই, কোনো ক্ষমতার পৃষ্ঠপোষক নেই। যে নারী ধর্ষণের শিকার হবে, যে পরিবার খুনের শোক বইবে, যে মানুষ ডাকাতির শিকার হবে—তাদের জন্য রাষ্ট্রের বার্তা নির্মম ও স্পষ্ট: তোমাদের ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নয়। যারা সংগ্রামের নাম করে আজ অপরাধের দায়মুক্তি চাইছে, তারা কোনো সংগ্রামের উত্তরাধিকার নয়। তারা হচ্ছে ক্ষমতার দালাল—যারা অতীতের আত্মত্যাগকে বর্তমানের অপরাধ
ঢাকতে ব্যবহার করছে। আর যে রাষ্ট্র এই দালালদের রক্ষা করে, সে রাষ্ট্র আর জনগণের নয় সে রাষ্ট্র ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হয়। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে—বিচারহীনতা কখনো স্থিতিশীলতা আনে না। এটি আনে আরও অপরাধ, আরও সহিংসতা, আরও ভয়। যে রাষ্ট্র নিজ হাতে আইনের কফিনে পেরেক ঠোকে, সে রাষ্ট্র একদিন নিজেই সেই কফিনে ঢোকে। স্পষ্ট করে বলতে হবে অপরাধীর কোনো পরিচয় নেই। ‘যোদ্ধা’ নামেও কেউ ধর্ষক হলে সে ধর্ষকই, খুনি হলে খুনিই। এর বাইরে যে কোনো ব্যাখ্যা ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র।
এটি সরাসরি অপরাধের লাইসেন্স বিলি করার ঘোষণা। রাষ্ট্র যখন বলে দেয় কিছু মানুষের অপরাধের বিচার হবে না, তখন সে অপরাধীদের স্পষ্ট বার্তা দেয়: “এগিয়ে যাও, রাষ্ট্র তোমাদের ঢাল।” এর চেয়ে বড় নৈতিক দেউলিয়াপনা আর কী হতে পারে? এই বিচারহীনতার সবচেয়ে ভয়াবহ মূল্য দেবে তারা, যাদের কোনো পরিচয় নেই, কোনো তকমা নেই, কোনো ক্ষমতার পৃষ্ঠপোষক নেই। যে নারী ধর্ষণের শিকার হবে, যে পরিবার খুনের শোক বইবে, যে মানুষ ডাকাতির শিকার হবে—তাদের জন্য রাষ্ট্রের বার্তা নির্মম ও স্পষ্ট: তোমাদের ন্যায়বিচার রাষ্ট্রের অগ্রাধিকার নয়। যারা সংগ্রামের নাম করে আজ অপরাধের দায়মুক্তি চাইছে, তারা কোনো সংগ্রামের উত্তরাধিকার নয়। তারা হচ্ছে ক্ষমতার দালাল—যারা অতীতের আত্মত্যাগকে বর্তমানের অপরাধ
ঢাকতে ব্যবহার করছে। আর যে রাষ্ট্র এই দালালদের রক্ষা করে, সে রাষ্ট্র আর জনগণের নয় সে রাষ্ট্র ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হয়। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে—বিচারহীনতা কখনো স্থিতিশীলতা আনে না। এটি আনে আরও অপরাধ, আরও সহিংসতা, আরও ভয়। যে রাষ্ট্র নিজ হাতে আইনের কফিনে পেরেক ঠোকে, সে রাষ্ট্র একদিন নিজেই সেই কফিনে ঢোকে। স্পষ্ট করে বলতে হবে অপরাধীর কোনো পরিচয় নেই। ‘যোদ্ধা’ নামেও কেউ ধর্ষক হলে সে ধর্ষকই, খুনি হলে খুনিই। এর বাইরে যে কোনো ব্যাখ্যা ন্যায়বিচারের বিরুদ্ধে একটি সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র।



