মুনাফার হার আরও কমলো, কোন সঞ্চয়পত্রে কত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৭:৩৪ অপরাহ্ণ

মুনাফার হার আরও কমলো, কোন সঞ্চয়পত্রে কত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৭:৩৪ 49 ভিউ
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত পাঁচটি সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। স্কিমের ধরন অনুযায়ী নতুন মুনাফার হার ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে এই হার কার্যকর হবে। এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত জুলাইয়েও সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানো হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ছয় মাস পরপর সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পর্যালোচনা করে সরকার। পরিবার সঞ্চয়পত্র জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় যত ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। মুনাফা কমানোর ফলে এখন এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম

বিনিয়োগ থাকলে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ। এদিকে প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১০ দশমিক ০৮ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চতুর্থ বছরে

৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। ৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকা কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে মুনাফা পাবেন প্রথম বছরে ৯ দশমিক

৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ হারে। ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মুনাফার হার কমেছে পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রেও। এখন থেকে এই সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকা কম বিনিয়োগ থাকলে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার দাঁড়াবে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ। প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা ৫ বছর বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে

১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরারা মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে মুনাফা পাবেন প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ হারে। পেনশনার সঞ্চয়পত্র এ ছাড়া ৫ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ থাকলে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ। প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে

৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ১০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে মুনাফা পাবেন প্রথম বছরে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ১২ শতাংশ, তৃতীয় বছরে ৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ, চতুর্থ বছরে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং পঞ্চম বছরে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ হারে। পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিট মুনাফার হার কমানো হয়েছে পোস্ট অফিস ফিক্সড ডিপোজিটেও। তিন বছরে মেয়াদ পূর্তি শেষে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফার হার

কমিয়ে করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। আর সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই হার ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। প্রথম ধাপের বিনিয়োগকারীরা এই সঞ্চয়পত্র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রথম বছরে ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১০ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর দ্বিতীয় ধাপের বিনিয়োগকারীরা প্রথম বছরে ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ের মধ্যে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন এই মুনাফার হার কার্যকর হবে। ছয় মাস পর জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের বিনিয়োগের মুনাফার হার পুনরায় নির্ধারণ করা হবে। তবে বিনিয়োগকারী ইস্যুকালীন সময়ে বিদ্যমান মুনাফার পর বিনিয়োগকালের পূর্ণ মেয়াদে পাবেন। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা সব ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম’-এর ক্ষেত্রে ইস্যুকালীন মেয়াদে, ইস্যুকালীন মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগের তারিখের মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা” ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Vote টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান দেশজুড়ে একে একে খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয় হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার! চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি