চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ প্রবেশপথ অবরোধ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
     ৩:২৫ অপরাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

চট্টগ্রাম বন্দরের ৩ প্রবেশপথ অবরোধ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ৩:২৫ 46 ভিউ
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ (এনসিটি) বিভিন্ন স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে বন্দরের তিনটি প্রবেশপথে অবরোধ করেছে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)। তাদের সমর্থন জানিয়েছে পরিবহন শ্রমিকদের কয়েকটি সংগঠন ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা। বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নগরের মাইলের মাথা, বড়পোল ও বন্দরের টোল প্লাজা গেট এলাকায় প্রতীকী অবরোধ শুরু হয়। দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা এ কর্মসূচি পালনের কথা রয়েছে। এর আগে সকাল থেকেই সেখানে স্কপের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। কর্মসূচির শুরুতে সমাবেশ করেন তারা। সেখানে কর্মসূচির সমর্থনে বক্তব্য দেন শ্রমিক নেতারা। সরেজমিন দেখা গেছে, সকালে বড়পোল মোড়ে অবস্থানরত শ্রমিক নেতাকর্মীদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ‘চট্টগ্রাম বন্দরের

লাভজনক এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারার প্রতিবাদে এবং লালদিয়ার চর ও পানগাঁও ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে বন্দর অবরোধ কর্মসূচি’। সমাবেশে বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস কে খোদা তোতন বলেন, আমরা চাইলেই বন্দর অচল করে দিতে পারি; কিন্তু আমরা সময় দিচ্ছি। বিদেশিদের টার্মিনাল দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। এর আগে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) স্কপ নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে বৈঠক করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। সভায় এ বিষয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি। ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামালের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, স্কপের পূর্বঘোষিত বন্দর অবরোধ কর্মসূচি বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে। মাইলের মাথা (সী মেন্স হোস্টেল), টোল রোডের টোলপ্লাজা গেট

ও বড় পুল এলাকায় এ অবরোধ করা হবে। স্কপ নেতারা জানান, লালদিয়ার চর ও পানগাঁও ইজারা দেওয়ার দিন বিডার প্রধান নির্বাহী আশিক চৌধুরীর বলেছিলেন, ‘এনসিটি চুক্তি সাত দিনের মধ্যে হবে’। এ বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের কৌশলগত চুক্তি করার নৈতিক কিংবা আইনি অধিকার নেই।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?