অর্থসংকটে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বড় ছাঁটাই – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ অক্টোবর, ২০২৫
     ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ

অর্থসংকটে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বড় ছাঁটাই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ অক্টোবর, ২০২৫ | ৭:০৩ 64 ভিউ
তহবিল ঘাটতির কারণে বিশ্বব্যাপী সংকটে পড়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন। সদস্য রাষ্ট্রগুলো নির্ধারিত চাঁদা পুরোপুরি না দেওয়ায় এবং চাঁদা দিতে দেরি করায় টহল কমানো বা মাঠ পর্যায়ের অফিস বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছে জাতিসংঘ। এছাড়াও হাজার হাজার শান্তিরক্ষী, বা ‘ব্লু হেলমেট’দের দেশে ফেরানোর নিয়েও চলছে আলোচনা। এক প্রতিবেদনে এমনটা জানিয়েছে ইউএন নিউজ। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা প্রধান জ্যাঁ-পিয়ের লাখ্রোয়া এই সংকটকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কঠিন বলে বর্ণনা করেছেন। মূলত বিশ্বের অস্থিতিশীল অঞ্চলে জাতিসংঘের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সদস্য রাষ্ট্রদের চাঁদা প্রদান করতে হয়। কিছু সদস্য রাষ্ট্র রাষ্ট্র তাদের নির্ধারিত চাঁদা পুরোপুরি না দেওয়ায় ২০২৫-২৬ সালের অনুমোদিত বাজেটে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

যার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। চলতি সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে শান্তিরক্ষা বিষয়ক এক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে একই সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করেন জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা প্রধান। তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে, আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই। আমাদের শান্তিরক্ষীরা— আপনাদের শান্তিরক্ষীরাও— মানুষকে রক্ষা করেন। তারা শত-সহস্র বেসামরিক নাগরিকের জীবন ও মৃত্যুর পার্থক্য গড়ে দেন।’ তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের দায়বদ্ধতা সম্পূর্ণ করার আহ্বান জানান। জাতিসংঘ মহাসচিব সব মিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তারা তাদের বার্ষিক বাজেটের ১৫ শতাংশ সমপরিমাণ ব্যয় কমানোর উপায় খুঁজে বের করে। সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে এই সিদ্ধান্তের ফলে সামরিক ও বেসামরিক কর্মীর সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাবে। এছাড়াও পেট্রোল, সুরক্ষা, লজিস্টিক, বিমান

অপারেশন এবং নিরস্ত্র সহায়তা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র প্রভাবিত হতে পারে। বিশেষ করে কঙ্গো, দক্ষিণ সুদান, মধ্য আফ্রিকার প্রজাতন্ত্র, লেবানন ও গোলান মালভূমির মিশনগুলোতে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লাখ্রোয়া সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি সময়মতো অর্থ প্রদানের আবেদন জানান। এছাড়াও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম নিয়ে মিথ্যাচার ও ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রচেষ্টা রোধ করার প্রয়োজনীয়তার ওপরেও জোর দেন তিনি। এর আগে গত সপ্তাহে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও শান্তিরক্ষা মিশনগুলো কার্যকরভাবে চালাতে যথাযথ এবং সময়মতো তহবিল অপরিহার্য উল্লেখ করেন। সাইপ্রাসের জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর সাবেক প্রধান কলিন স্টুয়ার্ট বলেন, শান্তিরক্ষা মিশনগুলো এখনো কেন প্রয়োজন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এর উত্তর সহজ, কারণ মিশনগুলো তাদের কাজ করছে বিধায় শান্তি বজায়

রয়েছে। যদি না থাকে তবে পারস্পরিক মতবিরোধ বা অবিশ্বাস সহজেই সংঘাতে রূপ নিতে পারে। https://www.deshrupantor.com/631409

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের দাবি ১৩৫ সাংবাদিকের সাভার-আশুলিয়ার সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ৮০ বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধকে জেলে পচিয়ে মারাই যদি শাসনের নমুনা হয় গ্রামীণের সুযোগ-সুবিধা ঘিরে প্রশ্ন Losing His Wife. Losing His Newborn. Losing Justice. দেশ আজ ক্লান্ত, দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত, দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা। জামায়াতের ইতিহাস বিকৃতি, নিজের ফাঁদে বিএনপি হাসিনা সরকারের মতো সরকার আর আসবে না’—ভিডিওতে নাগরিকের আক্ষেপ বিশেষজ্ঞ বাদ দিয়ে, জনমত উপেক্ষা করে গণমাধ্যমে শিকল পরানোর ষড়যন্ত্র স্মরণকালের ভয়াবহতম রক্তাক্ত নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ ইউনূসের দুঃশাসন: দেড় বছরে ‘মব’ হামলায় নিহত ২৫৯ ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের পর এবার জাতীয় ভোটেও জালিয়াতির নীল নকশায় জামায়াত ভোটের আগে পাকিস্তান থেকে ঢুকছে অস্ত্র, উদ্দেশ্য সহিংসতা বাংলাদেশ যদি মৌলবাদীদের হাতে পড়ে, দিল্লি কি নিরাপদ থাকবে? বাংলাদেশকে দুর্বল রাষ্ট্রে পরিণত করার ভূরাজনৈতিক নকশা ড. ইউনুস সরকারের আমলে বাংলাদেশ ‘বাটপারিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ গণভোট, রাষ্ট্রীয় পক্ষপাত ও অবৈধ ইউনূস সরকার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক ভয়াবহ সতর্ক সংকেত জামায়াতকে যারা ইসলামী দল বলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে : চরমোনাই পীর রঙিন বিপ্লব’-এর পর বাংলাদেশ কি ইসলামি একনায়কতন্ত্রের পথে? নতুন বইয়ে সতর্কবার্তা ইবনে সিনায় শত কোটি টাকার ‘হরিলুট’: কাঠগড়ায় জামায়াত নেতা ডা. তাহের