ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বের সঙ্গে একইদিনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ‘ডিসক্লোজার ডে’
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা?
মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি
ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে যে বার্তা দিলেন অপু
সমালোচনার মুখে পানির বোতল প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অলরাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব
৩৬ বছর বয়সেই দুই বিলিয়ন সম্পদের মালিক টেইলর সুইফট
যে কারণে ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা করলেন ঐশ্বরিয়া-অভিষেক!
ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ডিপফেক ভিডিওর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন জানা যায়, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট প্রচারের অভিযোগে তারা প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব এবং এর মূল সংস্থা গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
তারা গুগল এবং অন্যদের কাছ থেকে ৪৫০,০০০ ডলার (যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন। একই সঙ্গে এই ধরনের ডিপফেক ভিডিও শেয়ার করার ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এই তারকা দম্পতি।
অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ইউটিউবে প্রচারিত শত শত লিঙ্ক এবং স্ক্রিনশট, যেখানে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি ভিডিওতে তাদের নিয়ে ‘ভয়াবহ’, ‘যৌন উসকানিমূলক’ এবং
‘কাল্পনিক’ বিষয়বস্তু দেখানো হয়েছে। আদালতে দেওয়া পিটিশনে তারা উল্লেখ করেছেন, ইউটিউবে এমন একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়, যেখানে তাদের ছবি ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর উপায়ে চিত্রিত করা হচ্ছে। এর উদাহরণ হিসেবে আবেদনে ‘অভিষেক বচ্চন হঠাৎ কোনো চলচ্চিত্র অভিনেত্রীকে চুম্বন করছেন’ বা ‘ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং সালমান খান একসঙ্গে ডিনার করছেন’—এমন মনগড়া ভিডিওর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনকারী তারকা দম্পতি যুক্তি দেন, এই জাতীয় ভিডিওগুলো কেবল তাদের সুনামকেই আঘাত করছে না, বরং এটি তাদের গোপনীয়তার মৌলিক অধিকারেরও মারাত্মক লঙ্ঘন।
‘কাল্পনিক’ বিষয়বস্তু দেখানো হয়েছে। আদালতে দেওয়া পিটিশনে তারা উল্লেখ করেছেন, ইউটিউবে এমন একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়, যেখানে তাদের ছবি ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর এবং মানহানিকর উপায়ে চিত্রিত করা হচ্ছে। এর উদাহরণ হিসেবে আবেদনে ‘অভিষেক বচ্চন হঠাৎ কোনো চলচ্চিত্র অভিনেত্রীকে চুম্বন করছেন’ বা ‘ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং সালমান খান একসঙ্গে ডিনার করছেন’—এমন মনগড়া ভিডিওর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবেদনকারী তারকা দম্পতি যুক্তি দেন, এই জাতীয় ভিডিওগুলো কেবল তাদের সুনামকেই আঘাত করছে না, বরং এটি তাদের গোপনীয়তার মৌলিক অধিকারেরও মারাত্মক লঙ্ঘন।



