ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব
অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি, অডিও ফাঁস
রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানি নৌবাহিনীর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর ইরানে ‘খুব কঠোর’ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
অ্যামেরিকার সঙ্গে কিউবার বৈঠক সম্পন্ন: প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল
ট্রাম্পের গঠিত রিলিজিয়াস ফ্রিডম কমিশনের একমাত্র মুসলিম নারী সদস্যর পদত্যাগ
কোনো যুদ্ধবিরতি, কোনো চুক্তি হয়নি : বৈঠকের ফল ‘শূন্য’
আলাস্কায় অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠক থেকে কোনো যুদ্ধবিরতি বা চুক্তি হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করার পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে কোনো সাংবাদিক প্রশ্ন নেননি। ফলে বৈঠকের ফলাফল প্রায় ‘শূন্য’ বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, বৈঠক থেকে কিছু বিষয়ে ‘ব্যাপক অগ্রগতি’ হয়েছে, তবে তিনি বিস্তারিত জানাতে অনিচ্ছুক। তিনি স্বীকার করেন, ইউক্রেনে চূড়ান্ত সমঝোতায় তারা পৌঁছাতে পারেননি। আর পুতিন আলাস্কা ছেড়ে যাওয়ার সময় পরবর্তী আলোচনা মস্কোতে হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট সময় বা চুক্তি জানাননি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের কোনো চুক্তি না করার ফলে ইউরোপীয় মিত্র ও কিয়েভ আপাতত স্বস্তি পেয়েছে। তবে রাশিয়ার
সঙ্গে মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে। পুতিন আবারও যুদ্ধের মূল কারণগুলো তুলে ধরেছেন এবং ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী, ন্যাটো ও রাশিয়ান ভাষাভাষীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া ক্রিমিয়া ও দখলকৃত অন্যান্য এলাকা ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। অন্যদিকে, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি না হওয়ায় রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বৈঠকের পর তিনি বলেছেন, দুই–তিন সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি বিবেচনা করবেন। তবে তার মন্তব্য অস্পষ্ট থাকায় নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বৈঠক শেষে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি রাশিয়ার জন্যও ‘রাজসিক প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে দেখেছে। পশ্চিমা দেশগুলো যত হুমকি দিয়েছে, পুতিন সেগুলোকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলেছেন। ইউক্রেনের জন্য কিছু স্বস্তি থাকলেও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি এখনো অনিশ্চিত। তথ্যসূত্র : বিবিসি, রয়টার্স
সঙ্গে মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে। পুতিন আবারও যুদ্ধের মূল কারণগুলো তুলে ধরেছেন এবং ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী, ন্যাটো ও রাশিয়ান ভাষাভাষীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এছাড়া ক্রিমিয়া ও দখলকৃত অন্যান্য এলাকা ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি। অন্যদিকে, ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি না হওয়ায় রাশিয়ার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন। বৈঠকের পর তিনি বলেছেন, দুই–তিন সপ্তাহের মধ্যে বিষয়টি বিবেচনা করবেন। তবে তার মন্তব্য অস্পষ্ট থাকায় নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বৈঠক শেষে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি রাশিয়ার জন্যও ‘রাজসিক প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে দেখেছে। পশ্চিমা দেশগুলো যত হুমকি দিয়েছে, পুতিন সেগুলোকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলেছেন। ইউক্রেনের জন্য কিছু স্বস্তি থাকলেও দীর্ঘমেয়াদী শান্তি এখনো অনিশ্চিত। তথ্যসূত্র : বিবিসি, রয়টার্স



