ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
কক্সবাজারের হোটেলে এনসিপি-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: ‘নতুন ষড়যন্ত্রের কাশিমবাজার কুঠি’ বলছে বিরোধীরা
কক্সবাজারের একটি হোটেলে ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই বিশেষ বৈঠকে অংশ নেন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তাসনিম জারা প্রমুখ।
তবে বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে এনসিপি নেতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি।
এদিনই ছিল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর প্রথম বার্ষিকী। গত বছর এই দিনে রক্তক্ষয়ী গণবিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যারা ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ প্রণয়নের অঙ্গীকার করে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে সেই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।
গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী প্ল্যাটফর্মের
শীর্ষ সমন্বয়কারীরাই পরবর্তীতে এনসিপি গঠন করেন। সেই দলের নেতাদের এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উঠেছে নানা প্রশ্ন। বিরোধী রাজনৈতিক শিবির বলছে, এটি ছিল ‘গোপন ষড়যন্ত্রের বৈঠক’। তাদের ভাষায়, “যেভাবে কাশিমবাজার কুঠিতে বসে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হারানোর পরিকল্পনা হয়েছিল, তেমনি কক্সবাজারের হোটেলে বসে বাংলাদেশকে ডীপস্ট্রেটের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সংবিধান বাতিল করে বিদেশি প্রভুদের স্বার্থ প্রতিষ্ঠাই এই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য।” এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। পিটার হাসের দপ্তর থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
শীর্ষ সমন্বয়কারীরাই পরবর্তীতে এনসিপি গঠন করেন। সেই দলের নেতাদের এই বৈঠককে কেন্দ্র করে উঠেছে নানা প্রশ্ন। বিরোধী রাজনৈতিক শিবির বলছে, এটি ছিল ‘গোপন ষড়যন্ত্রের বৈঠক’। তাদের ভাষায়, “যেভাবে কাশিমবাজার কুঠিতে বসে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হারানোর পরিকল্পনা হয়েছিল, তেমনি কক্সবাজারের হোটেলে বসে বাংলাদেশকে ডীপস্ট্রেটের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সংবিধান বাতিল করে বিদেশি প্রভুদের স্বার্থ প্রতিষ্ঠাই এই মিটিংয়ের উদ্দেশ্য।” এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে রাজি হননি। পিটার হাসের দপ্তর থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।



