ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
সামিরা খুঁজছিলেন নবম টার্গেট, গ্রেপ্তার করল পুলিশ
আগে আটবার বিয়ে করেছেন তিনি। এবার চেষ্টা করছিলেন নবম বিয়ের। আর এসময় বেরসিক পুলিশ হানা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। তার নাম সামিরা ফাতিমা।
পুলিশ বলছে, বিয়ে করা ব্যক্তিদের কাছ থেকে ওই নারী হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা। ওই নারীকে যখন গ্রেপ্তার করা হয় তখন তিনি তার পরবর্তী টার্গেট খুঁজছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওই নারী ধনী পুরুষদের টার্গেট করে বিয়ে করতেন। এরপর তাদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নিতেন। তিনি তার স্বামীদের কাছ থেকে এভাবে টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে আরও উছে এসেছে, সামিরা ফাতেমা একটি সংঘবদ্ধ গ্যাংয়ের সদস্য। তিনি ওই গ্যাংয়ের সদস্যদের মাধ্যমে তার বিভিন্ন স্বামীর
কাছ থেকে অর্থ আদায় করছিলেন। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো- সামিরা শিক্ষিত এবং পেশায় একজন শিক্ষিকা। তা সত্ত্বেও তিনি এমন প্রতারণামূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। পুলিশের আশঙ্কা, গত ১৫ বছর ধরে হয়ত তিনি অনেককে নিজের ভিকটিম বানিয়েছেন। এরমধ্যে নিজের এক স্বামীর কাছ থেকে তিনি ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত নিয়েছেন। আরেকজনের থেকে ১৫ লাখ রুপি পাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সামিরা বিয়ে বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং ফেসবুকে নিজের ‘শিকারি’ খুঁজে বেড়াতেন। কাউকে পেয়ে গেলে তাকে আবেগপূর্ণ কথাবার্তা বলে প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন। নিজেকে তিনি সন্তানসহ ডিভোর্সী নারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে টার্গেট করা পুরুষকে নিজের আয়ত্ত্বে নিয়ে আসতেন। ভয়াবহ প্রতারণা করা এ নারীকে গত ২৯ জুলাই নাগপুরের একটি চায়ের দোকান থেকে
গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাছ থেকে অর্থ আদায় করছিলেন। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো- সামিরা শিক্ষিত এবং পেশায় একজন শিক্ষিকা। তা সত্ত্বেও তিনি এমন প্রতারণামূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। পুলিশের আশঙ্কা, গত ১৫ বছর ধরে হয়ত তিনি অনেককে নিজের ভিকটিম বানিয়েছেন। এরমধ্যে নিজের এক স্বামীর কাছ থেকে তিনি ৫০ লাখ রুপি পর্যন্ত নিয়েছেন। আরেকজনের থেকে ১৫ লাখ রুপি পাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। সামিরা বিয়ে বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং ফেসবুকে নিজের ‘শিকারি’ খুঁজে বেড়াতেন। কাউকে পেয়ে গেলে তাকে আবেগপূর্ণ কথাবার্তা বলে প্রেমের ফাঁদে ফেলতেন। নিজেকে তিনি সন্তানসহ ডিভোর্সী নারী হিসেবে আখ্যা দিয়ে টার্গেট করা পুরুষকে নিজের আয়ত্ত্বে নিয়ে আসতেন। ভয়াবহ প্রতারণা করা এ নারীকে গত ২৯ জুলাই নাগপুরের একটি চায়ের দোকান থেকে
গ্রেপ্তার করে পুলিশ।



