ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিন আরব দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি লড়াইয়ে ইরান
কলকাতায় বিজেপির প্রার্থী হতে চান আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিত চিকিৎসকের মা
কিউবায় আলো ফেরাতে সাহসী পদক্ষেপ রাশিয়ার
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি একটুও কমাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
যুক্তরাষ্ট্রে হামলার ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে পাকিস্তান: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা
ট্রাম্পের আহ্বান সত্ত্বেও হরমুজে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কম: শুধু ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ চলছে
প্রথম দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল মালয়েশিয়ার: একই ধরনের চুক্তি করা বাংলাদেশ কী করবে?
চীনে ২০টি নতুন ভাইরাসের সন্ধান
চীনে ফের নতুন ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। চীনের ইউনান প্রদেশে বাদুড়ের দেহে ২০টি নতুন ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে দু’টি ভাইরাস জিনগত ভাবে পূর্বপরিচিত দুই প্রাণঘাতী ভাইরাস হেন্দ্রা এবং নিপার নিকটাত্মীয়।
নতুন ভাইরাস সংক্রান্ত এই গবেষণাটি ‘পিএলওএস প্যাথোজেনস’ নামের বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। খবর এনডিটিভির।
গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ১৪২টি বাদুড়ের কিডনি (বৃক্ক) থেকে সংগ্রহ করা নমুনার উপর এই গবেষণাটি চালানো হয়। তারই ফলাফল স্বরূপ বিজ্ঞানীরা জেনেটিক পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং একটি নতুন পরজীবী শনাক্ত করতে পেরেছেন। এগুলো সবই এর আগে অজানা ছিল।
বিজ্ঞানীদের দাবি, নতুন আবিষ্কৃত ভাইরাসগুলোর মধ্যে কয়েকটি বাদুড়ের কিডনিতে পাওয়া গেছে। সেই
বিষয়টিই সবচেয়ে উদ্বেগজনক। কারণ কিডনিতেই মূত্র তৈরি হয়। সুতরাং, যদি কোনো ভাইরাস আক্রান্ত বাদুড় ফলের বাগান বা পানির উৎসের কাছাকাছি প্রস্রাব করে, তবে সেই ফল বা পানি দূষিত হয়ে যেতে পারে। যারা সেই দূষিত ফল বা পানি খাবেন বা পান করবেন, তাদের দেহে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, ভবিষ্যতে যাতে আর এই ধরনের মহামারী না দেখা দেয়, তার জন্য আগে থেকেই তৈরি হতে হবে। আর তার জন্য এই নতুন ভাইরাসগুলো পরীক্ষা করে সেগুলোর প্রতিষেধক তৈরি করা দরকার। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চীনে পাওয়া ভাইরাসগুলো নিয়ে আপাতত খুব বেশি ভয়ের কিছু নেই। তবে ভবিষ্যতে অন্যরকম কিছুও ঘটতে পারে। তাই সতর্কতা এবং
বিস্তারিত গবেষণা দরকার।
বিষয়টিই সবচেয়ে উদ্বেগজনক। কারণ কিডনিতেই মূত্র তৈরি হয়। সুতরাং, যদি কোনো ভাইরাস আক্রান্ত বাদুড় ফলের বাগান বা পানির উৎসের কাছাকাছি প্রস্রাব করে, তবে সেই ফল বা পানি দূষিত হয়ে যেতে পারে। যারা সেই দূষিত ফল বা পানি খাবেন বা পান করবেন, তাদের দেহে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, ভবিষ্যতে যাতে আর এই ধরনের মহামারী না দেখা দেয়, তার জন্য আগে থেকেই তৈরি হতে হবে। আর তার জন্য এই নতুন ভাইরাসগুলো পরীক্ষা করে সেগুলোর প্রতিষেধক তৈরি করা দরকার। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চীনে পাওয়া ভাইরাসগুলো নিয়ে আপাতত খুব বেশি ভয়ের কিছু নেই। তবে ভবিষ্যতে অন্যরকম কিছুও ঘটতে পারে। তাই সতর্কতা এবং
বিস্তারিত গবেষণা দরকার।



