ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
মোদি যা বলে তাই করেন জয় শাহ: আফ্রিদি
আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ’র কড়া সমালোচনা করেছেন শহিদ আফ্রিদি। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক দাবি করছেন, ভারতের মোদি সরকারের নির্দেশনা মেনে চলেন জয় শাহ। একই সঙ্গে ভারতীয় মিডিয়ার উপস্থাপনাকে হাস্যকর বলেছেন বুমবুম খ্যাত এই ক্রিকেটার।
পাকিস্তানের গণমাধ্যমে আইসিসি সভাপতিকে নিয়ে আফ্রিদি বলেছেন, ‘মোদি সরকার যা বলেন বাছবিচার না করে সেটাই করেন জয় শাহ। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করা যেন জয় শাহর দায়িত্ব।’
ভারতশাসিত পেহেলগামে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন আফ্রিদি। একই সঙ্গে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন যে ভারত কোনো কিছু না ভেবেই সরাসরি পাকিস্তানকে দোষারোপ করছে। ভারতের মিডিয়াও একই কাজ করছে। আফ্রিদি বলেছেন, ‘তারা (ভারতের গণমাধ্যম) মৃতকে জীবিত করে তোলে, আবার যে মরে গেছে তাকেও জাগিয়ে
তোলে। বলিউডও আছে এই তালিকায়।’ আফ্রিদি দাবি করছেন, তারা যখন ভারতে ১৯৯৯ সালে সিরিজ খেলতে গিয়েছিলেন, তখন ব্যাঙ্গালুরুতে তাদের ওপর হামলা হয়েছিল। আরও বহুবার তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হামলার কথা বলেই পাকিস্তানে আসতে চায় না ভারত। এই অবস্থায় পাকিস্তান ক্রিকেটের কি করা উচিত তাও বলেছেন আফ্রিদি, ‘পিসিবির এই মুহূর্তে লবিং শক্তিশালী করা। আইসিসির সঙ্গে এবং অন্য যত বোর্ড আছে সবার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক মজবুত করা উচিত।’ এক বিবৃতিতে আফ্রিদি দাবি করেছেন যেন ক্রিকেটের মতো খেলাধুলা নোংরা উত্তেজনার শিকার না হয়, ‘খেলাকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। ক্রিকেট দুই দেশের মানুষের আবেগের জায়গা, এটা যেন দ্বন্দ্বের কারণ না হয়।’ যদিও বিসিসিআই ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে
পাকিস্তানের সঙ্গে তারা কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে না। এমনকি তারা আইসিসি ও এসিসি ইভেন্টেও পাকিস্তানকে এড়িয়ে খেলতে চায়।
তোলে। বলিউডও আছে এই তালিকায়।’ আফ্রিদি দাবি করছেন, তারা যখন ভারতে ১৯৯৯ সালে সিরিজ খেলতে গিয়েছিলেন, তখন ব্যাঙ্গালুরুতে তাদের ওপর হামলা হয়েছিল। আরও বহুবার তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হামলার কথা বলেই পাকিস্তানে আসতে চায় না ভারত। এই অবস্থায় পাকিস্তান ক্রিকেটের কি করা উচিত তাও বলেছেন আফ্রিদি, ‘পিসিবির এই মুহূর্তে লবিং শক্তিশালী করা। আইসিসির সঙ্গে এবং অন্য যত বোর্ড আছে সবার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক মজবুত করা উচিত।’ এক বিবৃতিতে আফ্রিদি দাবি করেছেন যেন ক্রিকেটের মতো খেলাধুলা নোংরা উত্তেজনার শিকার না হয়, ‘খেলাকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। ক্রিকেট দুই দেশের মানুষের আবেগের জায়গা, এটা যেন দ্বন্দ্বের কারণ না হয়।’ যদিও বিসিসিআই ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে
পাকিস্তানের সঙ্গে তারা কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে না। এমনকি তারা আইসিসি ও এসিসি ইভেন্টেও পাকিস্তানকে এড়িয়ে খেলতে চায়।



