ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম, আজ থেকেই কার্যকর
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ দাঁড়াল ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকায়
শেখ হাসিনা সরকারের স্থাপিত ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় প্রথম বছরেই মুনাফা ২৩৩ কোটি টাকা
সরকারের দাবি ‘ছাড় দেওয়া হয়েছে’, কিন্তু বাজারে কমেনি নিত্যপণ্যের দাম: ওষ্ঠাগত সাধারণ মানুষের প্রাণ
লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৭ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে শেষ হলো রপ্তানির বছর
গ্যাসের অভাবে বন্ধ ৫৫০ কারখানা, ঝুলে আছে নতুন ১৮০০ আবেদন
গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল: ২০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে
কোটালীপাড়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের ২৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
গোপালগঞ্জ কোটালীপাড়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, তার স্ত্রী শিখা সরকার ও ব্যবসা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সুধীর কুমার সরকারের নামে ২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এদিন দুদকের সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তার এ আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নিজ নামে বিভিন্ন ব্যাংকে একাধিক হিসাব খুলে কর ফাঁকি ও অর্থের উৎস আড়াল করার জন্য লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে আরপি কনস্ট্রাকশনের হিসাবে ২০১ কোটি টাকা জমা ও উত্তোলন, নিজের নামে ১৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকা জমা, ৩১ কোটি ৭২ লাখ
টাকা উত্তোলন ও বর্তমানে ৪২ লাখ ৮২ হাজার টাকা স্থিতি রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, তার স্ত্রী শিখা সরকার এবং তার ব্যবসা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সুধীর কুমার সরকারের নামে ব্যাংক হিসাবগুলোতে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে ব্যাংক হিসাবগুলোতে রক্ষিত অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
টাকা উত্তোলন ও বর্তমানে ৪২ লাখ ৮২ হাজার টাকা স্থিতি রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, তার স্ত্রী শিখা সরকার এবং তার ব্যবসা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সুধীর কুমার সরকারের নামে ব্যাংক হিসাবগুলোতে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এসব ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে ব্যাংক হিসাবগুলোতে রক্ষিত অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।



