ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তানে আফগানিস্তানের পাল্টা বিমান হামলা, সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ
চুক্তিতে জয়-পরাজয়, ইরান ৭-১ যুক্তরাষ্ট্র
ছবি তোলা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ালেন ট্রাম্প-মেলোনি
‘কারও সহানুভূতি নেই’, ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ভ্যান্সের
একাত্তেরর লজ্জাজনক পরাজয়ের পর আবারও বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন
ঐতিহাসিক চুক্তিতে ইরানের বিজয়
পাকিস্তানের চা, আতিথেয়তা ও বিয়ের ঐতিহ্যের প্রেমে মার্কিন কূটনীতিক
সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে কুর্দিপন্থি প্রাদেশিক মেয়রকে সরাল তুরস্ক
সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর, নির্বাচিত কুর্দিপন্থি প্রাদেশিক মেয়রকে অপসারণ করেছে তুরস্ক। তার স্থানে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তার একজন রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ ভানের মেয়র ও কুর্দিপন্থি ডিইএম পার্টির সদস্য আবদুল্লাহ জেইদান ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা করার’ অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। এ কারণে তাকে পদচ্যুত করা হয়েছে এবং স্থানীয় গভর্নরকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চ মাসে স্থানীয় নির্বাচনের পর থেকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের কারণে তুরস্কজুড়ে ডিইএম পার্টির আট মেয়র এবং প্রধান
বিরোধী দল সিএইচপির দুই মেয়রকে তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিএইচপির আরেক মেয়র দরপত্র জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। তুরস্কের ৬০০ আসনের সংসদে ৫৭টি আসন ধরে রেখেছে ডিইএম পার্টি। তারা এই নিয়োগকে বেআইনি বলে উল্লেখ করেছে। এদিকে তুরস্কের বিরোধী রাজনীতিকরা একাধিক আইনি তদন্ত, আটক এবং গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হচ্ছেন। সমালোচকরা বিষয়টিকে সরকারের ভিন্নমত দমন এবং তাদের নির্বাচনি সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। তবে তুরস্কের সরকার এই মামলাগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন।
বিরোধী দল সিএইচপির দুই মেয়রকে তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিএইচপির আরেক মেয়র দরপত্র জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। তুরস্কের ৬০০ আসনের সংসদে ৫৭টি আসন ধরে রেখেছে ডিইএম পার্টি। তারা এই নিয়োগকে বেআইনি বলে উল্লেখ করেছে। এদিকে তুরস্কের বিরোধী রাজনীতিকরা একাধিক আইনি তদন্ত, আটক এবং গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হচ্ছেন। সমালোচকরা বিষয়টিকে সরকারের ভিন্নমত দমন এবং তাদের নির্বাচনি সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। তবে তুরস্কের সরকার এই মামলাগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে যে বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন।



