ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি: লেবাননে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত, তেহরানের জন্য কমল সময়
বাংলাদেশে তালেবান নেটওয়ার্কের বিস্তার: কূটনীতির নামে উগ্রবাদী তৎপরতা, উদ্বেগ ও বিবিধ প্রশ্ন
মিত্রদের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ করল ইরান, কারা আছেন তালিকায়
ইরানে পারমাণবিক হামলা করবেন কি না, জানালেন ট্রাম্প
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করল তেহরান
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাল আরেকটি মার্কিন রণতরি
হামলা হলে ‘কঠোর জবাব’ দেবে ইরান, প্রস্তুত ইসরায়েল
শনিবার তিন ইসরাইলিকে মুক্তি দিতে রাজি হামাস
ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তি মানছে না— এমন অভিযোগে দেশটির জিম্মিদের মুক্তি দিতে নারাজ ছিল ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এবার সেই অবস্থান থেকে ফিরে এলো সশস্ত্র সংগঠনটি। খবর টাইমস অব ইসরাইল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ইসরাইলি তিন জিম্মিকে মুক্তি দেবে তারা। হামাসের শীর্ষ কর্মকর্তা খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য কায়রোতে পৌঁছানোর একদিন পর এই বিবৃতি এলো।
হামাস বলছে, মিশর ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা গাজা উপত্যকায় মানবিক ত্রাণ প্রবাহ অব্যাহত রাখতে বাধা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে গত ১৯ জানুয়ারি হামাসের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। ওই সময় তাদের মধ্যে চুক্তি হয়, জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি গাজায় বিপুল পরিমাণ ত্রাণ ও
ভারী সরঞ্জাম প্রবেশে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। তবে দখলদাররা তাদের কথা রাখেনি। চুক্তি অনুযায়ী, যে পরিমাণ ত্রাণ পৌঁছানোর কথা ছিল, সেগুলো আসেনি। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য গাজায় ভারী সরঞ্জাম প্রবেশের কথা ছিল। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর প্রায় এক মাস হয়ে গেলেও এখনো এ ধরনের কোনো যন্ত্র গাজায় ঢোকেনি। এমনকি গাজায় আরও শতাধিক মানুষকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। চুক্তি লঙ্ঘনের জেরে গত সোমবার হামাস ঘোষণা দেয়, তারা শনিবার পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জিম্মিদের মুক্তি দেবে না। তাদের এ ঘোষণার পর যুদ্ধবিরতিটি ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে এটি যেন ভেস্তে না যায় সেজন্য কাজ শুরু করে মধ্যস্থতাকারীরা। এরপর এ সিদ্ধান্ত
এলো।
ভারী সরঞ্জাম প্রবেশে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। তবে দখলদাররা তাদের কথা রাখেনি। চুক্তি অনুযায়ী, যে পরিমাণ ত্রাণ পৌঁছানোর কথা ছিল, সেগুলো আসেনি। এ ছাড়া ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য গাজায় ভারী সরঞ্জাম প্রবেশের কথা ছিল। যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর প্রায় এক মাস হয়ে গেলেও এখনো এ ধরনের কোনো যন্ত্র গাজায় ঢোকেনি। এমনকি গাজায় আরও শতাধিক মানুষকে হত্যা করেছে ইসরাইলি সেনারা। চুক্তি লঙ্ঘনের জেরে গত সোমবার হামাস ঘোষণা দেয়, তারা শনিবার পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জিম্মিদের মুক্তি দেবে না। তাদের এ ঘোষণার পর যুদ্ধবিরতিটি ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে এটি যেন ভেস্তে না যায় সেজন্য কাজ শুরু করে মধ্যস্থতাকারীরা। এরপর এ সিদ্ধান্ত
এলো।



