ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
আলিবাবার বিনিয়োগ বন্ধ, ব্যবসা গোটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে দারাজ বাংলাদেশ
প্রবাসীদের বিক্ষোভের অতীত স্মৃতি স্মরণ করে লন্ডন সফর বাতিল করেন শফিকুল
অবশেষে মিটল ‘আয়নাঘর’ রহস্য! ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বেসমেন্টের জল বার করে দমকল দেখল কিছুই নেই
ঢাকায় ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে ‘আয়নাঘর’ রহস্য অবশেষে মিটল! ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনের পাশে নির্মীয়মাণ একটি ভবনে জলমগ্ন বেসমেন্টের হদিস পাওয়া যায়। তা নিয়ে কৌতূহলী জনতার অনেকেই সন্দেহ করতে থাকেন, সেখানে নাকি ‘আয়নাঘর’ রয়েছে। তা চাউর হতে বেশি দেরি হয়নি। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও রবিবার সকালে ৩২ নম্বর ধানমন্ডিতে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। নির্মীয়মাণ ভবনের বেসমেন্ট থেকে জল বার করেন তাঁরা। কিন্তু বিশেষ কিছুই পাওয়া যায়নি ওই বেসমেন্ট থেকে।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ জানিয়েছে, রবিবার সকাল ১০টা নাগাদ সেখানে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। পাম্পের সাহায্যে নির্মীয়মাণ ভবনটির ভূগর্ভস্থ তলে জমা জল বার করেন তাঁরা। বাংলাদেশি
সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দমকলের তিনটি ইউনিট জল বের করা শুরু করেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরে দমকল অফিসের আধিকারিক আফনান ইসলাম লিমন জানান, তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই জল বার করার জন্য। এর বেশি তাঁরা কিছু জানেন না। বিকেলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি বাংলা’ জানায়, জল বের করার পর সেখানে বিশেষ কিছুই পাননি দমকলকর্মীরা। দমকল অফিসের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে ‘বিবিসি বাংলা’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, জল বের করার পর ‘আয়নাঘর’ বা তেমন কিছুর সন্ধান মেলেনি। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে তাঁরা ওই বেসমেন্ট থেকে জল বার করেন। তিনি বলেন, “আমরা পাম্পের মাধ্যমে জল পাশের জলাশয়ে ফেলে পুরোপুরি বার করি। তবে সেখানে
আমরা কিছু পাইনি। এরপর আমরা সেখান থেকে চলে এসেছি।”
সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, দমকলের তিনটি ইউনিট জল বের করা শুরু করেছে। ঢাকার মোহাম্মদপুরে দমকল অফিসের আধিকারিক আফনান ইসলাম লিমন জানান, তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই জল বার করার জন্য। এর বেশি তাঁরা কিছু জানেন না। বিকেলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি বাংলা’ জানায়, জল বের করার পর সেখানে বিশেষ কিছুই পাননি দমকলকর্মীরা। দমকল অফিসের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা বলে ‘বিবিসি বাংলা’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, জল বের করার পর ‘আয়নাঘর’ বা তেমন কিছুর সন্ধান মেলেনি। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে তাঁরা ওই বেসমেন্ট থেকে জল বার করেন। তিনি বলেন, “আমরা পাম্পের মাধ্যমে জল পাশের জলাশয়ে ফেলে পুরোপুরি বার করি। তবে সেখানে
আমরা কিছু পাইনি। এরপর আমরা সেখান থেকে চলে এসেছি।”



