ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঋণে ডুবে থাকা রাষ্ট্র: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থ অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ বন্ধকের রাজনীতি
নির্বাচনের নামে দখলদার ইউনুসের বানানো মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে যা চলছে, তাকে এক কথায় বলা যায় সিট ভাগাভাগির নির্বাচন।
রক্তের দামে কেনা ইউনুসের ক্ষমতার খতিয়ান
ইউনুসনামা : ক্ষমতা দখলের পর থেকে ধ্বংসযজ্ঞের হিসাব
রাজনীতির চোরাবালি: আদর্শের বিসর্জন ও এক ‘অরসেলাইন’ নির্বাচনের আখ্যান
বিকাশে ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের ‘নীল নকশা’: ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন জিম্মি করার ভয়ানক ছক জামায়াতের
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন। আজ মঙ্গলবার আদালত সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।
দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন, খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেছিলেন। আবেদনে বলা হয়, খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। দুদক তাদের অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে, আর তদন্তে উঠে এসেছে যে তিনি বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছেন।
সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশযাত্রা রোধ করা প্রয়োজন। খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদে প্রথম এমপি নির্বাচিত হয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৫ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদে নিযুক্ত হন। ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করলে তাঁকে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি।
সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশযাত্রা রোধ করা প্রয়োজন। খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২০০৯ সালে নবম জাতীয় সংসদে প্রথম এমপি নির্বাচিত হয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। পরে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৫ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদে নিযুক্ত হন। ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগ আবার সরকার গঠন করলে তাঁকে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি।



