সীমান্তে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে: আখতার হোসেন – ইউ এস বাংলা নিউজ




সীমান্তে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে: আখতার হোসেন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ | ১০:০১ 8 ভিউ
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা সীমান্তে শান্তি চাই। কোনো ধরনের অশান্তি চাই না। তারপরও যদি বাংলাদেশের মানুষকে বারবার উসকানি দেওয়া হয় তাহলে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে। কারণ স্বাধীন ভূখণ্ড রক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘আগ্রাসন’ এবং বাংলাদেশিদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার রাতে মশাল শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলে ‘দিল্লির আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে

শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। আখতার হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দিনে-দুপুরে বিএসএফ এসে আমাদের ফসল নষ্ট করছে। তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করার সাহস দেখিয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষেরা তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষ পরাধীনতার স্বাদ আর কোনোভাবেই সহ্য করবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমাদের যে ভাইয়েরা আজকে বিজিবির সঙ্গে মিলে ভারতের আগ্রাসন রুখে দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দালাল খুনি হাসিনার পতনের পর দিল্লির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে নয়ছয় করার

চেষ্টা করছে। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এক এক ইঞ্চি জায়গা হারাতে দিব না। এজন্য বাংলার মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, ভারত বাংলাদেশের মানুষের পালস বুঝবে এবং তারা বাংলাদেশের উপর অযাচিত কোনো আগ্রাসন চালাবে না। কিন্তু যদি তা করা হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে। এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হঠাৎ কেন চীনা অ্যাপ রেডনোটে ঝুঁকছেন মার্কিনিরা সেদিনের লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিলেন কারিনা সাবেক ডেপুটি গভর্নরের বাসায় দুদকের অভিযান, ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা শুরু রেলের উন্নয়নে ৪৪ কোটি দেবে দক্ষিণ কোরিয়া হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তি কখন, জানাল ইসরাইল প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে রহিমার ঠাঁই হলো গোয়ালঘরে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নেতানিয়াহুর নিরাপত্তাসহ তিন মন্ত্রীর পদত্যাগ গাজায় ঐতিহাসিক যুদ্ধবিরতি শুরু স্পিনত্রয়ীর ঘূর্ণিতে তিন দিনেই জিতল পাকিস্তান বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় কৃষকদের বিরোধ এড়ানোর পরামর্শ বিএসএফের নাইজেরিয়ায় পেট্রলের ট্যাংকার বিস্ফোরণে ৭০ জন নিহত যুদ্ধবিরতির প্রাক্কালে ইসরাইলি হামলা, গাজায় এক পরিবারের ৫ সদস্য নিহত এক মাঘে শীত যায় না, এক জ্বরে রোগ যায় না ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন আইন প্রয়োগে কৃষিশিল্পে সংকট হতে পারে কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে বিতর্ক ভারতের ভেতরেও ঘরে ফেরার আশায় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিচ্ছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা মাহমুদউল্লাহর মতো নিজেকে প্রমাণ করে ফিরতে চান জিমি যুক্তরাজ্যে বিশাল সাম্রাজ্য দেশে চারজনসহ সারা বিশ্বে কারাবন্দি ৩৬১ সাংবাদিক