ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবি-স্থানীয়দের তৎপরতায় ব্যর্থ
হাতিরঝিলে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কাইল্যা পলাশ’ গুলিবিদ্ধ
পুশ ইন ঠেকাতে লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি, সতর্ক স্থানীয়রাও
সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযানের মধ্যেই খুলনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
ছারপোকা মারতে কারখানায় ‘গ্যাস ট্যাবলেট’, দুই শ্রমিকের মৃত্যু
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের হাতব্যাগ তৈরির এক কারখানায় ছারপোকা মারতে ‘গ্যাস ট্যাবলেট’ দেওয়ার পর সেখান থেকে দুই কর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে তারা কারখানার একটি ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। শনিবার দুপুরে তাদের মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুই শ্রমিকের মধ্যে মো. মোহনের বয়স ১২ বছর। আর আবু বক্কর সিদ্দিক নাঈমের বয়স ২১ বছর। নাঈম নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুরের ওজিউল্লাহর ছেলে। আর মোহন একই এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে। তারা দুজনেই রেক্সিনের হাতব্যাগ তৈরির ওই কারখানায় কাজ করতেন।
কামরাঙ্গীচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে কামরাঙ্গীচর কয়লাঘাট এলাকার শহিদুল্লাহর বাড়ি সাধন ভিলার নিচ তলা কক্ষ
থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে শনিবার মধ্যরাতে তাদের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। তিনি বলেন, গত ৩ জানুয়ারি রাতে ওই কারখানায় ছারপোকা মারার জন্য ঘরের ভেতর গ্যাস ট্যাবলেট (এলুমিনিয়াম ফসফাইড ট্যাবলেট) দেওয়া হয়। পরে রাতে রুটি খেয়ে দরজা জানালা বন্ধ করে কারখানার দুই শ্রমিক ওই ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন দুপুর ১টার দিকে নাঈমের আত্মীয় রিয়াজ তাকে ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে অন্যদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ঢুকে তোশকের ওপর দুজনের নিথর দেহ পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে শনিবার মধ্যরাতে তাদের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। তিনি বলেন, গত ৩ জানুয়ারি রাতে ওই কারখানায় ছারপোকা মারার জন্য ঘরের ভেতর গ্যাস ট্যাবলেট (এলুমিনিয়াম ফসফাইড ট্যাবলেট) দেওয়া হয়। পরে রাতে রুটি খেয়ে দরজা জানালা বন্ধ করে কারখানার দুই শ্রমিক ওই ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন দুপুর ১টার দিকে নাঈমের আত্মীয় রিয়াজ তাকে ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে অন্যদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ঢুকে তোশকের ওপর দুজনের নিথর দেহ পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্ত শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।



