ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
বীর প্রতীকের গলায় জুতার মালা দিয়েছে জামায়াতের কর্মীরা
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করেছে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতের কর্মীরা। ঘটনার ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় তারা। রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে চৌদ্দগ্রামের কুলিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ফেসবুকে ক্ষোভ জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির দল ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
ভিডিও ফুটেজ দেখে জামায়াতের কর্মীদের সনাক্ত করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে লাঞ্ছিতকারীরা হলেন- স্থানীয় জামায়াত কর্মী আবুল হাসেম, অহিদ, রাসেল, পলাশসহ ১০-১২ জন। জামায়াত কর্মী ও প্রবাসী আবুল হাসেম এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন।
দলের নেতাকর্মীদের এ ঘটনায় জড়িত থাকার প্রসঙ্গে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মো.
মাহফুজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, 'এ ঘটনার সাথে স্থানীয় জামায়াতের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। প্রবাসী আবুল হাসেম আমাদের দলের কেউ না। তবে সমর্থক কিংবা অনুসারী হলেও হতে পারে। এ বিষয়ে আরও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। জড়িতরা আমাদের কেউ হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা কানু করজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছেন। জামায়াত কর্মী আবুল হাসেম বলছেন- এই ছেলেটা ক্লাস এইটে পড়ে, তারেও মামলার আসামি দিছে। আমরা তো আওয়ামী লীগের সময় এলাকায় থাকতে পারিনি। আপনি বাকি ৮ বছর কই ছিলেন? আপনি এখন এলাকায় থাকতে পারবেন না।' বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের লুদিয়ারা এলাকার বাসিন্দা। লীগের কেন্দ্রীয়
কমিটির সদস্য। সাবেক রেলমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুল হকের সঙ্গে বিরোধ ছিল কানুর। আওয়ামী লীগের আমলে তার নামে একাধিক মামলা দেওয়া হয়। এ কারনে আট বছর এলাকায় যেতে পারেননি কানু। ঘটনার প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু বলেন, হঠাৎ আমাকে একা পেয়ে জোর করে ওরা জুতার মালা গালায় দিয়ে ভিডিও করেন। বিচার কার কাছে চাইব? মামলা দিয়ে আর কী হবে? তারা সবাই জামায়াতের রাজনীতি করে। আমি আওয়ামী লীগ করলেও বিগত দিনে তাদের কোনও ক্ষতি করিনি। উল্টো আওয়ামী লীগের এমপির রোষানলে পড়ে ৮ বছর এলাকা ছাড়া ছিলাম। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পর ওই মুক্তিযোদ্ধা মোবাইল ফোনে
বিষয়টি আমাকে অবগত করেছিলেন। এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ করবেন না বলেও জানান। তবে রাতে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার আবারও তাকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ দেবেন কি না বিষয়টি এখনও নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
মাহফুজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, 'এ ঘটনার সাথে স্থানীয় জামায়াতের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। প্রবাসী আবুল হাসেম আমাদের দলের কেউ না। তবে সমর্থক কিংবা অনুসারী হলেও হতে পারে। এ বিষয়ে আরও খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। জড়িতরা আমাদের কেউ হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা কানু করজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছেন। জামায়াত কর্মী আবুল হাসেম বলছেন- এই ছেলেটা ক্লাস এইটে পড়ে, তারেও মামলার আসামি দিছে। আমরা তো আওয়ামী লীগের সময় এলাকায় থাকতে পারিনি। আপনি বাকি ৮ বছর কই ছিলেন? আপনি এখন এলাকায় থাকতে পারবেন না।' বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের লুদিয়ারা এলাকার বাসিন্দা। লীগের কেন্দ্রীয়
কমিটির সদস্য। সাবেক রেলমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুল হকের সঙ্গে বিরোধ ছিল কানুর। আওয়ামী লীগের আমলে তার নামে একাধিক মামলা দেওয়া হয়। এ কারনে আট বছর এলাকায় যেতে পারেননি কানু। ঘটনার প্রসঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু বলেন, হঠাৎ আমাকে একা পেয়ে জোর করে ওরা জুতার মালা গালায় দিয়ে ভিডিও করেন। বিচার কার কাছে চাইব? মামলা দিয়ে আর কী হবে? তারা সবাই জামায়াতের রাজনীতি করে। আমি আওয়ামী লীগ করলেও বিগত দিনে তাদের কোনও ক্ষতি করিনি। উল্টো আওয়ামী লীগের এমপির রোষানলে পড়ে ৮ বছর এলাকা ছাড়া ছিলাম। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পর ওই মুক্তিযোদ্ধা মোবাইল ফোনে
বিষয়টি আমাকে অবগত করেছিলেন। এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ করবেন না বলেও জানান। তবে রাতে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার আবারও তাকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ দেবেন কি না বিষয়টি এখনও নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।



