কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশ থেকে ভারতের কূটনৈতিক মিশনের সদস্যদের পরিবারকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনো রুটিন প্রশাসনিক বিষয় নয়। এটি একটি নীরব কিন্তু গভীরভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বাস্তবতা নিয়ে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা বিপজ্জনকভাবে ক্ষয়ে গেছে। কূটনীতির ভাষায়, যখন কোনো রাষ্ট্র তার কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহার করে নেয়, তখন সেটি সম্ভাব্য ঝুঁকির সর্বোচ্চ সতর্কসংকেত। প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ এমন কোন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রতিবেশী রাষ্ট্রকেও এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে? ২০২৪–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় যারা নিজেদের বিজয়ী ভাবছে, তারা আদতে দেশকে কোন দিক নিয়ে যাচ্ছে এই প্রশ্ন এখন আর শুধু অভ্যন্তরীণ বিতর্কে সীমাবদ্ধ নয়। উগ্রবাদী রাজনীতির সঙ্গে আপস, সহিংস ও বিভাজনমূলক ভাষ্যকে

প্রশ্রয়, এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে আদর্শিক অন্ধত্ব এই সব মিলিয়েই বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক মানচিত্রে চিহ্নিত করছে। যে অগ্রগতির গল্প শোনানো হচ্ছে, বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে কূটনীতির দরজায়। আজ কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহার, আগামীকাল মিশন সীমিতকরণ, তারপর দূতাবাস বন্ধ এই ধারা বিশ্ব রাজনীতিতে বহুবার দেখা গেছে। ইতিহাস জানে, এর শেষ কোথায় গিয়ে ঠেকে। বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশকে বিশ্ব যেভাবে দেখছে, তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এটি কোনো স্থিতিশীল, আস্থা-জাগানো রাষ্ট্রের ছবি নয় বরং এমন এক রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি, যেখানে উগ্রতার প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান অনুপস্থিত, আর সেই শূন্যস্থান দখল করছে চরমপন্থা। এর পরিণতি আর কাগজে-কলমে নেই এটি বাস্তব জীবনে আঘাত

হানছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থবিরতা, বৈদেশিক লেনদেনে অনিশ্চয়তা, শ্রমবাজার সংকুচিত হওয়া, ভিসা প্রক্রিয়ায় অঘোষিত অবরোধ সব মিলিয়ে সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিক ক্রমেই একটি অদৃশ্য কিন্তু কঠিন দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে নিষ্ঠুর বাস্তবতা হলো এই বিপর্যয়ের মূল্য দেবে না উগ্র রাজনীতির সুবিধাভোগীরা। মূল্য দেবে সাধারণ মানুষ। যারা বিদেশে কাজ করতে চায়, যারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে চায়, যারা কেবল নিরাপদ ও স্থিতিশীল একটি দেশে বাঁচতে চায়। উগ্রবাদ সবসময়ই এই ফল চায় রাষ্ট্রকে একঘরে করা, অর্থনীতিকে দুর্বল করা, মানুষকে দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া। আজ যারা এই পরিস্থিতিতে উল্লাস করছে, কাল তারাই হবে এই আগুনের প্রথম শিকার। রাষ্ট্র যদি এখনও এই পথ থেকে সরে না আসে,

তবে আন্তর্জাতিক অবিশ্বাস আরও গভীর হবে। আর সেই অবিশ্বাসের ভার বইতে হবে পুরো জাতিকে যার দায় কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আকুর বড় অঙ্কের বিল দিয়েও ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ যেসব ভুলের কারণে ইরান যুদ্ধে হারতে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণ গেল, মোট মৃত্যু ৪০৯ ‘এই কাঁদুনেরা ফ্যাসিস্ট জামানায় নির্যাতনে উৎসাহ জোগাত’ যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান ইরান কখনোই শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল ট্রাম্পের হাতে কি এলিয়েনদের গোপন তথ্য? বিশ্বজুড়ে তোলপাড় করা দাবি বিজ্ঞানীর আদালতে বিচারকের সামনে নারী বিচারপ্রার্থীর বিষপান দেশের ১৮ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল ঢাবি প্রক্টরের পদত্যাগ বিষমাখা আম-লিচুতে সয়লাব বাজার আপিল বিভাগে আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই ভাগ না পেয়ে কাজ বন্ধ করলেন এমপি চাঁদ! মিরপুর স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটে আগুন বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসছেন সেই ক্রিস কোলম্যান? বিশ্ববাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম ৬ গাড়ি আর শতকোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট ছাড়াও বিজয়ের যত সম্পত্তি