বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম সংকটে, ইউনূস সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি’ নয়াদিল্লিতে ড. মোমেন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না

রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩

২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে?

রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা

আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি

শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম

বাংলাদেশ এখন ইতিহাসের ভয়াবহতম সংকটে, ইউনূস সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি’ নয়াদিল্লিতে ড. মোমেন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন অভিযোগ করেছেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) নয়াদিল্লির ‘ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়া’-তে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ’ বলে অভিহিত করেন এবং অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান। ড. মোমেন তার বক্তব্যে বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস নামেমাত্র নোবেল বিজয়ী, কিন্তু বাস্তবে তিনি একজন চরম দলীয় ও বিভেদ সৃষ্টিকারী শাসক। তার শাসনামলে দেশ অর্থনৈতিক ধস, অরাজকতা এবং চরম আইনহীনতার দিকে এগিয়ে গেছে।” সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ২০২৪ সালের আগস্ট

পর্যন্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের সঠিক পথে ছিল। তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে আমাদের গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৬% এবং দারিদ্র্যের হার ৪২% থেকে ১৮%-এ নামিয়ে আনা হয়েছিল। কিন্তু একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সেই সরকারকে উৎখাত করার পর থেকে দেশে অরাজকতা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।” ড. মোমেন অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রশাসন পদ্ধতিগতভাবে তিনটি গোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু করেছে: আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নাগরিক এবং হিন্দু সম্প্রদায়। তিনি বলেন, “ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণার মাধ্যমে সমাজকে বিভক্ত করা হয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, লুটপাট এবং ধর্মীয় উপাসনালয় ধ্বংস এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা নয়, বরং অপরাধের সহযোগী হওয়ার

শামিল।” বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রায় ৩০ লাখ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন এবং দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে কোটি মানুষ। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ, সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার এবং বিচার বিভাগকে ভীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তীব্র নিন্দা জানান তিনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনকে ‘প্রহসনমূলক’ আখ্যা দিয়ে ড. মোমেন বলেন, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। মিডিয়া রিপোর্টের বরাতে তিনি দাবি করেন, এখনো আওয়ামী লীগের প্রতি প্রায় ৭০% মানুষের সমর্থন রয়েছে। সংকট নিরসনে ড. মোমেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ৫টি সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করেন: ১. সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু

ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। ২. রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার। ৩. নির্বাচনের আগে সকল রাজবন্দি ও সাংবাদিকদের মুক্তি। ৪. সকল মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার। ৫. ড. ইউনূসের পদত্যাগ এবং একটি প্রকৃত নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার গঠন। বক্তব্যের শেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, “বাংলাদেশে যদি উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তবে তা কেবল সীমান্তের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের কোনো বিকল্প নেই।” তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ছাত্রলীগ নেতা দেশে ফিরেছেন ভেবে চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে পেটালো পুলিশ দিনাজপুরে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করলেন জামায়াতের গুপ্ত কর্মী তারেক নানা অজুহাতে সাধারণ কৃষকদের ধান ফেরত, প্রভাবশালীদের নিম্নমানের ধান কিনছে সরকার দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩ ২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে? ফায়ার স্টেশনের ভেতরে বহিরাগত নারী এনে আপত্তিকর নাচ-গানের আসর স্টেশন অফিসারের রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম শ্যুটার আসিফের পর ক্রিকেটার নাঈম: বিএনপি আমলে দুই ক্রীড়াবিদকে পুলিশি নির্যাতন ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি শিরোপাহীন দুই যুগ, কোন পথে ব্রাজিল? বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয় যেভাবে বিশ্ব ফ্যাশনের গতিপথ বদলে দিচ্ছে ফুটবল ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেফতার এডিসিকে ২৪ দিনে ৩ বার বদলি, নেপথ্যে কে?