ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
শেখ হাসিনার শেষ ৫ বছরে ১৬ হাজারের বেশি হত্যাকাণ্ড
শেখ হাসিনার শাসনামলের শেষ পাঁচ বছরে ১৬,০০০ এরও বেশি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যা প্রতিদিন গড়ে ৯ জনেরও বেশি মানুষের হত্যার ঘটনা। এছাড়াও, এই সময়ের মধ্যে প্রায় ২,৫০০ অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে ৯,৯৫৫টি ছিনতাইয়ের ঘটনা এবং ১,৬০০টি ডাকাতির মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের বিষয়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা মন্তব্য করেছেন, গত সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা অতিরিক্ত শক্তির ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে। তিনি বলেন, এটি কোনো নীতিগত
সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ নয়, বরং সরকারের গদি টিকিয়ে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা অপরাধের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী নূর খান উল্লেখ করেছেন, পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে প্রকৃত অবস্থা আরও ভয়াবহ ছিল বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতন বা তথাকথিত ক্রসফায়ারের মাধ্যমে ঘটেছে। নূর খান আরও বলেছেন, এই ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে, বিগত ১৫ বছরে ঘটে যাওয়া সব ধরনের অপহরণ, নির্যাতন ও গুম-খুনের ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, যদি অন্তর্বর্তী সরকার কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে সামাজিক অপরাধের হারও কমে আসবে। এই ভয়াবহ অপরাধের পরিসংখ্যান দেশের আইনশৃঙ্খলা এবং
বিচার ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠিয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।
সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ নয়, বরং সরকারের গদি টিকিয়ে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা অপরাধের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী নূর খান উল্লেখ করেছেন, পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে প্রকৃত অবস্থা আরও ভয়াবহ ছিল বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতন বা তথাকথিত ক্রসফায়ারের মাধ্যমে ঘটেছে। নূর খান আরও বলেছেন, এই ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে, বিগত ১৫ বছরে ঘটে যাওয়া সব ধরনের অপহরণ, নির্যাতন ও গুম-খুনের ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, যদি অন্তর্বর্তী সরকার কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে সামাজিক অপরাধের হারও কমে আসবে। এই ভয়াবহ অপরাধের পরিসংখ্যান দেশের আইনশৃঙ্খলা এবং
বিচার ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠিয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।



