ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৫ বছর আগেই ‘জাস্টিস ফর হাদি’ গ্রুপ: হাদি কিলিং মিশিন কি পুরনো ‘মেটিক্যুলাস ডিজাইন’?
যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতা? আবারও বদলে গেল পুলিশের পোশাক
অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় অতিষ্ঠ নগরবাসী: আওয়ামী লীগের মিছিল ক্রমশ দীর্ঘতর: বদলাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণ
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
প্রশাসনের সংবর্ধনায় মুক্তিযোদ্ধার ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান
কিশোরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আজ সোমবার বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা ছিল। সেখানে আলোচক হিসেবে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইদ্রিছ আলী ভূঁইয়া তাঁর বক্তব্য শেষ করেন ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে। এ সময় মিলনায়তনে উপস্থিত অন্য মুক্তিযোদ্ধারা করতালি দেন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদ আবু সাঈদের ছবি দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রচারিত পোস্টারের সমালোচনা করেন ইদ্রিছ আলী ভূঁইয়া। তিনি বলেন, একাত্তর আর ২৪-এর আগস্ট এক নয়। ৫ আগস্ট ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে। আর একাত্তরে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। পোস্টারে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি দেওয়া যেত।
এ সময় অন্য মুক্তিযোদ্ধারা করতালি দিয়ে সমর্থন ব্যক্ত করেন। এর পর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক দুই কমান্ডার কে এম মাহবুবুল আলম এবং মিজানুর রহমানও তাদের বক্তৃতায় ইদ্রিছ আলী ভূঁইয়ার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। তবে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘একাত্তরে হয়েছিল বিপ্লব, আর ৫ আগস্ট হয়েছে গণঅভ্যুত্থান। গত ১৬ বছর এই অনুষ্ঠানে আমরা মন খুলে কথা বলতে পারিনি। নির্দেশনা দেওয়া থাকত, কী বলা যাবে আর কী বলা যাবে না।’ অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, আমাদের একাত্তরের চেতনা ধারণ করতে হবে। একাত্তরের ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। তিনি একাত্তরের শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার
মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, সাবেক জেলা কমান্ডার এবি সিদ্দিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ফারুকী। অনুষ্ঠানের শুরুতে একাত্তরের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
এ সময় অন্য মুক্তিযোদ্ধারা করতালি দিয়ে সমর্থন ব্যক্ত করেন। এর পর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক দুই কমান্ডার কে এম মাহবুবুল আলম এবং মিজানুর রহমানও তাদের বক্তৃতায় ইদ্রিছ আলী ভূঁইয়ার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানান। তবে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘একাত্তরে হয়েছিল বিপ্লব, আর ৫ আগস্ট হয়েছে গণঅভ্যুত্থান। গত ১৬ বছর এই অনুষ্ঠানে আমরা মন খুলে কথা বলতে পারিনি। নির্দেশনা দেওয়া থাকত, কী বলা যাবে আর কী বলা যাবে না।’ অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, আমাদের একাত্তরের চেতনা ধারণ করতে হবে। একাত্তরের ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। তিনি একাত্তরের শহীদ ও নির্যাতিত মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার
মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, সাবেক জেলা কমান্ডার এবি সিদ্দিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ফারুকী। অনুষ্ঠানের শুরুতে একাত্তরের শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।



