ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেছেন, গত এক বছরে ২০০ থেকে ২৫০ গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে
‘দল হ্যারাই ভালো চালায়’—গ্যাস সংকটের ক্ষোভের মাঝেও আওয়ামী লীগসহ নির্বাচন চাইলেন চালক
বন্ধ ৩২৭ কারখানা, কর্মহীন দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক
ইউনুসের গণভোট প্রহসন : সংবিধান ও গণতন্ত্রের সাথে নগ্ন প্রতারণা
যে রাষ্ট্রে পুলিশ আর র্যাব নিজেরাই সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়
ইউনুসের দুর্নিবার লোভ, অদূরদর্শিতা ও অব্যবস্থাপনায় রমজানে শুরু হচ্ছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট
বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হাসান জুয়েলের প্রতি নিপীড়ক রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম অমানবিক ও হৃদয়বিদারক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
রাষ্ট্রপতির অপসারণে আপত্তি নেই বাম গণতান্ত্রিক জোটের
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণে আপত্তি নেই বাম গণতান্ত্রিক জোট নেতাদের। তবে অপসারণের প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক ভিত্তি কতটুকু আছে, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আরও আলোচনার প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। একই সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানে আহত-নিহতদের সঠিক তালিকা প্রকাশ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করতে সরকারকে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন জোটের নেতারা। মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে মুক্তিভবনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে তারা এসব কথা বলেন।
এর আগে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সর্বশেষ তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবৈধ ঘোষণার বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি করতে বৈঠক
হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন (প্রিন্স), বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আবদুল আলী এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু প্রমুখ। বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিট ধারণ করে ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের লড়াই আমাদের দরকার। জনগণের আকাক্সক্ষা অনুযায়ী এই লড়াই এগিয়ে নিতে
হবে। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই। তবে এটার প্রক্রিয়া কী হবে, সাংবিধানিক ভিত্তি কতটুকু আছে সেটা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে আহত-নিহতের তালিকা প্রকাশ, সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় মাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা ছাড়া জনগণের কাছে এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রশাসনকে আরও বেশি কার্যকরী ভূমিকায় কীভাবে আনা যায়, সেই বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকারকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। সে বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে। জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, গত ১৫ বছরে অনেক গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছিল। অনেক
মানুষ গুম ও শহিদ হয়েছেন। রাষ্ট্রপতি যদি এই অফিসে থাকে, সেই মানুষগুলোর সঙ্গে বেইমানি করা হবে। আমরা সেই মানুষগুলোর সঙ্গে বেইমানি করতে চাই না। আগামীতে কোনো রাজনৈতিক বা শক্তি এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিরোধিতা করে তাহলে আমরা সেই শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করব। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর জুলুম-নির্যাতন করেছে। কিন্তু তারা সেই ফ্যাসিস্টকে সরাতে পারেনি। দেশের জনগণ তাকে পালাতে বাধ্য করছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ মুখে আঙুল দিয়ে বসে থাকবে না।
হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন (প্রিন্স), বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আবদুল আলী এবং গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু প্রমুখ। বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিট ধারণ করে ফ্যাসিবাদ থেকে উত্তরণের লড়াই আমাদের দরকার। জনগণের আকাক্সক্ষা অনুযায়ী এই লড়াই এগিয়ে নিতে
হবে। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই। তবে এটার প্রক্রিয়া কী হবে, সাংবিধানিক ভিত্তি কতটুকু আছে সেটা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে আহত-নিহতের তালিকা প্রকাশ, সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে দ্রব্যমূল্যের অসহনীয় মাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা ছাড়া জনগণের কাছে এই সরকারের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রশাসনকে আরও বেশি কার্যকরী ভূমিকায় কীভাবে আনা যায়, সেই বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকারকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। সে বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে। জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, গত ১৫ বছরে অনেক গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছিল। অনেক
মানুষ গুম ও শহিদ হয়েছেন। রাষ্ট্রপতি যদি এই অফিসে থাকে, সেই মানুষগুলোর সঙ্গে বেইমানি করা হবে। আমরা সেই মানুষগুলোর সঙ্গে বেইমানি করতে চাই না। আগামীতে কোনো রাজনৈতিক বা শক্তি এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিরোধিতা করে তাহলে আমরা সেই শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করব। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর জুলুম-নির্যাতন করেছে। কিন্তু তারা সেই ফ্যাসিস্টকে সরাতে পারেনি। দেশের জনগণ তাকে পালাতে বাধ্য করছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ মুখে আঙুল দিয়ে বসে থাকবে না।



