ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!
আইনি সেবায় নতুন দিগন্ত: বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন এখন সবার নাগালে- এক ক্লিকেই
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
বিদিশা সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা ‘টেকনিক্যাল মব’: মনজিল মোরসেদ
একবার এফআইআর হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে
৯ বছর আগে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায় ঘোষণা
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলে ৯ বছর আগে হাজী আব্দুল লতিফ ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের গেট থেকে শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মো. গোলাম কবিরের আদালত এ রায় দেন।
দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে কারাভোগ করতে হবে।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- হাজী আ. লতিফ ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ও ভিকটিমের সহপাঠী শামীম হোসেন, তার দুই সহযোগী নাজমুল এবং জিলকদ।
সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সাজ্জাদ হোসেন (সবুজ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন রায় ঘোষণার আগে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো
হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার ভিকটিম হাজী আ. লতিফ ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। শামীমও একই কলেজে তার সঙ্গে পড়াশোনা করতো। ভিকটিম কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে শামীম তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। তবে ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ওই শিক্ষার্থী রায়েরবাগের বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে বের হন। বেলা ১১টার দিকে কলেজের গেটে পৌঁছান তিনি। সেখানে শামীম তার দুই সহযোগী নাজমুল এবং জিলকদকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। ভিকটিমকে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে তাকে মাতুয়াইলে নিয়ে তারা তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরেই যাত্রাবাড়ী
থানা পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার ভিকটিম হাজী আ. লতিফ ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। শামীমও একই কলেজে তার সঙ্গে পড়াশোনা করতো। ভিকটিম কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকে শামীম তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। তবে ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ ওই শিক্ষার্থী রায়েরবাগের বাসা থেকে কলেজের উদ্দেশে বের হন। বেলা ১১টার দিকে কলেজের গেটে পৌঁছান তিনি। সেখানে শামীম তার দুই সহযোগী নাজমুল এবং জিলকদকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। ভিকটিমকে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে তাকে মাতুয়াইলে নিয়ে তারা তিনজন মিলে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরেই যাত্রাবাড়ী
থানা পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।



