ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
সীমান্তের ১৮ ফাঁকফোকর দিয়ে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র
প্রথা ভেঙে বিএনপি অফিসে এনএসআই প্রধান, তারেক রহমানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক
ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে জেগে ওঠার শপথ: ৭৮-এ মানবিকতাই আমাদের হাতিয়ার
সীমান্তের ১৮ ফাঁকফোকর দিয়ে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র
৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ
দেশকে অন্ধকার থেকে বাঁচান’: ২০২৬-এর নতুন বছরে ঐক্যের ডাক শেখ হাসিনার
৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামীর রণধ্বনি
স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন ও শেখ হাসিনার ভিশন: ধ্বংসস্তূপ থেকে ফের উড়িবে বিজয় নিশান
১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি। বাংলা ও বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এই সংগঠন কেবল একটি নাম নয়, এটি বাঙালির আবেগের বাতিঘর। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রলীগ রক্ত দিয়েছে, নেতৃত্ব দিয়েছে। কিন্তু আজ, সংগঠনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সেই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের হৃদয় রক্তাক্ত, মন ভারাক্রান্ত।
আজ ৪ জানুয়ারি, অথচ টিএসসিতে কোনো উৎসবের আমেজ নেই, মধুর ক্যান্টিনে স্লোগানের ঝড় নেই। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কোনো কেক কাটার উৎসব নয়; এবারের
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলো শপথ নেওয়ার দিন, অস্তিত্ব রক্ষার দিন এবং দেশবিরোধীদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে পুনরুদ্ধারের দিন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ এক গভীর অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কথিত ‘সংস্কার’ ও ‘বিপ্লব’-এর নামে জেঁকে বসা ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার আজ স্বৈরাচারের চরম সীমা অতিক্রম করেছে। ক্ষমতার মসনদে বসেই তারা বেছে বেছে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে নির্মূল করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে। এর প্রধান লক্ষ্যবস্তু আর কেউ নয়—বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে শিউরে উঠতে হয়। তথাকথিত ‘বিপ্লবী’ সরকারের রোষানলে পড়ে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। এটি কেবল ছাত্রত্ব বাতিল নয়, এটি হলো মেধার গণহত্যা। একটি জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করার এর
চেয়ে জঘন্য চক্রান্ত আর কী হতে পারে? এখানেই শেষ নয়, গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধ লক্ষ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ মানবেতর জীবনযাপন করছে হাজারো মুজিব আদর্শের সৈনিক। রিমান্ডের নামে তাদের ওপর চালানো হচ্ছে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। অনেকের খোঁজ মিলছে না, গুমের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার। ছাত্রলীগ করা কি অপরাধ? দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলা কি অপরাধ? আজ সেই অপরাধেই যেন তাদের জান-মালের কোনো নিরাপত্তা নেই। আমরা অস্বীকার করছি না যে, বিগত সময়ে সংগঠনের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু আজ সময় এসেছে সত্যটা উচ্চকন্ঠে বলার। ছাত্রলীগের যে সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে, তার পেছনে মূল
কারিগর ছিল জামায়াত-শিবিরের অনুপ্রবেশকারীরা। তারা সুকৌশলে ছদ্মবেশে ছাত্রলীগে প্রবেশ করে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাদের মূল এজেন্ডা ছিল ছাত্রলীগকে জনবিচ্ছিন্ন করা এবং আওয়ামী লীগের অর্জনগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। আজ সেই ষড়যন্ত্রকারীরাই মুখোশ খুলে বেরিয়ে এসেছে এবং বর্তমান অরাজকতার নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা চেয়েছিল ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করতে, আর এখন তারা চায় ছাত্রলীগকে নিশ্চিহ্ন করতে। কিন্তু তারা জানে না, ছাত্রলীগ কোনো কচু পাতার পানি নয় যে টোকা দিলেই পড়ে যাবে। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে তাকালে লজ্জা ও ঘৃণায় মাথা নত হয়ে আসে। যে শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর, আজ তারা নজিরবিহীন অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। জোর করে পদত্যাগ করানো, গায়ে হাত তোলা এবং
অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা আজ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে পড়াশোনার কোনো পরিবেশ নেই, আছে কেবল ত্রাস আর ভীতির রাজত্ব। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ জিম্মি। ক্লাসরুমের বদলে ক্যাম্পাসে চলছে পেশিশক্তির মহড়া। জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাঙ্গনে যে সুষ্ঠু পরিবেশ এবং সেশনজটমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তা আজ ধূলিসাৎ। এই অস্থিতিশীলতা কেবল শিক্ষার ক্ষতি করছে না, পুরো জাতিকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শপথ: ভিন্নধর্মী উদযাপন ও রাজাকারের হাত থেকে দেশ উদ্ধার এবারের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোনো বিলাসিতায় গা ভাসাবে না। কেক কেটে উৎসব করার সময় এখন নয়। এখন সময় বারুদের মতো জ্বলে ওঠার। এবারের উদযাপন হবে ভিন্নধর্মী। প্রতিটি নেতাকর্মীকে শপথ নিতে হবে—যতদিন না এই
দেশ নব্য রাজাকার ও স্বৈরাচারী ইউনুস সরকারের কবল থেকে মুক্ত হচ্ছে, ততদিন আমরা ঘরে ফিরব না। রাজাকারদের প্রেতাত্মারা আজ দেশজুড়ে আস্ফালন করছে। তারা ভেবেছে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করে, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে তারা পার পেয়ে যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, এই দেশের মাটি ও মানুষের সাথে মিশে আছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমাদের শপথ হলো—এই দেশকে পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনা। রাজপথই আমাদের ঠিকানা, এবং রাজপথেই হবে ফয়সালা। ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠা ও শেখ হাসিনার ভিশন ইতিহাস সাক্ষী, ছাত্রলীগকে যতবার আঘাত করা হয়েছে, ছাত্রলীগ ততবার আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। আইয়ুব, মোনায়েম, জিয়া, এরশাদ—কেউ ছাত্রলীগকে দমাতে পারেনি। বর্তমানের এই স্বৈরাচারী সরকারও পারবে না। আমরা সেই
ফিনিক্স পাখি, যারা ভস্ম থেকে পুনরায় ডানা মেলে আকাশে ওড়ার ক্ষমতা রাখি। আমাদের নেতা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। সাময়িক এই বিপর্যয় আমাদের মনোবল ভাঙতে পারবে না। বরং এই বিপর্যয় আমাদের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা দিয়েছে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে আবারও কলম ও বইয়ের রাজত্ব কায়েম করব। সন্ত্রাস ও মৌলবাদমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ব। শেখ হাসিনার উন্নয়নের ভিশন বাস্তবায়নে ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে। যারা মনে করছে জেল, জুলুম, হুলিয়া আর নির্যাতন করে ছাত্রলীগকে দমিয়ে রাখা যাবে, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। ছাত্রলীগের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস, ত্যাগের ইতিহাস। কারাগারের শিকল আমাদের পায়ে পরাতে পারে, কিন্তু আমাদের আদর্শকে বন্দি করতে পারে না। আমাদের ভাইদের ওপর প্রতিটি নির্যাতনের জবাব আমরা কড়ায়-গণ্ডায় বুঝিয়ে দেব। প্রিয় সাধারণ শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজ যারা ভাবছেন ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন চলছে, তাতে আপনার কী? মনে রাখবেন, এই আগুন যখন আপনার ঘরে লাগবে, তখন নেভানোর কেউ থাকবে না। আজ মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে, ক্যাম্পাসে অরাজকতা চলছে—এসবের ভুক্তভোগী আপনিও। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করছে, যারা আপনাদের অধিকার হরণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। যার যার অবস্থান থেকে গর্জে উঠুন। ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের একটাই বার্তা—আমরা আসছি। আমরা ফিরব দ্বিগুণ শক্তিতে। অন্ধকারের এই চাদর ছিঁড়ে ভোরের সূর্য আমরাই ছিনিয়ে আনব। নব্য স্বৈরাচার ও রাজাকারদের পতনের ঘণ্টা বেজে গেছে। ছাত্রলীগের লাখো নেতাকর্মীর গগনবিদারী স্লোগানে প্রকম্পিত হবে বাংলার আকাশ-বাতাস। প্রস্তুত হও বাংলাদেশ, ফিনিক্স পাখি জেগে উঠছে! ডেভিড আরিফ সাবেক ছাত্র নেতা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা । জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী হলো শপথ নেওয়ার দিন, অস্তিত্ব রক্ষার দিন এবং দেশবিরোধীদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে পুনরুদ্ধারের দিন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ এক গভীর অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কথিত ‘সংস্কার’ ও ‘বিপ্লব’-এর নামে জেঁকে বসা ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার আজ স্বৈরাচারের চরম সীমা অতিক্রম করেছে। ক্ষমতার মসনদে বসেই তারা বেছে বেছে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে নির্মূল করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে। এর প্রধান লক্ষ্যবস্তু আর কেউ নয়—বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে শিউরে উঠতে হয়। তথাকথিত ‘বিপ্লবী’ সরকারের রোষানলে পড়ে আজ পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। এটি কেবল ছাত্রত্ব বাতিল নয়, এটি হলো মেধার গণহত্যা। একটি জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করার এর
চেয়ে জঘন্য চক্রান্ত আর কী হতে পারে? এখানেই শেষ নয়, গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধ লক্ষ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ মানবেতর জীবনযাপন করছে হাজারো মুজিব আদর্শের সৈনিক। রিমান্ডের নামে তাদের ওপর চালানো হচ্ছে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। অনেকের খোঁজ মিলছে না, গুমের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার। ছাত্রলীগ করা কি অপরাধ? দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলা কি অপরাধ? আজ সেই অপরাধেই যেন তাদের জান-মালের কোনো নিরাপত্তা নেই। আমরা অস্বীকার করছি না যে, বিগত সময়ে সংগঠনের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু আজ সময় এসেছে সত্যটা উচ্চকন্ঠে বলার। ছাত্রলীগের যে সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে, তার পেছনে মূল
কারিগর ছিল জামায়াত-শিবিরের অনুপ্রবেশকারীরা। তারা সুকৌশলে ছদ্মবেশে ছাত্রলীগে প্রবেশ করে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। তাদের মূল এজেন্ডা ছিল ছাত্রলীগকে জনবিচ্ছিন্ন করা এবং আওয়ামী লীগের অর্জনগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। আজ সেই ষড়যন্ত্রকারীরাই মুখোশ খুলে বেরিয়ে এসেছে এবং বর্তমান অরাজকতার নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারা চেয়েছিল ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করতে, আর এখন তারা চায় ছাত্রলীগকে নিশ্চিহ্ন করতে। কিন্তু তারা জানে না, ছাত্রলীগ কোনো কচু পাতার পানি নয় যে টোকা দিলেই পড়ে যাবে। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে তাকালে লজ্জা ও ঘৃণায় মাথা নত হয়ে আসে। যে শিক্ষকরা জাতির মেরুদণ্ড গড়ার কারিগর, আজ তারা নজিরবিহীন অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। জোর করে পদত্যাগ করানো, গায়ে হাত তোলা এবং
অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা আজ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনে পড়াশোনার কোনো পরিবেশ নেই, আছে কেবল ত্রাস আর ভীতির রাজত্ব। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আজ জিম্মি। ক্লাসরুমের বদলে ক্যাম্পাসে চলছে পেশিশক্তির মহড়া। জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষাঙ্গনে যে সুষ্ঠু পরিবেশ এবং সেশনজটমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করেছিলেন, তা আজ ধূলিসাৎ। এই অস্থিতিশীলতা কেবল শিক্ষার ক্ষতি করছে না, পুরো জাতিকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। শপথ: ভিন্নধর্মী উদযাপন ও রাজাকারের হাত থেকে দেশ উদ্ধার এবারের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোনো বিলাসিতায় গা ভাসাবে না। কেক কেটে উৎসব করার সময় এখন নয়। এখন সময় বারুদের মতো জ্বলে ওঠার। এবারের উদযাপন হবে ভিন্নধর্মী। প্রতিটি নেতাকর্মীকে শপথ নিতে হবে—যতদিন না এই
দেশ নব্য রাজাকার ও স্বৈরাচারী ইউনুস সরকারের কবল থেকে মুক্ত হচ্ছে, ততদিন আমরা ঘরে ফিরব না। রাজাকারদের প্রেতাত্মারা আজ দেশজুড়ে আস্ফালন করছে। তারা ভেবেছে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করে, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে তারা পার পেয়ে যাবে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে, এই দেশের মাটি ও মানুষের সাথে মিশে আছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। আমাদের শপথ হলো—এই দেশকে পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনা। রাজপথই আমাদের ঠিকানা, এবং রাজপথেই হবে ফয়সালা। ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠা ও শেখ হাসিনার ভিশন ইতিহাস সাক্ষী, ছাত্রলীগকে যতবার আঘাত করা হয়েছে, ছাত্রলীগ ততবার আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। আইয়ুব, মোনায়েম, জিয়া, এরশাদ—কেউ ছাত্রলীগকে দমাতে পারেনি। বর্তমানের এই স্বৈরাচারী সরকারও পারবে না। আমরা সেই
ফিনিক্স পাখি, যারা ভস্ম থেকে পুনরায় ডানা মেলে আকাশে ওড়ার ক্ষমতা রাখি। আমাদের নেতা দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর ভিশন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। সাময়িক এই বিপর্যয় আমাদের মনোবল ভাঙতে পারবে না। বরং এই বিপর্যয় আমাদের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা দিয়েছে। আমরা শিক্ষাঙ্গনে আবারও কলম ও বইয়ের রাজত্ব কায়েম করব। সন্ত্রাস ও মৌলবাদমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ব। শেখ হাসিনার উন্নয়নের ভিশন বাস্তবায়নে ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করবে। যারা মনে করছে জেল, জুলুম, হুলিয়া আর নির্যাতন করে ছাত্রলীগকে দমিয়ে রাখা যাবে, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। ছাত্রলীগের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস, ত্যাগের ইতিহাস। কারাগারের শিকল আমাদের পায়ে পরাতে পারে, কিন্তু আমাদের আদর্শকে বন্দি করতে পারে না। আমাদের ভাইদের ওপর প্রতিটি নির্যাতনের জবাব আমরা কড়ায়-গণ্ডায় বুঝিয়ে দেব। প্রিয় সাধারণ শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজ যারা ভাবছেন ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন চলছে, তাতে আপনার কী? মনে রাখবেন, এই আগুন যখন আপনার ঘরে লাগবে, তখন নেভানোর কেউ থাকবে না। আজ মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে, ক্যাম্পাসে অরাজকতা চলছে—এসবের ভুক্তভোগী আপনিও। যারা দেশকে অস্থিতিশীল করছে, যারা আপনাদের অধিকার হরণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। যার যার অবস্থান থেকে গর্জে উঠুন। ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের একটাই বার্তা—আমরা আসছি। আমরা ফিরব দ্বিগুণ শক্তিতে। অন্ধকারের এই চাদর ছিঁড়ে ভোরের সূর্য আমরাই ছিনিয়ে আনব। নব্য স্বৈরাচার ও রাজাকারদের পতনের ঘণ্টা বেজে গেছে। ছাত্রলীগের লাখো নেতাকর্মীর গগনবিদারী স্লোগানে প্রকম্পিত হবে বাংলার আকাশ-বাতাস। প্রস্তুত হও বাংলাদেশ, ফিনিক্স পাখি জেগে উঠছে! ডেভিড আরিফ সাবেক ছাত্র নেতা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা । জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।



