ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘গুম’ থাকা আয়েশা ৭ বছর পর ফিরলেন জীবিত!
নীরবতাও অপরাধ: ইউনূসের অরাজকতা আর দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্রে নীরব থাকা আনু মুহাম্মদ গংও অপরাধী
১৯৬৫-র যুদ্ধ থেকে তারেক রহমানের বর্তমান নীতি: জিয়া-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক ব্যবচ্ছেদ
হাম থেকে বেঁচে ফিরলেও শিশুদের মস্তিষ্কের ভয়ঙ্কর ঝুঁকি, আসছে বছরগুলোয় এসএসপিই’র শঙ্কা
‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: হাম-রুবেলার হাত ধরে ফিরে এলো চার দশক আগে বিলুপ্ত গুটি বসন্ত, শিক্ষকের মৃত্যু
দেশের জন্য সতর্কবার্তা
৪ লাখ ৬৮ হাজার পদ শূন্য, নিয়োগ হচ্ছে না যেসব কারণে
৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো কি এখন অপরাধ? ইতিহাসকে কি গ্রেপ্তার করা যাবে?
জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান–এর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর “অপরাধে” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮–১৯ সেশনের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ সৈকতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুধু নিজের উদ্যোগে জাতির ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করানোর জন্য একজন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—এটা শুধু একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, এটি সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার ওপর আঘাত।
৭ই মার্চের ভাষণ কোনো সাধারণ বক্তৃতা নয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকনির্দেশনা, এটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেই ভাষণই বাঙালি জাতিকে সংগ্রামের ডাক দিয়েছিল, সেই ভাষণই পুরো জাতিকে স্বাধীনতার পথে একত্রিত করেছিল।
বাংলাদেশে কি তাহলে ৭ই মার্চের
ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ হয়ে গেল? ইতিহাসের দলিল বাজানো কি অপরাধ? মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করা কি এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে? একজন শিক্ষার্থী নিজের উদ্যোগে জাতির ঐতিহাসিক ভাষণ বাজিয়েছে—আর তার ফলাফল গ্রেপ্তার! এটি শুধু অযৌক্তিক নয়, এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। যারা ইতিহাসকে ভয় পায়, তারাই ইতিহাসকে দমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু ইতিহাস কখনো কারো ইচ্ছায় মুছে যায় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, ৭ই মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোনো ব্যক্তির অনুমতির বিষয় নয়—এগুলো এই জাতির আত্মপরিচয়। অবিলম্বে আসিফ আহমেদ সৈকতের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। ইতিহাসকে অপরাধ বানানোর এই অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।
ভাষণ বাজানো নিষিদ্ধ হয়ে গেল? ইতিহাসের দলিল বাজানো কি অপরাধ? মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করা কি এখন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে? একজন শিক্ষার্থী নিজের উদ্যোগে জাতির ঐতিহাসিক ভাষণ বাজিয়েছে—আর তার ফলাফল গ্রেপ্তার! এটি শুধু অযৌক্তিক নয়, এটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। যারা ইতিহাসকে ভয় পায়, তারাই ইতিহাসকে দমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু ইতিহাস কখনো কারো ইচ্ছায় মুছে যায় না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, ৭ই মার্চের ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোনো ব্যক্তির অনুমতির বিষয় নয়—এগুলো এই জাতির আত্মপরিচয়। অবিলম্বে আসিফ আহমেদ সৈকতের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। ইতিহাসকে অপরাধ বানানোর এই অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে।



