ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ
নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
লেবুর ভরি একশো বিশ, তারেক সাহেবের ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’টা এখন পরিষ্কার!
দুদকের মামলা প্রত্যাহারের বিনিময়ে চাকরি বাগিয়েছেন সাবেক প্রেস উইং কর্মকর্তারা!
জাইমার নাইটক্লাবের ভিডিও ভাইরালের নেপথ্যে জামায়াতি বট বাহিনী!
৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ?
একজন নেদারল্যান্ডস এর পাসপোর্টধারী নাগরিককে কোন যোগ্যতাবলে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ করা হলো? এই প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস। উত্তর দিতে না পারলেও ৫৫০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের নজরদারিতে থাকা এই দুর্নীতিবাজ ফয়েজের সাথে ইউনূসেরও ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত থাকা সন্দেহ একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
গ্রামীণফোনের ৩৯ শতাংশের মালিকানা রয়েছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস নিয়ন্ত্রিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমের। ফয়েজের বিরুদ্ধে অভিযোগ সুদখোর-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের স্বার্থ চরিতাত্র করতেই গ্রামীণফোনকে নীতিমালার বাইরে বিভিন্ন সুবিধাদি দিয়েছে এই ব্যক্তি। নির্বাচনের আগে অনেকটা একচেটিয়াভাবেই তড়িঘড়ি করে ৭০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ গ্রামীণফোনের নামে ১৩ বছর মেয়াদে বরাদ্দ করার ব্যবস্থা করেছে ফয়েজ আহমদ তৈয়ব।
এছাড়াও নগদের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙ্গে দিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠদের পদায়ন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিটিসিএল এর অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিলো ১৬৫ কোটি টাকা। কোন কারণ ছাড়াই ফয়েজ আহমদ তৈয়বের উদ্যোগে ব্যয় বাড়িয়ে ৩২৬ কোটি টাকা ধার্য করা হয় শুধুমাত্র লোপাটের উদ্দেশ্যে। জানা যায়, দেশত্যাগের সময়ে তৈয়্যবের নিকট কোন জিও বা সরকারি অনুমতি ছিলো না। এমনকি এই দুর্নীতিবাজের দেশত্যাগে বিস্ময় প্রকাশ করেছে স্বয়ং দুদকও। নেদারল্যান্ডস থেকে একটা চোরকে উড়িয়ে এনে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ইউনূসের বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে ইউনূসের স্বার্থেই রাষ্ট্রের টাকা লোপাট করার এসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিলো ফয়েজ আহমদ তৈয়বকে। চুরি শেষ হয়ে গেলে গোপনে দেশ ত্যাগের সব রকম
ব্যবস্থাই করে দেয় দেশলুটের মাস্টারমাইন্ড আরেক জালিয়াত ফ্যাসিস্ট ইউনূস। ফয়েজের সাথে ইউনূস সহ আরও অনেকের জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় ফয়েজের পলায়ন পরবর্তী কিছু ফেসবুক স্ট্যাটাসে, যেখানে বলা হয়— ফয়েজ মুখ খুললে অনেকেই বিপদে পড়বে ভবিষ্যতে।
এছাড়াও নগদের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙ্গে দিয়ে নিজের ঘনিষ্ঠদের পদায়ন করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিটিসিএল এর অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ছিলো ১৬৫ কোটি টাকা। কোন কারণ ছাড়াই ফয়েজ আহমদ তৈয়বের উদ্যোগে ব্যয় বাড়িয়ে ৩২৬ কোটি টাকা ধার্য করা হয় শুধুমাত্র লোপাটের উদ্দেশ্যে। জানা যায়, দেশত্যাগের সময়ে তৈয়্যবের নিকট কোন জিও বা সরকারি অনুমতি ছিলো না। এমনকি এই দুর্নীতিবাজের দেশত্যাগে বিস্ময় প্রকাশ করেছে স্বয়ং দুদকও। নেদারল্যান্ডস থেকে একটা চোরকে উড়িয়ে এনে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় ইউনূসের বিশেষ সহকারী পদে নিয়োগ দিয়ে ইউনূসের স্বার্থেই রাষ্ট্রের টাকা লোপাট করার এসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিলো ফয়েজ আহমদ তৈয়বকে। চুরি শেষ হয়ে গেলে গোপনে দেশ ত্যাগের সব রকম
ব্যবস্থাই করে দেয় দেশলুটের মাস্টারমাইন্ড আরেক জালিয়াত ফ্যাসিস্ট ইউনূস। ফয়েজের সাথে ইউনূস সহ আরও অনেকের জড়িত থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় ফয়েজের পলায়ন পরবর্তী কিছু ফেসবুক স্ট্যাটাসে, যেখানে বলা হয়— ফয়েজ মুখ খুললে অনেকেই বিপদে পড়বে ভবিষ্যতে।



