ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে
২ ঘণ্টা পর হাজারীবাগের তিন ট্যানারি কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর হাজারীবাগে শনিবার (২১ জুন) মধ্যরাতে রাতে তিনটি ট্যানারি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রাত ১টার দিকে বাশার লেদার কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ইউসুফ লেদার ও ফেনী লেদার কারখানায়।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা আগুন নেভাতে তৎপর হন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাত পৌনে ২টার দিকে।
প্রথমে দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে, পরে আরও দুটি ইউনিট যুক্ত হয়। সরু রাস্তা ও পানির স্বল্পতার কারণে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা। তবে সম্পূর্ণভাবে আগুন নির্বাপণ করতে ভোর ৬টা পর্যন্ত সময় লাগে।
হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র
স্টেশন অফিসার সুভাস বাড়ই জানান, মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের দুটি—মোট চারটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফেনী লেদার ট্যানারির নিরাপত্তাকর্মী মো. আনিস মোল্লা জানান, ‘রাত ২টার দিকে ডিউটিতে ছিলাম। হঠাৎ দেখি বাশার লেদারের খেলনার কারখানায় আগুন লাগে, এরপর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দুটি ট্যানারিতে। অসাবধানতার কারণে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছি। কারখানাগুলোতে কেমিকেল ও প্লাস্টিক জাতীয় দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’ প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে আশঙ্কা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
স্টেশন অফিসার সুভাস বাড়ই জানান, মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের দুটি—মোট চারটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফেনী লেদার ট্যানারির নিরাপত্তাকর্মী মো. আনিস মোল্লা জানান, ‘রাত ২টার দিকে ডিউটিতে ছিলাম। হঠাৎ দেখি বাশার লেদারের খেলনার কারখানায় আগুন লাগে, এরপর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দুটি ট্যানারিতে। অসাবধানতার কারণে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছি। কারখানাগুলোতে কেমিকেল ও প্লাস্টিক জাতীয় দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’ প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে আশঙ্কা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।



