ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আভাস
পৌষের শীতে কাঁপছে ঢাকা, তাপমাত্রা কমে ১২ ডিগ্রি
বইহীন শিক্ষাবর্ষ
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
স্বস্তির রাষ্ট্র থেকে অস্থিরতার বাংলাদেশ,এক ব্যর্থ শাসনের নির্মম বাস্তবতা
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে, বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলবনা।
একাত্তরে তাঁদের সাহস, দৃঢ়তা আর সংকল্প আমাদের এনে দিয়েছিল স্বাধীনতা
২০২৫ সাল বাংলাদেশে সাংবাদিকদের জন্য একটি বিপজ্জনক বছর
বাংলাদেশে ২০২৫ সাল সাংবাদিকদের জন্য ছিল এক অভাবনীয় ঝুঁকিপূর্ণ সময়। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা যে দ্রুত অবনতির দিকে এগোচ্ছে, সেই বাস্তব চিত্রই এই বছরে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)–এর ২০২৫ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদনে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের ওপর হয়রানি, নির্যাতন ও নিপীড়নের অন্তত ৩৮১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এই পরিসংখ্যান সংবাদমাধ্যমের ওপর চলমান পদ্ধতিগত চাপ এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসর ক্রমাগত সংকুচিত হওয়ার বাস্তবতা তুলে ধরে।
নথিভুক্ত ঘটনাগুলোর মধ্যে ২৩টি ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে—যেখানে সাংবাদিকদের নির্যাতন, হয়রানি কিংবা হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। এতে রাষ্ট্রীয়
সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া অন্তত ২০ জন সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন এবং ১২৩ জন সাংবাদিক তাদের পেশাগত কাজের প্রতিশোধ হিসেবে দায়ের করা বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার সম্মুখীন হচ্ছেন। ২০২৫ সালে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক সহিংসতার ঘটনাও ছিল উদ্বেগজনক। বিশেষ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার সাংবাদিক গ্রেপ্তার ও আটক করার একটি নতুন এবং ভয়ংকর দমনমূলক কৌশল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না ও আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার বিশেষভাবে আলোচিত। আনিস আলমগীর এখনও কারাবন্দী রয়েছেন, যা সমালোচনামূলক কণ্ঠরোধে আইনের অপব্যবহার এবং নির্বিচার আটক নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোও সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও
দ্য ডেইলি স্টার–এর কার্যালয়ে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত জনতা ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। শুধু শারীরিক ধ্বংসযজ্ঞেই সীমাবদ্ধ না থেকে এসব গোষ্ঠী সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণেরও চেষ্টা করেছে—কোন খবর কীভাবে প্রকাশিত হবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে। সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর ওপর চাপ আরও প্রকট হয়ে ওঠে। জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স (জেএ) নামের একটি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তিনটি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যালয় ঘেরাও করার হুমকি দেওয়ার পর অন্তত তিনজন ব্রডকাস্ট সাংবাদিক চাকরি হারান। তাদের ‘অপরাধ’ ছিল সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে কিছু কঠিন কিন্তু যৌক্তিক প্রশ্ন করা। এই ঘটনাগুলো এমন এক বাস্তবতা তুলে ধরে, যেখানে উগ্র জনতার চাপ ও ভীতি প্রদর্শন সাংবাদিকতার সীমারেখা নির্ধারণ করে
দিচ্ছে। এই চিত্রগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর থেকেই সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে যে দমনমূলক প্রবণতা শুরু হয়েছিল, ২০২৫ সালে তা আরও গভীর হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের সহিংসতা সংক্রান্ত বিতর্কিত মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত ২০২৫ সালজুড়েই কারাবন্দী ছিলেন। এ ছাড়া শত শত সাংবাদিক এমন সব মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন, যেগুলো মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভাষায় ‘মিথ্যা কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। এসব মামলা সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, জীবিকা এবং পেশাগত কাজ করার সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়। ধারাবাহিক হয়রানি, অপরাধী হিসেবে চিত্রায়ন এবং ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এমন এক
পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে গণতন্ত্রের অপরিহার্য ভিত্তি হিসেবে নয়, বরং একটি ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া অন্তত ২০ জন সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন এবং ১২৩ জন সাংবাদিক তাদের পেশাগত কাজের প্রতিশোধ হিসেবে দায়ের করা বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার সম্মুখীন হচ্ছেন। ২০২৫ সালে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক সহিংসতার ঘটনাও ছিল উদ্বেগজনক। বিশেষ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার সাংবাদিক গ্রেপ্তার ও আটক করার একটি নতুন এবং ভয়ংকর দমনমূলক কৌশল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না ও আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার বিশেষভাবে আলোচিত। আনিস আলমগীর এখনও কারাবন্দী রয়েছেন, যা সমালোচনামূলক কণ্ঠরোধে আইনের অপব্যবহার এবং নির্বিচার আটক নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোও সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও
দ্য ডেইলি স্টার–এর কার্যালয়ে রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত জনতা ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। শুধু শারীরিক ধ্বংসযজ্ঞেই সীমাবদ্ধ না থেকে এসব গোষ্ঠী সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণেরও চেষ্টা করেছে—কোন খবর কীভাবে প্রকাশিত হবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছে। সম্প্রচার মাধ্যমগুলোর ওপর চাপ আরও প্রকট হয়ে ওঠে। জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স (জেএ) নামের একটি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তিনটি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যালয় ঘেরাও করার হুমকি দেওয়ার পর অন্তত তিনজন ব্রডকাস্ট সাংবাদিক চাকরি হারান। তাদের ‘অপরাধ’ ছিল সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে কিছু কঠিন কিন্তু যৌক্তিক প্রশ্ন করা। এই ঘটনাগুলো এমন এক বাস্তবতা তুলে ধরে, যেখানে উগ্র জনতার চাপ ও ভীতি প্রদর্শন সাংবাদিকতার সীমারেখা নির্ধারণ করে
দিচ্ছে। এই চিত্রগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর থেকেই সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে যে দমনমূলক প্রবণতা শুরু হয়েছিল, ২০২৫ সালে তা আরও গভীর হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের সহিংসতা সংক্রান্ত বিতর্কিত মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত ২০২৫ সালজুড়েই কারাবন্দী ছিলেন। এ ছাড়া শত শত সাংবাদিক এমন সব মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন, যেগুলো মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ভাষায় ‘মিথ্যা কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’। এসব মামলা সাংবাদিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, জীবিকা এবং পেশাগত কাজ করার সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সামগ্রিকভাবে, ২০২৫ সালের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এক গভীর সংকটের ইঙ্গিত দেয়। ধারাবাহিক হয়রানি, অপরাধী হিসেবে চিত্রায়ন এবং ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এমন এক
পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে গণতন্ত্রের অপরিহার্য ভিত্তি হিসেবে নয়, বরং একটি ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।



