১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ

১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৩:৩৪ 6 ভিউ
১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ। গ্রাম থেকে শহর, নদী থেকে জনপদ সবখানে কান্না, আগুন আর প্রতিরোধ। সেই সময় একদল মানুষ বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল স্বাধীনতার পক্ষে, আর আরেকদল দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পাশে রাজাকার, আলবদর, আলশামস হয়ে। ২৫ মার্চের কালরাতে যখন নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তখন কে কোন পাশে ছিল ইতিহাস তা স্পষ্ট করে রেখেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে লাখো শহীদ প্রাণ দিয়ে প্রমাণ করেছেন, এই দেশ মাথা নত করবে না। বিজিয় ছিনিয়ে এনেছে, বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করে স্বাধীন করেছে। কিন্তু আজ? যারা সেই স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যারা এই লাল-সবুজ

পতাকাকে মেনে নেয়নি, তাদের আদর্শের উত্তরাধিকারীরা যদি স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদে যায় এটা কি শুধু রাজনৈতিক ঘটনা? না, এটা ইতিহাসের কালো অধ্যায়। এই সংসদে দাঁড়িয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, বাংলাদেশে রাজাকারদের কোনো স্থান নেই। জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইন করে। সেই বিচার শুধু আদালতের রায় ছিল না, ছিল জাতির আত্মসম্মানের পুনরুদ্ধার। অথচ ষড়যন্ত্রকারীদের কালো থাবায় আজ আবার সেই অন্ধকার শক্তি, দেশবিরোধী রাজাকারেরা সংসদের দরজায় কড়া নাড়ছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে আমরা কি ভুলে গেছি বধ্যভূমির হাহাকার? আমরা কি ভুলে গেছি মায়ের কান্না, বোনের আর্তনাদ, শহীদের রক্ত? সংসদ কেবল ক্ষমতার আসন নয়, এটি শহীদদের আত্মত্যাগের উপর দাঁড়িয়ে থাকা এক পবিত্র প্রতিষ্ঠান। সংসদ হচ্ছে

একটি জাতির মর্যাদার প্রতীক। আর সেখানে স্বাধীনতার বিরোধী আদর্শের প্রতিনিধিত্ব মানে ৭১-এর চেতনাকে অস্বীকার করা। মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করা। সংসদে দাঁড়িয়ে আইন প্রণয়ন করবে এমন কেউ, যে আদর্শগতভাবে এই দেশের জন্মের বিরোধী ছিল এটা কি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা নয়? রাজাকার সংসদে যাবে এ খবর শুনে শুধু রাজনৈতিক ক্ষোভ নয়, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। কারণ এটা দলীয় প্রশ্ন নয়, এটা অস্তিত্বের প্রশ্ন। স্বাধীনতার প্রশ্ন। ইতিহাসের প্রশ্ন। এই লজ্জা শুধু একজন বাঙালির নয়, একটি দলের নয়, এ লজ্জা পুরো জাতির। আজ যদি আমরা চুপ থাকি, তাহলে আগামী প্রজন্ম জিজ্ঞেস করবে "তোমরা কীভাবে মেনে নিলে?” এই নীরবতা হবে বিশ্বাসঘাতকতা। তাই স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, রাজাকারদের জন্য এই সংসদ নয়। স্বাধীনতা

বিরোধীদের জন্য এই বাংলাদেশ নয়। আজ নীরব থাকা মানে ইতিহাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। আজ চুপ থাকা মানে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করা। স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তিকে একতাবদ্ধ হতে হবে। আমরা বীরের জাতি, আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। এই দেশবিরোধী রাজাকারদের উচ্ছেদ করতেই হবে, জাতিকে আবারও কলঙ্কমুক্ত করতেই হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ কার্টনে পানি, ইতিহাসে তেল : ক্ষমতায় এসেই বিএনপির পুরনো অভ্যাস নতুন মোড়কে ৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো বাঙালীর দ্রোহের ভাষা, প্রতিবাদী হুঙ্কার, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর শিষ্টাচারের কি কুৎসিত অবনতি! জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম বহুমুখী সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাক খাত: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট ৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ বিএনপি ক্ষমতা নেওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮ ড. খলিলুর রহমান: পর্দার আড়ালের এক ভয়ঙ্কর ‘কিংমেকার’ ১৯৭১ শেষ হয়নি, ডালিম-ফারুকের রিলে রেস থামেনি, শুধু দৌড়বিদ বদলেছে টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয় লাশের মিছিল থামছেই না — আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার নৃশংস খুন অব্যাহত.. ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন বিশটা লাশের বিনিময়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাবেন টুকু কানসাটের কসাই মন্ত্রী, তারেকের গণতন্ত্রে স্বাগতম! Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Election আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান বিজয়গাথা: বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের “অসম চুক্তি” কার স্বার্থে