১৮ বছর ধরে অন্যের ‘বিদ্যুৎ বিল’ দিয়ে আসছিলেন তিনি! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৮:০৬ অপরাহ্ণ

১৮ বছর ধরে অন্যের ‘বিদ্যুৎ বিল’ দিয়ে আসছিলেন তিনি!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৮:০৬ 186 ভিউ
অনেক বেশিই আসছিল বিদ্যুৎ বিল। সেই বিল কমানোর চেষ্টায় বিদ্যুতের ব্যবহারও কমিয়েছিলেন। তাতেও কাজ হচ্ছিল না। কেনো এমনটা হচ্ছে- তা ভেবে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হন তিনি। আর সেখানেই যা জানতে পারেন, তাতে চোখ কপালে ওঠে তার। বলছিলাম যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা কেন উইলসনের কথা। ২০০৬ সাল থেকে একটি অ্যাপার্টমেন্টে ভাড়া থাকেন কেন উইলসন। সেখানে বিদ্যুৎ সেবা দেয় বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিতরণ কোম্পানি প্যাসিফিক গ্যাস অ্যান্ড ইলেকট্রিক (পিজিঅ্যান্ডই)। কিন্তু সম্প্রতি উইলসন দেখেন, বিদ্যুতের বিল বেড়েই যাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও বিল কমাতে পারছিলেন না তিনি। ঘটনা কী, তা জানতে উইলসন পিজিঅ্যান্ডই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জানতে চান, ব্যবহার কমানোর পরও তার

বিদ্যুৎ বিল কেনো এত বাড়ছে? জানা যায়, বাড়তি সেই বিদ্যুৎ বিল তার নয়, বরং তার প্রতিবেশীর। এক বা দুই মাস না, বছরের পর বছর ধরে উইলসন এভাবেই প্রতিবেশীর বিল দিয়ে আসছিলেনন! সিবিএস স্যাক্রামেন্টোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উইলসন তার অভিজ্ঞতার কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম সেখানে কোনো লিক হয়েছে কিংবা কেউ আমার বিদ্যুৎ চুরি করে নিচ্ছে। অথবা আমার বিদ্যুতের মিটারে ত্রুটি আছে। কারণ, কিছু একটা ঠিকঠাক চলছিল না।’ অভিযোগ পেয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানির এক কর্মী উইলসনের মিটার পরীক্ষা করতে তার বাড়িতে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায়, প্রতিবেশীর বিদ্যুৎ বিলকেই উইলসনের অ্যাপার্টমেন্টের বিদ্যুৎ বিল হিসেবে দেখিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে তার অ্যাপার্টমেন্টের বিল এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। উইলসন বলেছেন,

তিনি ১৮ বছর ধরে ওই অ্যাপার্টমেন্টে আছেন। তার ধারণা, এ পুরোটা সময় ধরেই তিনি তার প্রতিবেশীর বিদ্যুৎ বিলই দিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় অবশ্য পিজিঅ্যান্ডই কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে তারা লিখেছে, ‘আমরা স্বীকার করছি যে, এ ক্ষেত্রে ত্রুটি হয়েছে।’ তবে এ ঘটনায় তারা উইলসনকে ক্ষতিপূরণ দেবে কিনা সে বিষয়ে কিছুই জানায়নি সংস্থাটি। তথ্যসূত্র: ইউপিআই

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?