ইউনূস সরকার ব্যস্ত দমন-পীড়নে: বাজারে আগুন, ভোগান্তি চরমে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ July, ২০২৫

ইউনূস সরকার ব্যস্ত দমন-পীড়নে: বাজারে আগুন, ভোগান্তি চরমে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ July, ২০২৫ |
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার কাগজে-কলমে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৯ শতাংশের নিচে দেখালেও জনজীবনে কোনো ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। বাজারে গেলে এখনও নাভিশ্বাস উঠছে নিত্যপণ্যের দামে। বিশেষ করে মৌলিক নিত্যপণ্য খাদ্য চাল ও মাছ এর লাগামছাড়া দামে বিপর্যস্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি। তারা এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ও হতাশ। সাধারণের প্রতিক্রিয়ায় উঠে এসেছে ক্ষোভের কথা। সরকারের দাবি, চলতি বছরের জুন মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ৮.৪৮ শতাংশে নেমেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি এখনো ৭.৩৯ শতাংশে। কিন্তু এসব ‘উন্নয়নমূলক’ পরিসংখ্যানগত সংখ্যা সাধারণ মানুষের জন্য তেমন অর্থ বহন করছেনা। কারণ, ভোক্তার প্রতিদিনের বাজার খরচে সবচেয়ে বেশি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে চাল, মাছ, তরি-তরকারিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক দাম।

আয়ের বেশিরভাগই চলে যাচ্ছে তাতে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বলছে, চাল ও মাছ মিলেই খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ৮৩ শতাংশ অবদান রাখছে। এর মধ্যে চাল একাই দিয়েছে ৫০.৭৬ শতাংশ অবদান। মাঝারি ও মোটা চালের মূল্যবৃদ্ধি গত ১২ মাসে গড়ে ১৫ শতাংশ ছুঁয়েছে। অথচ বোরো মৌসুমে ভালো ফলন হলেও তার কোনো সুফল ভোক্তা পায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, সরবরাহ শৃঙ্খলার ঘাটতি এবং মজুদদারদের লাগামহীন দৌরাত্ম্যই এই সংকটের মূল কারণ। সারের দাম, সেচ খরচ ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি চাল উৎপাদনের সময় প্রায় ২৬ শতাংশ ক্ষয় এবং মজুদদারদের অতি মুনাফার আশাই চালের বাজারকে অস্থির করে রেখেছে। সরকরাও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে

পারেনি। তারা কথিত ফ্যাসিস্ট দল আওয়ামী লীগকে দমন পীড়ন নিয়েই ব্যস্ত। মাছের বাজারেও একই চিত্র। শুধু রাজকীয় ইলিশ কিংবা ব্রাত্য পাঙ্গাশ নয়, সব মাছের দামই আকাশছোঁয়া। জিইডির তথ্য অনুযায়ী, মাছের মূল্যস্ফীতিতে অবদান ৩২.৩৭ শতাংশ যার মধ্যে শুধু ইলিশই দায়ী ১৫.৮৮ শতাংশের জন্য। অন্যদিকে, সবজির দাম স্থির থাকলেও (গড়ে ৬.৫ শতাংশ), টমেটো, বেগুন, দুধ ও সয়াবিন তেলের দাম বাড়তি থাকায় বাজারে কোনো স্বস্তি নেই। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন কাগজে-কলমে মূল্যস্ফীতি কমলেও জনগণের ভাতের পাতে সেই স্বস্তিটা নেই। মূল সমস্যা এখন বাজারের ভিতরে যেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নীতির ঘাটতি স্পষ্ট। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক ১০ শতাংশ রেপো রেট ধরে রেখেছে, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল এবং চাহিদা নিয়ন্ত্রণমূলক

পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তবে সাধারণ মানুষের জন্য এসবই শুধুই পরিসংখ্যানের খেলা। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তাদের দৈনন্দিন খরচ আরও বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভূত খাতেও ব্যয় বাড়ছে; অ্যালকোহল ও তামাক (১৭.৫৫ শতাংশ), পোশাক ও পাদুকা (১৫.৪০ শতাংশ), রেস্তোরাঁ ও হোটেল খাত (১১.০৯ শতাংশ) এবং বিবিধ পণ্যে (১৫.২৫ শতাংশ) দুই অঙ্কের মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। সব মিলিয়ে, বর্তমান সরকারের সময়ে সাধারণ মানুষ এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি যেখানে পরিসংখ্যানে উন্নয়ন দেখানো হলেও তাদের প্রতিদিনের খাবার টেবিলে সেই উন্নয়নের ছোঁয়া নেই। মূল্যস্ফীতি কমানোর যত কৌশলই নেওয়া হোক না কেন, বাজারে সুশাসন ও মজুদদারির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে, জনগণের কষ্ট কেবল বাড়বেই বলে মনে করছেন সুধীজন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের