ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ November, ২০২৬

ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ November, ২০২৬ |

ভারতীয় ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলায় স্থানীয় বাসিন্দা ও দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর মধ্যে সংঘর্ষে তিনজন বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছেন। আশাবাড়ি গ্রামে বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে একটি বিএসএফ গাড়ি ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় বর্তমানে তিন নারীসহ মোট নয়জনকে স্থানীয় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, গত সোমবার চোরাচালানের সন্দেহে বিএসএফ সদস্যরা এক স্থানীয় ব্যক্তিকে আটক করে নির্যাতন করেছেন। কোনো প্রমাণ না থাকলেও তাকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে, ফলে ওই ব্যক্তির পায়ের হাড় ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

এই ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা সড়ক অবরোধ শুরু করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত

হওয়ার সময় বিএসএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা ও অন্যান্য সদস্য গাড়িতে করে অবরোধস্থলে পৌঁছায়, যেখানে উত্তেজিত জনতা লাঠি ও বাঁশ নিয়ে তাদের ওপর চড়াই চালায়।

হামলায় অন্তত তিনজন বিএসএফ সদস্য আহত হন। উত্তেজিত জনতা বিএসএফের গাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি সদস্যদের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আহত সদস্যদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরপরই কালামচৌড়া থানার পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিন নারীসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগে জড়িত আরও অন্তত দশজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য

তল্লাশি চলছে।

বিএসএফের ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ার আইজি প্রিন্সি রানী সহ জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যান। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, আশাবাড়ি গ্রামের পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ত্রিপুরা মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, "দেশের নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর এমন সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"

বিরোধীদলীয় নেতা ও সিপিআইএম নেতা জীতেন্দ্র চৌধুরি এই হামলের কঠোর সমালোচনা করে, তবে দাবি করেন, "সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চোরাচালানে জড়িত ব্যক্তিরা স্থানীয় শাসক দলের আশ্রয়–প্রশ্রয়েই এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে।" পুলিশ উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত

চালিয়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের