আরও খবর
কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার
এবার কুয়েতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড
বিএনপির সন্ত্রাসীদের নিপীড়নের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করা হয়, জানান সহকর্মীরা
ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে
ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐকমত্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ
২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ
বুধবার রাতে পৃথক বিবৃতিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ডিবিসি নিউজের এই বিশেষ প্রতিনিধি কোথায় আছেন তা তাঁর পরিবার ও সহকর্মীদের কাছে স্পষ্ট করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, কোনো আইনগত ভিত্তি না থাকলে তাঁকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
বিজ্ঞাপন
ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বিবৃতিতে জানান, সাংবাদিককে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেকোনো পদক্ষেপ প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে হওয়া
উচিত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সুরক্ষায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ এক বিবৃতিতে বলেন, রাজীব ঘোষের বিরুদ্ধে আইনগত ভিত্তি না থাকলে তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। এই দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।
এর আগে বুধবার রাজধানীর মহাখালীর ডিবিসি নিউজ কার্যালয় এলাকা থেকে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। তাঁকে নেওয়ার সময় একই প্রতিষ্ঠানের বিশেষ প্রতিনিধি রাজীব ঘোষকেও সঙ্গে নেওয়া হয়। রাজীবকে কী কারণে নেওয়া হয়েছে, সে
বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বুধবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ইকবাল সোবহান চৌধুরী অফিসে যাওয়ার পর অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা এড়াতে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে এবং সেখান থেকে আরও একজনকে আনা হয়েছে। ডিবিসি নিউজের অ্যাসাইনমেন্ট সম্পাদক মুক্তাদীর অনিক জানান, রাজীব ঘোষকে নেওয়ার সময় ডিবি সদস্যরা তাঁকে জানিয়েছিলেন, চা খাওয়ার জন্য নেওয়া হচ্ছে।





