আরও খবর
ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে
সংবিধান সংশোধনে তাড়াহুড়া নয়, ঐকমত্য ও অন্তর্ভুক্তির তাগিদ
২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি-এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত
তাহসিফ সাউরি মৃত্যু: রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ
বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় অতিরিক্ত ডিআইজি সাময়িক বরখাস্ত
টাঙ্গাইলে দুই চোখ উপড়ে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে হত্যা, নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার
ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই গণ‑অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তারের পর সাবেক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা চেয়ে জামিনে মুক্তি পাওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে একটি সূত্র প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে। পরিবারকে টাকা চাওয়ার পর সাইমুম রেজা তালুকদার দেশ ছেড়ে ইতালি চলে গেছেন।
বিজ্ঞাপন
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, সাইমুম রেজা তালুকদার বিদেশ ভ্রমণের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না এবং তার ভ্রমণ সম্পর্কে তাদের কোনো হস্তক্ষেপের অধিকার নেই। চিফের কার্যালয় ঘটনাটি তদন্তে পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করে, যার প্রধান হলেন
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। কমিটি গঠনের পরের দিন, ৯ মার্চ, সাইমুম রেজা তালুকদার পদত্যাগ করেন; ১০ মার্চ প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ যৌথভাবে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে।
আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে একটি ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে একজন সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করেন, "একজন প্রসিকিউটরকে কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অপরাধে বরখাস্ত করা হয় এবং তিনি ৩১ অক্টোবর দেশ ছেড়ে ইতালি চলে গেছেন; ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি আট মাসেও প্রতিবেদন দিতে পারেনি নাকি তাঁকে ইতালিতে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিল?" চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানান, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম এখনও চলমান এবং তারা প্রতিবেদন অপেক্ষায় আছেন।
চিফ প্রসিকিউটর আরও
বলেন, সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ ছিল এবং তিনি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পদত্যাগ করেছেন; ট্রাইব্যুনালে যোগদানের এক মাসের মধ্যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বললেন, "এই ঘুষ চাওয়া এবং দেওয়া দুটোই কিন্তু অপরাধ। যাঁরা তাকে (সাইমুম রেজা) ঘুষ প্রস্তাব করেছিল, তাঁদেরও সমভাবে দায়ী।" কমিটির দেরির কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, "ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির একজন সদস্য দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তিনি (চিফ প্রসিকিউটর) কিছু দিন বিদেশে ছিলেন। অন্যান্য প্রসিকিউটরদের একজনের মা মারা যাওয়ার কারণে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন। নানান কারণে আসলে তাঁরা প্রতিবেদন দিতে পারেননি। তাঁরা যথা শিগগিরই সম্ভব ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির প্রতিবেদন দেবেন।"





